আশাশুনিতে মামলা ও ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলন


108 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনিতে মামলা ও ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলন
আগস্ট ৯, ২০২০ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস কে হাসান ::

আশাশুনি প্রেসক্লাবে প্রতিপক্ষের দায়ের করা মামলা ও ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দুপুর ২টায় আশাশুনি প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্য ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের লাল মাহমুদ সরদারের ছেলে লুৎফর রহমান বলেন, মিত্র তেতুলিয়া গ্রামের রফিকুল গাজীর মেয়ে রোজিনা খাতুনের বাড়ীতে প্রতিনিয়ত বাইরের মানুষ যাতায়াত করে থাকে। এলাকায় সে একজন নষ্টা মহিলা নামে পরিচিত। তার পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় একটি বাড়ী ঘর আছে। সে দিনে ও রাতে নিজ বাড়ীতে অসামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল। প্রায় ২০/২৫ বছর যাবত স্থানীয় মানুষের সাথে তার কর্মকান্ডের বিষয়ে বিরোধ চলে আসছে। গত ৭ আগষ্ট শুক্রবার ফজরের নামাজের জন্য রবিউল গাজীর ছেলে মাদ্রাসা ছাত্র নাজিম (১২) অজু করতে যায়। এসময় রোজিনা খাতুন নাবালক মাদ্রাসা ছাত্র নাজিমকে ভাওতার আশ্রয় নিয়ে ডাক দেয়। নাবালক নাজিম এগিয়ে গেলে রোজিনা তাকে তার ঘরে আটক করে রেখে, তার ঘরে ঢিল মারা ও বৈদ্যুতিক মিটার ভাঙ্গার মিথ্যা অভিযোগে পিটিয়ে আহত করে। এমনকি তার মাথায় ও মুখে আলকাতরা মাখিয়ে তার গোপনাঙ্গ কর্তনের ভয় দেখিয়ে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে। বিষয়টি জানতে পরে সকাল ৭টার দিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ রোজিনার বাড়ি থেকে নাজিমকে উদ্ধার করে স্থানীয় ইউপি সদস্য আইয়ুব আলী সরদারের কাছে নিয়ে যায়। পরে নাজিম গাজীকে মাদ্রাসায় নিয়ে যান তার শিক্ষক মন্ডলী। পরবর্তীতে ছাত্রের উপর হামলার ঘটনার বিষয়টি স্থানীয়রা জানতে পেরে প্রতিবাদ ও ক্ষোভে ফেটে পড়েন সাধারণ মানুষ। এসময় উত্তেজিত সাধারণ মানুষ নষ্টা মহিলার বাড়ীতে হামলা চালায়। তিনি আরও বলেন, এ হামলার ঘটনার ব্যাপারে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বা রোজিনা কর্তৃক থানায় দায়ের করা এজাহারে উল্লেখ করা ব্যক্তিবর্গ কোন ভাবেই জড়িত নয়। তার নিজের দোষ মিথ্যার চাঁদরে আড়াল করতে সে এজাহার নামীয় ব্যক্তিদের নামে মামলা দায়ের করেছে। ইতিপূর্বে রোজিনার খালাত বোন সমাজ বিরোধী কর্মকান্ড করায় স্থানীয়রা প্রতিবাদ করায় সে ভিন্নস্থানে গিয়ে নষ্টা পল্লী খুলে বসেছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মসজিদ ও মাদ্রাসার পাশে এবং ঘন বসতী এলাকায় সমাজ বিরোধী কর্মকান্ডের হোতা রোজিনার বাড়ী ঘর অন্যাত্র সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। একই সাথে তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানানো হয়েছে। আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ গোলাম কবির জানান, তেঁতুলিয়ার ভাংচুরের ঘটনা শুনেই ফোর্স নিয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসি। এ ঘটনায় রোজিনা বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ ২২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে ৬(৮)২০ নং একটি মামলা দায়ের করেছেন। কেউই আইনের উর্ধে নন। তদন্তপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

#