আশাশুনিতে আ’লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত


420 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনিতে আ’লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত
জানুয়ারি ১, ২০১৯ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

॥ এস কে হাসান ॥

আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামে আওয়ামীলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ ও ভাংচুরের ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।
উপজেলা আ’লীগ সদস্য ও জেলা পরিষদ সদস্য এস এম দেলোয়ার হোসাইন জানান, কচুয়া স্কুল থেকে আ’লীগ ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক সাইদ ঢালীর নেতৃত্বে বিএনপি নেতা মাছুমসহ অন্যদের নিয়ে কবিরের দোকানের সামনে পৌছে দুপুর পৌনে ১টার দিকে তার লোকজনকে মারপিট করা হয়। বেলা দেড়টার দিকে তারাসহ সিফাতুল্লাহ, রাকীব, আজমীর পুনরায় লাঠি, দা নিয়ে তার বোনাই শের আলির বাড়িতে আক্রমন করে ফ্রিজ, টিভি, আসবাবপত্র ভাংচুর করে ও মহিলাদের উপর হামলা চালায়। এসময় স্বর্ণালংকার, নগদ ২ লক্ষ টাকা নিয়ে যায়। মাছুম, জিয়ারুল, সাদ্দাম সহ প্রতিপক্ষের আক্রমনে দেলোয়ারের বোনের শ্বাশুড়ি মরিয়ম বিবি (৬০), ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি শুভ (২৩), ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি মকফুর(২৭), মৃত রজব আলির পুত্র সাদ্দাম (২৫) সৈনিকলীগ সহ-সভাপতি জারুল, তাঁতীলীগ সভাপতি আহছান উল্লাহ বাবু, শ্রমিকলীগ সভাপতি সিরাজুল আহত হয়। সাদ্দাম ও মকফুরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উপজেলা তরুনলীগের সাবেক সভাপতি ওমর ছাকি পলাশ জানান, তিনি কোর্টে ছিলেন। তিনি খবর পান তার বাড়িতে হামলা হচ্ছে। জেলা পরিষদ সদস্য দেলোয়ার হোসাইনের নেতৃত্বে মকফুর, শাওন, শাহরিয়ার, চঞ্চল, শুভসহ বহু লোকজন লাঠিশোটা দা নিয়ে আক্রমন করে ভাংচুর ও মহিলাসহ লোকজনের উপর হামলা চালায়। তার স্ত্রী, মা, ভাবী, চাচা সেফাতুল্লাহকে মারপিট করে, শ্লীলতাহানি ঘটায়। আ’লীগের জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দকে বিষয়টি জানিয়ে ওসি সাহেবকে জানাই। ওসি সাহেব গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। হামলায় তার মা, স্ত্রী, ভাবী, সেফাতুল্লাহ, আলহাজ্ব আশরাফ উদ্দিন সরদারের পুত্র আমান উল্লাহ ও মৃত তারিফ সরদারের পুত্র তোফাজ্জেল আহত হয়েছে। আমান ও তোফাজ্জেলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শের আলির বাড়িতে হামলার যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা বলে তিনি দাবী করেন। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ ঢালী জানান, তিনি কচুয়া প্রাইমারী স্কুলে বই উৎসবে ছিলেন। পলাশ মোবাইলে জানায় মাছুমকে মারপিট করতে দেলোয়ারের লোকজন গেছে। খবর পেয়ে তিনি তাদেরকে নিবৃত করে ফিরিয়ে দেন। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে কবিরের দোকানের কাছে পৌছলে প্রতিপক্ষ মাছুম ও টুকুর উপর হামলা চালিয়ে আহত করে ও মটর সাইকেল ভাংচুর করে। তখন তিনি ও পান্না মেম্বার মিলে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরে বসাবসি করে ব্যবস্থা নেবেন সিদ্ধান্ত দিয়ে ফিরিয়ে দেন। কিন্তু একটার দিকে পুনরায় শের আলির বাড়ির কাছে সংঘর্ষ হয়। তারা তাদেরকে নিবৃত করতে চেষ্টা চালান।

পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ জানান, ঘটনা নিয়ে এখনো কোন পক্ষ অভিযোগ দেয়নি।

##