আশাশুনিতে পরিবার কল্যাণ সেবা সপ্তাহ


320 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনিতে পরিবার কল্যাণ সেবা সপ্তাহ
নভেম্বর ১০, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

উপলক্ষ্যে এ্যাডভোকেসি সভা
গোপাল কুমার, আশাশুনি ব্যুরো ঃ আশাশুনিতে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ’১৬ উপলক্ষ্যে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ হল  রুমে সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা পঃ পঃ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম। “সেবার মান বৃদ্ধি করি, সবার প্রত্যাশা পূরন করি” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে  সামনে সামনে রেখে অন্যন্যর মধ্যে আলোচনা রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার শামিউর রহমান, সমাজ সেবা অফিসার জামাল উ্দ্দীন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরা, যুবউন্নয়ন কর্মকর্তা এসএম আজিজুল হক, এসআই সয়েব আলী প্রমুখ। সভায় আগামী ১২-১৭ নভেম্বর পরিবার কল্যাণ ও প্রচার সপ্তাহ উপলক্ষে জন্ম নিয়ন্ত্রনের সকল পদ্ধতিতে নতুন গ্রাহক বৃদ্ধি করা, মা ও শিশু স্বাস্থ্যের মান বৃদ্ধি করা , কিশোর-কিশোরী ও মায়েদের সেবায় মান বৃদ্ধি করা, ০-৫ বছর বয়সী শিশু সেবায় মান বৃদ্ধি করা, প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব বৃদ্ধির  জন্য প্রচারনা চালানো সহ বিভিন্ন বিষয় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
##

আশাশুনিতে ভ্রাম্যমান আদালতে দু’মাদক সেবীকে জরিমানা
গোপাল কুমার, আশাশুনি ব্যুরো ঃ আশাশুনিতে ভ্রাম্যমান আদালতে দু’মাদক সেবীকে জরিমানা করা হয়েছে। জানাগেছে, উপজেলার আরার-কাদাকাটির আব্দুল ওহাব সরদারের পুত্র জাহাঙ্গীর হোসেন (২৮) ও বড়দল গ্রামের সাঈদ গাজীর পুত্র বাবুল গাজী (৩৮) কে গাজা সেবন করাকালে পুলিশ হাতে-নাতে ধরে থানা হেফাজতে নেয়। পরে ইউএনও কার্যালয়ে হাজির করা হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা ভ্রাম্যমান আদালতে দু’জনকে ৫শ টাকা করে ১হাজার টাকা জরিমানা করে নগদে আদায় করেন।
####

আশাশুনিতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে
৯ম শ্রেনীর ছাত্রী বাল্যবিবাহ থেকে মুক্তি
গোপাল কুমার, আশাশুনি ব্যুরো ঃ আশাশুনিতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ৯ম শ্রেনী পড়ুয়া ছাত্রী বাল্যবিবাহ থেকে মুক্তি পেয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানাগেছে, উপজেলা সদরের মৃত নুরুর পুত্র হোটেল বয় পলাশ (২১) এর সাথে পার্শ্ববর্তী সোদকণা গ্রামের রবিউল ইসলামের কন্যা আশাশুনি বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনী পড়–য়া ছাত্রী (!) এর সাথে তাদের অভিভাবকরা বিয়ের সকল আয়োজন পাকা-পোক্ত করে ফেলে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোপন সংবাদ পেয়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার মাধ্যমে থানার এসআই হাফিজুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সোদকনা গ্রামে হাজির হয়ে বিয়ে বন্ধ করে উভয়ের অভিভাবকদের আটক করে ইউএনও কার্যালয়ে হাজির করে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা উভয় অভিভাবকদের ছেলে-মেয়ের প্রাপ্ত পূর্ণ বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবে না বলে অঙ্গিকারনামায় স্বাক্ষর করিয়ে নেন এবং উভয়কেই ১০০০ টাকা করে জরিমানা করে এ যাত্রায় মুক্তি দেন।#