অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করাই প্রধান লক্ষ্য : পররাষ্ট্রমন্ত্রী


258 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করাই প্রধান লক্ষ্য : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
জানুয়ারি ৮, ২০১৯ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এম এ মোমেন বলেছেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তার প্রধান লক্ষ্য দুটি। একটি হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করা এবং আঞ্চলিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করা। পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য অর্জনে সক্রিয় অংশীদারিত্বের প্রতি জোর দেবেন বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন। আর দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়া পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম সাংবাদিকদের বলেন, বিদেশিদের কাছে বাংলাদেশের একটি আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে। এই আস্থাকে আরও দৃঢ় করার লক্ষ্য নিয়ে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই মন্ত্রণালয়ের নেতা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি এবং কূটনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে নিবেদিত থাকবেন।

মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রণালয়ে এলে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকসহ সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। তারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। দুপুরের পর তারা উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করেন। এ সময় নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার প্রতি আস্থা রেখে যে গুরুদায়িত্ব দিয়েছেন, তা তিনি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সম্পন্ন করবেন।

মোমেন আরও বলেন, তার দায়িত্ব পালনের মেয়াদে বাংলাদেশের জন্য অর্থনৈতিক কূটনীতিকে আরও জোরদার করতে চান তিনি। একই সঙ্গে তিনি আঞ্চলিক সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়েও জোর দেবেন। তিনি বলেন, পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য অর্জনে সক্রিয় অংশীদারিত্বের সম্পর্কের ওপরই জোর দেবেন। তিনি বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে যৌথ সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চান। মন্ত্রণালয়ের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তিনি সফল হবেন বলেও প্রত্যাশা করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, বিদেশিদের মধ্যে বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের বড় একটি অর্জন। নির্বাচন নিয়ে সরকারের প্রতি যে ধরনের সন্দেহ পোষণ করা হয়, সে রকম সন্দেহ এবার বিদেশিদের পক্ষ থেকে আসেনি বললেই চলে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন নিয়ে বিবৃতি তাদের বোঝার ভুল। বাস্তব চিত্র সম্পর্কে তাদের কাছে থাকা তথ্যের মধ্যে ঘাটতি আছে বলেও মনে করেন তিনি।