আশাশুনিতে সরকারী চাকরীজীবী হয়েও এনজিও’র নির্বাহী পরিচালক !


332 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনিতে সরকারী চাকরীজীবী হয়েও এনজিও’র নির্বাহী পরিচালক !
আগস্ট ৩, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

খন্দকার আনিসুর রহমান :
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে এক সরকারী চাকরীজীবির বিরুদ্ধে সরকারী চাকরী করা সত্ত্বেও একটি এনজিওর নির্বাহী পরিচালক পদে অধিষ্ঠিত আছেন এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ওই চাকুরীজীবির বিরুদ্ধে সরকারী নিয়মনীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে জানা গেছে, সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার শ্রীকলস গ্রামের আবুল কালাম আজাদ আশাশুনির দক্ষিন চাপড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকুরীরত আছেন । একই সাথে তিনি শ্রীকলস গ্রামে প্রতিষ্ঠিত “বিগকেজ“ নামক একটি এনজিও যার সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে গত ইং ২২-১১-২০১০ তারেিখ নেওয়া রেজিষ্ট্রেশন নং- সাত- ১০৯৬/১০ এর নির্বাহী পরিচালক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। যেটা এনজিও ব্যুরো কার্য্যপ্রনালী বিধির ৬.১ (খ) ধারার সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন। কারন ঐ বিধি অনুযায়ী সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া সংস্থার নির্বাহী কমিটিতে কোন সরকারী কর্মচারী অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেননা।

এছাড়া আবুল কালাম আজাদ সরকারী চাকুরীজীবি হয়েও সরকারী চাকুরী বিধিমালার ২৯ ধারা লঙ্ঘন করে একটি এনজিওর নির্বাহী পরিচালক পদে অধিষ্ঠিত আছেন। একজন সরকারী চাকুরীজীবি কিভাবে একটি এনজিওর নির্বাহী পরিচালক হন এ প্রশ্ন সচেতন মহলের ? আশাশুনি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মনির হোসেন আবুল কালাম আজাদ দক্ষিন পাপড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন বলে জানান। বিষয়টি তদন্তপূর্বক যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সচেতন মহল সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে শিক্ষক আবুল কালামের সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এব্যাপারে সাতক্ষীরা শহর সমাজসেবা অফিসার শহিদুর রহমান জানান, একজন সরকারি চাকুরিজীবি ইচ্ছা করলেই একটি এনজিওর পরিচালক বা নির্বাহী পরিচালক হতে পারে না।