আশাশুনিতে ভয়াবহ লোডশেডিং : অতিষ্ট জনজীবন


473 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনিতে ভয়াবহ লোডশেডিং : অতিষ্ট জনজীবন
এপ্রিল ২৫, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

শেখ আসাদুজ্জামান (মুকুল) দরগাহপুর ঃ

তীব্রতাপদাহে পুড়ছে ধরনী। তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রী। অতিষ্ট জনজীবন।  অনেক দিন বৃষ্টির দেখা নাই। তার ভিতর প্রশান্তি এনেদিচ্ছে বিদ্যুৎ। কিন্তু তার ও যাওয়া আসার ঠিক নাই। বছিলাম আশাশুনির বেরসিক লোডশেডিং-এর বিদ্যুতের কথা । গত রবিবার ২৪ ঘন্টার বিদ্যুতের উপর করা এক গবেষনায় দেখা যায় যে, মোট ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিদ্যুত ছিল গড় ১৪ ঘন্টা ৪৫ নিনিট এবং লোডশেডিং ছিল ৯ ঘন্টা ৪৫ মিনিট। যার মধ্যে রবিবারের দিনের ঘড়িরকাটা শুরু হয় লোশেডিং দিয়ে বিদ্যুৎ আসে রাত ০০:২৫ মিনিটে, আবার সকাল ৯:০০টায় লোডশেডিং শুরু হয় আর বিদ্যুৎ আসে দুপুর ২:৩০ মিনিটে, তারপর আবার সন্ধা ৬:৩০ মিনিটে লোডশেডিং শুরু হয়ে বিদ্যুৎ আসে সন্ধা ৭:৩০ মিনিটে , আবারো রাত ৮:৩০ মিনিটে লোডশেডিং শুরু হয়ে আসে ৯:৩০ মিনিটে এবং সর্ব শেষ লোডশেডিং হয় রাত ১০:৩০ মিনিটে আর আসে রাত ১১:৫০ মিনিটে। এটা ছিল আশাশুনির ১০ কে.ভি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৪টি ফিডের একটি ফিড (দরগাহপুর) এর অবস্থা । এ ব্যাপারে তাদের কন্ট্রোল রুমে কল করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিয়ার রহমান জানান গত রবিবার (২৪/০৪/২০১৬) আশাশুনি সকল ফিডে সমান ভাবে লোডশেডিং হয়েছে। কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান সংস্কার কাজ চলছিল এবং যেখানে সমস্ত আশাশুনিতে বিদ্যুতের চাহিদা পিক আওয়ারে ৬ মেগাওয়াট কিন্তু সরবরাহ আছে প্রায় ৩ মেগাওয়াট। তাই ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। অন্য দিকে লোডশেডিং-এর কারণে ভোগান্তি বেশি বেড়েছে এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী,  শিশু ও বৃদ্ধদের সহ বিদ্যুতের উপর নির্ভরশীল সকল মানুষের।   তাই সকলের দাবি “বিদ্যুতের উৎপাদন বাডিয়ে লোডশেডিং মুক্ত বিদ্যুৎ ব্যবস্থার”।