আজ সাতক্ষীরার ৭৮ ইউনিয়নের ১০১৩ জন চেয়ারম্যান,মেম্বর ও মহিলা মেম্বরের ভাগ্য নির্ধারণ


312 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আজ সাতক্ষীরার ৭৮ ইউনিয়নের ১০১৩ জন চেয়ারম্যান,মেম্বর ও মহিলা মেম্বরের ভাগ্য নির্ধারণ
মার্চ ২১, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

নাজমুল হক :
উৎসাহ-উদ্দীপনায় আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। জেলার ১৪ লাখ ২১ হাজার ভোটার আজ ৭৮টি ইউপিতে ১ হাজার ১৩ প্রার্থীকে নির্বাচিত করবেন। জেলার সব চেয়ে বড় এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩৪৪ জন, সাধারণ সদস্য (মেম্বর) পদে ২ হাজার ৭৮৭ ও সংরক্ষিত সদস্য (মহিলা মেম্বর) পদে ৮১৩ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছে। অন্যদিকে নির্বাচন স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু করতে নির্বাচনের দায়িত্বে ৭১৬ কেন্দ্রে ১২ হাজার ৫৫৮ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় র‌্যাব-পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। জেলায় থাকছে ২৬টি ভ্রাম্যমান আদালত।
সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, জেলার সাতক্ষীরা সদরে ১৪টি, আশাশুনির ১১টি, দেবহাটার ৫টি, কালিগঞ্জের ১২টি, শ্যামনগরের ১২টি, কলারোয়ার ১২টি এবং তালা উপজেলার ১২ টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে ৩৭ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জেলার ৭১৬ টি ভোট কেন্দ্রে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ৭১৬, সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা ৩ হাজার ৯৩৫ ও পোলিং অফিসার ৭ হাজার ৮৭০ জন দায়িত্ব পালন করবেন।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬২ হাজার ৬৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩০ হাজার ৭১৯ জন এবং মহিলা ভোটার ১ লাখ ৩১ হাজার ৩৪৮ জন। উপজেলার ১২৯টি ভোট কেন্দ্রে ৭১৩ টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী ভোট কক্ষ থাকছে। উপজেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ৭, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ১২৯, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ৭২৩ ও পোলিং অফিসার ১ হাজার ৪৪৬ জন দায়িত্ব পালন করছেন।
কালিগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ২০ হাজার ৮৩৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭ হাজার ৪০১ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৩২ জন। উপজেলার ১১০টি ভোট কেন্দ্রে ৫৮৩টি স্থায়ী ও ২১টি অস্থায়ী ভোট কক্ষ থাকছে। উপজেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ৫, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ১১০, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ৬০৪ ও পোলিং এজেন্ট ১ হাজার ২০৮ জন দায়িত্ব পালন করছেন।
কলারোয়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৫৯ হাজার ৯২৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭৮ হাজার ৯৪২ জন ও মহিলা ভোটার ৮০ হাজার ৯৮৫ জন। ১০৯টি ভোট কেন্দ্রে ৪৩৩ টি স্থায়ী ও ৪টি অস্থায়ী ভোট কক্ষ থাকছে। উপজেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ৬, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ১০৯, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ৪৩৭ ও পোলিং এজেন্ট ৮৭৪ জন দায়িত্ব পালন করছেন।

শ্যামনগর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৪৬ হাজার ১৭২জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৯১জন, মহিলা ভোটার ১ লাখ ২২ হাজার ৬৮১জন। উপজেলার ১০৮টি ভোট কেন্দ্রে ৬৮৮ টি স্থায়ী ও ২৮টি অস্থায়ী ভোট কক্ষ থাকছে। উপজেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ৬, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ১০৮, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ৭১২ ও পোলিং এজেন্ট ১ হাজার ৪৩২ জন দায়িত্ব পালন করছেন।
তালা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৩০ হাজার ১৬৯ জন। এর মধ্যে  পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১৫ হাজার ১৭৭ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২ জন। উপজেলার ১০৮টি ভোট কেন্দ্রে ৬১০টি স্থায়ী ও ৩২টি অস্থায়ী ভোট কক্ষ থাকছে। উপজেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ৬, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ১০৮, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ৬৪২ ও পোলিং এজেন্ট ১ হাজার ২৮৪ জন দায়িত্ব পালন করছেন।
দেবহাটা উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ৯৩ হাজার ৮২৫ জন।  এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪৭ হাজার ২০২ জন ও মহিলা ভোটার ৪৬ হাজার ৬২৩ জন। উপজেলার ৪৮টি ভোট কেন্দ্রে ২৪৩টি স্থায়ী ও ৪টি অস্থায়ী ভোট কক্ষ থাকছে। উপজেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ২, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ৪৮, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ২৪৭ ও পোলিং এজেন্ট ৪৯৪ জন দায়িত্ব পালন করছেন।
আশাশুনি উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮ হাজার ২০৮জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৪ হাজার ৪৫৬ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ৩ হাজার ৭৫২ জন। উপজেলার ১০৪টি ভোট কেন্দ্রে ৫৬১ টি স্থায়ী ও ৫টি অস্থায়ী ভোট কক্ষ থাকছে। উপজেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ৫, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ১০৪, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ৫৬৬ ও পোলিং এজেন্ট ১ হাজার ১৩২ জন দায়িত্ব পালন করছেন।
সূত্র আরো জানায়, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে গতকাল বিকেল থেকে কেন্দ্রের দায়িত্ব নিয়েছে কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিভিন্ন ইউনিয়নে র‌্যাব-পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি’র সদস্যদের টহল দিতে দেখা যায়।
প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোন বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর হস্তে দমন করা হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনে কোন ক্রমেই আপোষ করবে না প্রশাসন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ এইচ এম কামরুল হাসান জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে সকল ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সকল কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশের কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। কোন অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

