অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে নিরাপদ বসবাস


646 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে নিরাপদ বসবাস
জুলাই ১০, ২০১৫ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :
পৃথিবীর সব প্রান্তের মানুষের নিরাপদ বসবাসের নিশ্চয়তা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। প্রতিষ্ঠিত সুশাসন দেশ দু’টিকে উন্নত বিশ্বের প্রতিনিধি হিসেবে তৈরি করেছে।

চমৎকার স্বাস্থ্যসম্মত আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এ দুটি দেশকে করেছে বসবাসের সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান। খাদ্য থেকে শুরু করে আইন-শৃঙ্খলার কড়া নিরাপত্তা দেশ দুটোকে করেছে নিরাপদ বসবাসের উপযোগী।

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড এই দুই দেশেই রযেছে বিজনেস এবং ইনভেস্টমেন্ট মাইগ্র্যান্টস হিসেবে বসবাসের সুযোগ।

এ প্রসঙ্গে ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চিফ কনসালট্যান্ট অ্যাডভোকেট রাজু আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ জায়গা। এখানে ইউরোপ বা আমেরিকার মতো আবহাওয়া সমস্যা নেই। আর সব জাতির লোকদের এখানে সমান সন্মান জানানো হয়।

তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছে সপরিবারে বিজনেস ও প্রফেসনাল স্কিলড মাইগ্রেশনের সুযোগ। ২৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সীদের যে কেউ এই আবেদন করতে পারেন। শিক্ষাগত যোগ্যতাও শিথিল রয়েছে। আর চারশ’র বেশি পেশায় দেয়া হচ্ছে স্কিলড মাইগ্রেশন। দ্রুতই পারমানেন্ট রেসিডেন্স ভিসা পাওয়া সম্ভব পুরো পরিবারের।

তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়ায় বিজনেস মাইগ্রেশনের জন্যে প্রয়োজন হবে নূন্যতম আট লক্ষ অস্ট্রেলিয়ান ডলার। আর ইনভেস্টমেন্ট মাইগ্রেশনের জন্যে অস্ট্রেলিয়ান ডলারে ২.২৫ মিলিয়িন এবং নিউজিল্যান্ডের ১.৫ মিলিয়ন ডলার খরচ করতে হবে আগ্রহীকে।

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে বিজনেস এবং ইনভেস্টমেন্ট মাইগ্র্যান্টস হিসেবে বসবাসের করণীয় জানতে www.wwbmc.com এ ওয়েবসাইটে লগইন করুন অথবা advahmed@outlook.com এবং Raju.advocate2014@gmail.com মেইলে প্রশ্ন করে জেনে নিতে পারেন বিস্তারিত।

এছাড়া  +60168123154 মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। ফেসবুকে Advocate Raju Ahmed এবং স্কাইপ আইডি Advocate Raju Ahmed PhDতেও যোগাযোগ করতে পারেন।

বিজনেস রেসিডেন্স ভিসায় ৫ বছরে মালয়েশিয়ায় বসবাস
মালয়েশিয়ায় এসডিএন ও বিএইচডি কোম্পানির অধীনে বিজনেস রেসিডেন্স ভিসা নিলেও নাগরিকত্ব পাওয়া বেশ কঠিন। বরং আন্তর্জাতিক কোম্পানির অধীনে বিজনেস রেসিডেন্স ভিসা করলে পাঁচ বছর পরে মালয়েশিয়ার নাগরিকত্ব (পিআর) পাওয়া বেশ সহজ হয়।

এ ক্ষেত্রে বড় সুবিধা হল, কোনো মালয় নাগরিকের সুপারিশ প্রয়োজন হয় না। এমনকি অন্য কোনো সংস্থা থেকেও কোনো প্রত্যয়নপত্র (রিকমন্ডেশন লেটার) প্রয়োজন হয় না। ব্যবসায়ী ভিসা নিলে মালয়েশিয়া থেকে পৃথিবীর ৭৩ টি দেশে মাত্র তিন শতাংশ ট্যাক্স দিয়ে ব্যবসা করা সম্ভব।

আন্তর্জাতিক কোম্পানির অধীনে বিজনেস রেসিডেন্স ভিসা পেতে পূর্ণ জীবন বৃত্তান্ত ও বিজনেস প্রোফাইল তৈরি করে নিতে হবে। আরো লাগবে পাসপোর্টের ফটোকপি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র, ব্যাংকের বিবৃতি, সাদা ব্যাক গ্রাউন্ডের চারটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি আর স্থানীয় কমিশনার বা চেয়ারম্যানের কাছ থেকে চারিত্রিক সনদপত্র।

অ্যাডভোকেট রাজু আহমেদ বলেন, সব কাগজপত্র ঠিক থাকলে ৩০ থেকে ৪০ দিনের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়।