আশাশুনিতে এক বিএনপি নেতা ঘেরে হামলা চালিয়ে লুটপাটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন


273 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনিতে এক বিএনপি নেতা ঘেরে হামলা চালিয়ে লুটপাটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
আগস্ট ২৫, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার  :
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে এক বিএনপি নেতা ও তার সহকর্মীদের বিরুদ্ধে দফায় দফায় ঘেরে হামলা চালিয়ে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে উপজেলার জামালনগর গ্রামের মৃত মোতালেব গাজীর ছেলে জি.এম. মনজুরুল ইসলাম এই অভিযোগ করেন।

সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ২৩ আগস্ট দৈনিক স্বাধীন সংবাদে ‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান মিজানুর বাচতে চায় ভূমিদস্যু মনজুরুল ও কালামের হাত থেকে’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। মিজানুর রহমান ফকির মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান নয় এবং সে নিজেই ভূমিদস্যু, মাদক ব্যবসায়ী ও বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চার বছরের জন্য ডিড নিয়ে জামালনগর মৌজার এক একর সম্পত্তিতে জি.এম. মনজুরুল ইসলাম ঘের-বেড়ি প্রস্তুতসহ সেখানে গাছ-গাছালি লাগিয়ে ভোগ দখল করছেন। একই সাথে গত ৪ আগস্ট রেজিস্ট্রি কোবলা দলিল মূলে ওই জমির মালিক হয়েছেন। কিন্তু মিজানুর রহমান ফকির তার সহকর্মী, ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত মাদক ব্যবসায়ী মামুনুর রশিদ মামুন গাজী, ফেনসিডিল ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল আমিন ওরফে ফিরোজ হোসেন, মাদক সেবনকারী মাসুদুজ্জামান শিল্পী ও রমজান আলীকে সাথে নিয়ে গত ৫/৩/১৬ তারিখে ওই জমিতে হামলা চালিয়ে ঘেরের মাছ লুটপাট করে। একইভাবে ৮/৪/১৬ তারিখে এবং ২৪/৮/১৬ তারিখে হামলা চালিয়ে ঘের লুটপাট করে। এসব ঘটনায় আশাশুনি থানায় মামলা দায়ের করা হয়। যা বিচারাধীন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, উল্লিখিত সন্ত্রাসীরা জি.এম. মনজুরুল ইসলাম বড় ভাই, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা গ্রন্থের সম্পাদক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক তারিকুল ইসলামের নামে বিভিন্ন স্থানে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অভিযোগ করেছে। একই সাথে তার উপর ঢাকায় একাধিক বার হামলার ঘটনাও ঘটেছে। এসব বিষয়ে থানায় ডায়েরি করা হয়েছে। কিন্তু কোনভাবেই ওই সন্ত্রাসী চক্রকে দমানো যাচ্ছে না। বরং তারা নানাভাবে হামলাসহ হয়রানি করে চলেছে।

সংবাদ সম্মেলনে পর সম্পদলোভী মিজানুর রহমান ফকির তার সহকর্মী, ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত মাদক ব্যবসায়ী মামুনুর রশিদ মামুন গাজী, ফেনসিডিল ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল আমিন ওরফে ফিরোজ হোসেন, মাদক সেবনকারী মাসুদুজ্জামান শিল্পী ও রমজান আলীর শাস্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রী, আইজিপি, ডিআইজি ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।