অর্থাভাবে মেধাবী ছাত্রী সুুরাইয়ার লেখাপড়া অনিশ্চিত


274 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
অর্থাভাবে মেধাবী ছাত্রী সুুরাইয়ার লেখাপড়া অনিশ্চিত
আগস্ট ৩১, ২০১৯ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

বি. এম. জুলফিকার রায়হান ::

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার হতদরিদ্র পরিবাবের সন্তান সুুরাইয়া আক্তার চলতি ২০১৯ সালে বিজ্ঞান বিভাগ হতে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৫ অর্জন করে। বর্তমানে উচ্চ শিক্ষার জন্য অর্থের অভাবে লেখাপড়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে মেধাবী ছাত্রী সুুরাইয়া আক্তারের। সুুরাইয়া তালা উপজেলার সদর ইউনিয়নের আগোলঝাড়া গ্রামের মো. নজরুল ইসলাম শেখ ও নাজমা বেগমের কন্যা।
সুরাইয়ার হতদরিদ্র পিতা নজরুল ইসলাম জানান, তার বসতভিটা ছাড়া কোন জমিজমা কিংবা আয়ের উৎস্য নেই। সাইকেল মেরামতের পাশাপাশি গ্রামে ছোট একটা মুদি খানার দোকান করে কোনমতে কষ্টে সংসার চালান। স্ত্রী দীর্ঘদিন অসুস্থ,অর্থের অভাবে তিনি বিনা চিকিৎসায় ধুঁকছেন। তাছাড়া অভাবের এই সংসারে ৫জন সদস্যের ভরন পোষণ এবং তিন ছেলে মেয়েকে লেখাপড়া করানো অসম্ভব হয়ে উঠছেনা। হয়তো মাঝপথে তাদের লেখাপড়াও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সুরাইয়াকে ভর্তি করাতে পারবো কিনা এখনো তা অনিশ্চিত। এদিকে, এইচএসসি’র মতো এসএসসি পরীক্ষায়ও ভাল ফলাফল করেছিল সুরাইয়া। তাকে নিয়ে অনেক স্বপ্নও ছিল, কিন্তু অর্থের অভাবে তাসের ঘরের মতো সে স্বপ্ন ভেঙে যেতে বসেছে বলে জানান নজরুল ইসলাম।
মেয়ের উচ্চ শিক্ষার ব্যাপারে চরম হতাশা প্রকাশ করে নাজমা আক্তার জানান, ভাগ্যে এমনটি হবে কখনো ভাবতে পারিনি। তার মেয়ে মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও পড়াশুনা করানোর মতো কোন সামর্থ তাদের নেই। দু’বেলা ঠিকমতো সন্তানদের মুখে খাবারও তুলে দিতে পারছেন না। অর্থ দৈন্যতা তাদের জীবনে নেমে এসেছে এক করুণ পরিণতি। যে কারণে মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও সুরাইয়ার পড়াশোনা বন্ধের উপক্রম হয়েছে।
এজন্য তিনি মেয়ের পড়াশুনার জন্য সমাজের বিত্তবানদের কাছে এবং সরকারী ও বেসরকারী সহযোগিতা কামনা করেছেন। সাহায্য পাঠানোর জন্য মো. নজরুল ইসলাম, হিসাব নং- ০২০০০১৩৮৩০২৭৫ অগ্রণী ব্যাংক (এজেন্ট ব্যাংক) অথবা ০১৭২৫-৬৬৭৪২৫ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করতে দানশীল মানুষদের প্রতি নাজমা বেগম অনুরোধ করেছেন। এদিকে স্থানীয়রা মেধাবী এই শিক্ষার্থীর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।

#