আশাশুনিতে ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনে মটিভেশন সভা


282 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনিতে ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনে মটিভেশন সভা
নভেম্বর ৯, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,কে হাসান :
আশাশুনিতে স্থানীয় জন প্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে ভিক্ষুকমুক্তকরণ, ভিক্ষুকদের কর্ম সংস্থান ও পুনর্বাসন কর্মসূচি বাস্তবায়নে মটিভেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। (মঙ্গলবার) সকাল ১০.৩০ টায় সদর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা। ইউপি চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলনের সভাপতিত্বে সভায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সেলিম খান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম আজিজুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরা, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী কনক চন্দ্র অধিকারী উপস্থিত ছিলেন। সকল ইউপি সদস্য ও গন্যমান্য ব্যক্তিদের অংশ গ্রহনে সভায় তালিকাভুক্ত ভিক্ষুকদের সাথে মতবিনিমিয় করা হয় এবং আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কি করলে তারা ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে দিবে তা প্রত্যেকের কাছ থেকে শুনে লিপিবদ্ধ করা হয়। আগামীতে তাদের চাহিদা মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস প্রদান করা হয়।

বুধহাটায় রেশন কার্ডের
তালিকা নিয়ে গুঞ্জন
এস,কে হাসান :
আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের রেশন কার্ডের তালিকা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান ২য় বারের মত সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এবছর তার ওয়ার্ডে স্বল্পমূল্যে চাউল বিক্রয়ের জন্য ২৯৬ জনের তালিকা করা হয়। যথারীতি তিনি তালিকা দিয়েছেন এবং দু’বার কার্ডধারীরা চাউল উত্তোলন করেছেন। ২৯৬টি কার্ডের মধ্যে ৮ জন কার্ডধারীর বিরুদ্ধে কার্ড পাওয়ার অযোগ্যতার অভিযোগ এনে গত কয়েকদিন বিভিন্ন পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে অভিযুক্ত কার্ডধারীদের সাথে কথা বললে সদ্য হাসপাতাল থেকে ফেরৎ আনা মুমূর্ষূ রোগি রুহুল আমিন জানান, পিতার ৩৩ শতক জমি থেকে তারা ১০ ভাইবোন যৎসামান্য পেয়েছে তাতে ঘর বেধে কোনরকমে বসবাস করছেন। তাকে দু’টি কার্ড দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে, কিন্তু তিনি দুটি নয় একটি কার্ড পেয়েছেন। অপর কার্ডধারী নাজমুল জানান, তার ৩ কন্যা। ১৩ শতক জমি আছে। ভাড়ায় মটর সাইকেল চালিয়ে অতিকষ্টে সংসার চলছে। কার্ডধারী ছায়ফুল জানান, তার ৩৫ শতক জমি আছে। ৬ সন্তানের মধ্যে ৪ জন পড়ালেখা করে। খুবই অসহায়। কার্ড পেয়ে অনেকটা স্বস্তি পেয়েছি। অপরজন নেছার সরদার জানান, তার ৮ সন্তান। ১১ শতক জমির মালিক। এক ছেলে এবছর বিজিপির চাকরী পেয়েছে কিন্তু সংসারের অনটন এতটা লেগে আছে যে চরম বিপদে আছি। মাছ ধরে সংসার নির্বাহ করি, খুবই অভাবী আমরা।  শাহাদাৎ হোসেন ও মসজিদের ইমাম মাওঃ দাউদকে কার্ড দেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়ে, তারা জানান তারা কোন কার্ড পায়নি, চাউলও তুলেনি। শফিকুল জানান, তিনি মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগার। ৩৫ শতক জমির মালিক। দিনআনা দিন খাওয়া সংসার। আ’লীগার হলেও তাকে জামাতের লোক হিসাবে অপবাদ করা হয়েছে। অপর কার্ডধারী অদুদ জামাতনেতা ও মাদরাসায় চাকরী করেন, পৈত্রিক সম্পতি ১৫ কাঠা। তারা দু ভাই ও ৮ বোন ঐ জমির মালিক। তাদের কিছু ডিসিআরের জমি থাকলেও বেদখল হয়ে আছে। মামুনের পিতা জামাত নেতা ও চাকুরী করেন, মাও চাকরী করেন। মামুন দীর্ঘ ৬/৭ বছর চাকরী পেলেও এখনো বেতন হয়নি। তার পিতা ৬ শতক জমির মালিক। অভিযুক্ত কার্ডধারীদের সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলেধরা হলো। মেম্বার মতিয়ার রহমান বলেন, ২৯৬টি কার্ডের মধ্যে ৫/৬টি কার্ডের ব্যাপারে অভিযোগ অস্বাভাবিক কিছু নয়। আমি কোন দুর্নীতি করিনি। অনিয়ম করিনি। কারো কাছ থেকে টাকাও নেইনি। যাদেরকে কার্ড দেওয়া হয়েছে তারা সবাই গরীব। জামাত নেতাকে কার্ড দেওয়ার অভিযোগটাই বড় অভিযোগ, অন্যগুলোর ভিত্তি নেই। জামাত নেতার প্রতিবন্ধি কন্যার কথা বিবেচনা করে কন্যার জন্য তার ভাই মামুনকে এবং জামাতের লোক হলেও অসহায় অদুদকে কার্ড দেওয়া হয়েছে।