আশাশুনিতে ভোট কেন্দ্র দখলের অভিযোগ, কলারোয়ায় আহত-৩


469 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনিতে ভোট কেন্দ্র দখলের অভিযোগ, কলারোয়ায় আহত-৩
মার্চ ২৪, ২০১৯ আশাশুনি ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

বিশেষ প্রতিনিধি ॥
কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে নিরুত্তাপ ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলার ৫৯৭ কেন্দ্রে। সকাল ৮ টায় শুরু হয়ে বিকাল চারটায় ভোট গ্রহন শেষ হয়।

আজ সকালে ভোট কেন্দ্র গুলিতে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটার সংখ্যাও কিছুটা বাড়তে থাকে। বিকালে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী জেলায় গড়ে ৪০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানা গেছে। কোনো কোনো কেন্দ্রে কিছুটা সংঘর্ষ হলে বেশির ভাগ স্থানে পরিবেশ ছিল শান্ত । সব কেন্দ্রের ভোটগ্রহন কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা কর্মীদের এবারের এ ভোটে অনেকটা অলস সময় পার করতে দেখা গেছে।

এদিকে, কলারোয়া উপজেলার বাটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নৌকা ও আনারস প্রতিকের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আনারস প্রতিকের সমর্থক মুক্তিযোদ্ধা আফছার উদ্দীনসহ তিন জন আহত হয়েছেন। আহতরা সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সেখানকার উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেলিম শাহনেওয়াজ জানান, সেখানে দ্রুত নিরাপত্তা বাহিনী পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

অপরদিকে, আশাশুনি উপজেলার বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. শহিদুল ইসলাম পিন্টু (আনারস প্রতীক) অভিযোগ করে বলেন, ‘আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে নৌকার সমর্থকরা জোর করে ব্যালটে সীল মেরেছে বাক্য্র ভর্তি করেছে। তিনি বলেন, খাজরা, প্রতাপনগর, আনুলিয়া ও শ্রিউলা ইউনিয়নের অধিকাংশ কেন্দ্রে আমার কোন এজেন্ট প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। আশাশুনি সদরেও কয়েকটি কেন্দ্রের ভোট শুরু হওয়ায় আগে ও পরে নৌকা প্রতীকের সমর্থকেরা ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ব্যালট কেটে বাক্য্র ভর্তি করেছে’।

এর আগে, বিদ্রোহী প্রার্থী এড. শহিদুল ইসলাম পিন্টু শনিবার রাতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার দেবনাথের দ্রুত অপসারন দাবি করে প্রধান নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আশাশুনির ওসি বিপ্লব প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রভাবিত করে প্রতি কেন্দ্রে এক হাজার ব্যালটে নৌকার সিল মারার নির্দেশ দিয়েছেন।

আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা জানান, ‘উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের আগরদাঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জোরপূর্বক ভোট দেওয়ার অভিযোগে কিছু সময় ভোট গ্রহন বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে সেখানে পুনরায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। তিনি আরো বলেন, অন্য কোথাও ভোট কেন্দ্র দখল করেছে নৌকার সমর্থকেরা এ ধরনের কোন অভিযোগ আমার কাছে নেই’।

এদিকে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মাছখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সরকারী কলেজ কেন্দ্রে কিছুটা উত্তেজনা দেখা দিলেও পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায়।

#