##

জেলায় ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ১০ সাংবাদিক

নাজমুল হক:
জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও সাধারণ সদস্য পদে ১০ জন সাংবাদিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে দু’জন সাংবাদিক বর্তমান চেয়ারম্যান ও দু’জন সদস্য পুনরায় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। কলারোয়া উপজেলার লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান চেয়ারম্যান দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার কলারোয়া প্রতিনিধি আবুল কালাম, তালা উপজেলার খলিশখালী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিটিভির জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক কালের চিত্রের বার্তা সম্পাদক মোজাফ্ফর রহমান, একই উপজেলার তালা সদর ইউনিয়নে জাপা প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান চেয়ারম্যান দৈনিক পূর্বাঞ্চল পত্রিকার তালা প্রতিনিধি এসএম নজরুল ইসলাম ও শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দৈনিক ইত্তেফাকের শ্যামনগর সংবাদদাতা শেখ আব্দুল হাকিম। এ ছাড়া শ্যামনগর সদর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে দৈনিক কাফেলার শ্যামনগর প্রতিনিধি বর্তমান ইউপি সদস্য এস কে সিরাজ, দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ইনকিলাবের জেলা প্রতিনিধি মো. আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, একই ইউনিয়নে বর্তমান ইউপি সদস্য দৈনিক যুগের বার্তার পারুলিয়া প্রতিনিধি রিয়াজুল ইসলাম, সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর  ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে দৈনিক কালের চিত্র পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার রেজাউল করিম মিঠু, কালের চিত্রের প্রতিনিধি ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ডে অব্দুল হাকিম, আগড়দাড়িতে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মো. সেলিম হোসেন ও ফিংড়ি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে দৈনিক কাফেলার ফিংড়ি প্রতিনিধি আরশাদ আলী সাধারণ সদস্য পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
##

নির্বাচনের মাঠে জেলায় ২৬ ভ্রাম্যমান আদালত

নাজমুল হক:
ইউপি নির্বাচনের আইন-শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২৬ টি ভ্রাম্যমান আদালত মাঠে থাকছে। কেন্দ্রে ও কেন্দ্রের বাহিরে কোন বিশৃঙ্খলা করলে ভ্রাম্যমান আদালত তাৎক্ষণিক সাজা প্রদান করবেন। নির্বাচনের সকল বিষয় জেলা প্রশাসন মনিটরিং করছে। তবে জেলায় নেই কোন ফলাফল জানানোর কেন্দ্র।
সূত্র জানায়, জেলায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এ এফ এম এহতেশামূল হকের নেতৃত্বে কন্ট্রোল রুমে থাকছে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক এম এম মইনুল ইসলাম। নির্বাচনে প্রত্যেক উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ পৃথকভাবে নির্বাচন মনিটরিং করবে। অন্যদিকে জেলার সদর উপজেলায় ৩ জন, তালায় ৩, কলারোয়া ৩, আশাশুনিতে ৪, দেবহাটায় ৩, কালিগঞ্জে ৪ এবং শ্যামনগরে ৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করবেন। জেলা প্রশাসনের সূত্র জানায়, নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা করলে তাৎক্ষণিক সাজা প্রদান করবে প্রতিটি ভ্রাম্যমান আদালত।
##

বিশৃঙ্খলা বন্ধে কন্ট্রোল রুম

বিশেষ প্রতিনিধি:
নির্বাচনের আইন-শৃঙ্খলা সুষ্ঠু ও সুন্দর করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। নির্বাচনে জেলার কোথাও কোন বিশৃঙ্খলা করলে কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক এম এম মইনুল ইসলামকে জানানো জন্য বলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোথাও বিশৃঙ্খলা করলে ০১৭১২-২৮৮১৭০ নম্বরে জানানোর জন্য বলা হয়েছে। বিশৃঙ্খলা করলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে এনডিসি জানান।
##
নিরাপত্তার চাদরে প্রতিটি কেন্দ্র

বিশেষ প্রতিনিধি:
জেলার সাতটি উপজেলার ৭৮টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭১৬টি কেন্দ্র নিরাপত্তার চাদরে মুড়ানো হয়েছে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে ৫৪টি কেন্দ্রকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ (অতি গুরুত্বপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অতি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তাসহ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণের লক্ষ্যে ছয়স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

পুলিশের বিশেষ শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এনামুল জানান, জেলাব্যাপী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে। থাকবে ছয় স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্য পুলিশের পক্ষ থেকে সর ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা সূত্র জানায়, ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একজন এসআইয়ের নেতৃত্বে দুইজন কনস্টেবল ও ১৭জন আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবে। প্রত্যেক ইউনিয়নে পুলিশের একটি করে ভ্রাম্যমাণ টিম কাজ করবে। প্রত্যেক উপজেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে চারটি করে ভ্রাম্যমাণ টিম কাজ করবে। এছাড়া প্রত্যেক উপজেলায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি করে ভ্রাম্যমাণ টিম কাজ করবে। প্রত্যেক উপজেলা নির্বাচন অফিসে একটি করে ভ্রাম্যমাণ টিম প্রস্তুত থাকবে। প্রত্যেক থানা ও জেলা সদরে পুলিশের রিজার্ভ ফোর্স প্রস্তুত থাকবে। এছাড়া প্রত্যেক থানায় তদারকির দায়িত্বে থাকবেন একজন করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বা সহকারী পুলিশ সুপার।