অনন্যার হাসি কি থেমেই যাবে


251 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
অনন্যার হাসি কি থেমেই যাবে
ফেব্রুয়ারি ১, ২০১৯ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

সহপাঠীরা যখন এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক সে সময় হাসপাতালের বিছানায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে লড়ছে মেধাবী ছাত্রী অনন্যা দে। 

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে বর্তমানে সে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রয়েছে। সহপাঠীদের সঙ্গে ক্যাম্পাস মাতিয়ে রাখা মেয়েটির হাসি যেন চিরতরে থেমে যেতে চলেছে অর্থের অভাবে।

সিলেট এমসি কলেজ থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষার্থী অনন্যা দে। গত ২৪ জানুয়ারি কলেজে আসার সময় বিমানবন্দর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে তার মাথাসহ শরীরের অনেক অংশ মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। প্রথমে তাকে সিলেট ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে অনন্যাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। এরই মধ্যে তার মস্তিস্কে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। 

অনন্যা মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার হাটবন্দ এলাকার অরুণ কান্তি দে ও অর্পণা রানী দের একমাত্র মেয়ে। বড়লেখা পৌর শহরের রোকেয়া খাতুন লাইসিয়াম স্কুল থেকে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি এবং এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছে অনন্যা। নজরুল একাডেমির শিল্পীও সে।

এভাবেই হাসপাতালের বিছানায় পড়ে আছে  অনন্যা

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, অনন্যার চিকিৎসায় প্রাথমিকভাবে অন্তত ৩০ লাখ টাকার প্রয়োজন। গুরুত্বপূর্ণ আরও কয়েকটি অস্ত্রোপচার করাতে হবে। কিন্তু অনন্যার পরিবারের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা অসম্ভব।

তাই মেয়ের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে সহায়তা চেয়েছেন অরুণ কান্তি দে। তিনি বলেন, মেয়েটি এখন লাইফ সাপোর্টে আছে। তার মাথা ও পাসহ কয়েকটি অপারেশন লাগবে। ডাক্তার বলেছেন, প্রাথমিকভাবে ৩০ লাখ টাকা লাগতে পারে। এত টাকা আমার পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়।

অনন্যাকে সহায়তা পাঠানো যাবে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক সিলেট শাখা, হিসাব নম্বর-১৩২১০১৫৪২১৪, ভাইয়ের (বিকাশ) নম্বর ০১৭৩৪-৫৩০৯১০।