আশাশুনিতে সংখ্যালঘু দু’ভাইকে বেধে নির্যাতনের ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা !


371 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনিতে সংখ্যালঘু দু’ভাইকে বেধে নির্যাতনের ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা !
মে ১৮, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

গোপাল কুমার, আশাশুনি :
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে বিরোধপুণ জমি জবর দখল নিয়ে সংখ্যালঘু পরিবারের দুই সহোরকে বেধে নির্যাতনের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দুপুরে বড়দল ইউনিয়নের ফকরাবাদ গ্রামে। একই গ্রামের গফফার গাজীর পুত্র, জামাত ক্যাডার নুরুল আমিন গংদের সাথে প্রসাদ ও হৃদয় মন্ডলের এক খন্ড জমি নিয়ে। নুরুল আমিন জমি দাবি করে জবর দখল করতে যেয়ে ঐদিন দুপুরে গফফার গাজীর পুত্র, জামাত ক্যাডার রুহল আমিন, বাকিবিল্লাহ, আশরাফ গং সহ ভাড়টিয়া ২০/২৫জন সন্ত্রাসীদের নিয়ে একই গ্রামের মৃত নকুল মন্ডলের পুত্র হৃদয় মন্ডল ও প্রসাদ মন্ডলকে দুপুরের রৌদ্রে হাত পা বেধে রেখে দীর্ঘ দিনের দখলীয় জমি জোর পূর্বক জবর দখল করে। এতে বাধায় দেওয়া নারী শিশু সহ ঐ সংখ্যালঘু পরিবারের ৪/৫জনকে বেধক পিটেয়ে আহত করে। এ সময় জমি জবর দখলকারী নুরুল আমিন গংরা ঐ জমিতে থাকা অর্ধ শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির কাছ কর্তন করে। দুপুরে খাবার জন্য রান্না করা ভাতের হাড়িতে লাথি দিয়ে বাহিরে ফেলে দিয়েছে। এ ব্যাপারে প্রসাদ বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও বেশ কয়েকজনকে আসামী করে ২৫(০৫)১৬নং মামলা দায়ের করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৭ আসামীকে গ্রেপ্তার করে। তবে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এলাকার একটি কু-চক্রি মহালের মাসোয়ারা খোর গামাল চক্র কথিত কিছু সাংবাদিক বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিমের কাছ থেকে মোটাংকের আর্থিক সুবিধা নিয়ে প্রত্রিকায় বিভ্রান্তকর সংবাদ প্রকাশ করে যাচ্ছে। সংখ্যালঘু দুই সহোদর নির্যাতনের সত্য ঘটনাকে আড়াল করে ঘটনার ৩দিন পর থেকে আর্থিক সুবিধাভোগী কিছু কথিত হলুদ সাংবাদিক দিনের পর দিন অসত্য সংবাদ প্রকাশ করায় জনমনে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত কয়েকটি পত্রিকায় যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তাতে বিধান মন্ডল ও ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি সুরঞ্জন মন্ডল, মুক্তিযোদ্ধা সহকারী কমান্ডার লিয়াকত আলীর উদ্বৃতি দিয়ে ছাপানো বক্তব্যকে তারা অস্বীকার করে আমাদের এ প্রতিবেদনকে জানান এ ব্যাপারে আমাদের কাছে কোন সংবাদিক আসেনি বা আমরা কোন রকম বক্তব্য প্রদান করেনি। তবে নির্যাতিত প্রসাদ ও হৃদয় মন্ডল আশংকাজনক অবস্থায় পুলিশ ও স্থানীয়রা উদ্ধার করে আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি করে এবং অদ্যবধি সু- চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি আছে।