আশাশুনিতে সৎ পুত্র ও কন্যার মিথ্যা মামলা-হামলা থেকে বাচঁতে এক মা’র আকুতি


210 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনিতে সৎ পুত্র ও কন্যার মিথ্যা মামলা-হামলা থেকে বাচঁতে এক মা’র আকুতি
মে ৮, ২০১৮ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

গোপাল কুমার, আশাশুনি ব্যুরো ::
আশাশুনিতে সৎ পুত্র ও কন্যার মিথ্যা মামলা ও হামলায় অতিষ্ঠি মা শেফালী রাণী। আশাশুনি সদরের নাটাকা গ্রামের সুদয় মন্ডলের স্ত্রী শেফালী মন্ডল তার সৎ পুত্র মৃনাল কান্তি মন্ডল কন্যা রতœা মন্ডলের মিথ্যা মামলা ও হামলায় ভীত সস্ত্রন্ত মা শেফালী মন্ডল। উক্ত শেফালী মন্ডল জানান আমার স্বামী প্রথম বিবাহ করেন গীতা রাণীকে। তাদের ঘরে এক পুত্র মৃনাল কান্তি মন্ডল ও এক কন্যা রতœা মন্ডলের জন্ম হয়। দুই সন্তানের জননী থাকায় অবস্থায় পরকীয়ার কারণে জনৈক মঙ্গল নামের এক সাথে চলে যায়। তখন আমার স্বামী আমাকে বিবাহ করে তখন পুত্র মৃনালের বয়স মাত্র ০২ বছর এবং সেই দুই সন্তান কে আমি কোলে পিঠে করিয়া নিজের সন্তানের ন্যয় মানুষ করি। দীর্ঘদিনপর আমার স্বামী ১ম স্ত্রী ফিরে আসে এবং ২ একদিন থাকে আবার বাপের বাড়ী চলে যায়। যাহা আমি কোনদিন কিছুই বলিনি। এর মধ্যে রতœা রাণী বিবাহের বয়স হলে আমি তাকে অনত্র্য বিবাহ দেই। সেখানে তার একটি পুত্র সন্তান হয়। পুত্র সন্তানের ৪ মাস বয়স (!)থাকা অবস্থায় রতœা নিজ ধর্ম ত্যাগ করে মুসমান ধর্ম গ্রহন করে জনৈক আয়ুব কে বিবাহ করে ঘর সংসার করতে থাকে। সেই ৪ মাসের পুত্র কে আমি আবার কোলে পিঠে করিয়া মানুষ করিয়াছি। সে বর্তমানে ৭ম শ্রেনীতে পড়ে ও আমার সাথে বসবাস করেন। শুধু তাই নয় মৃনালকেও আমি কোলে পিঠে করিয়া মানুষ করিয়া বিবাহ দিয়াছি। মৃণাল দীর্ঘদিন যাবৎ ভারতে চলে যান। কিন্তু মৃনাল ভারত থেকে ফিরে আসেন ও রতœা আয়ুবকে ডিভোর্স দিয়ে ফিরে আসে। তাদের কোন কাজে বাধা প্রদান করি নাই। কিন্তু হঠাৎ করে সম্পত্তি পাওয়ার লোভে তারা আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রাণী ও হুমকিধামকি দিতে থাকেন। এমনকি প্রাণে মেরে দেব বলে হুমকি দিতে থাকে এবং ঘর বাড়ী ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বলে। শেফালী রাণী আশাশুনি থানায় ১১৫৩/১৮নংএকটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। তার পর থেকে চলতে থাকে একের পর এক ষড়যন্ত্র। শুধু হুমকি ধামকি নয় কন্যা রতœা মন্ডল বাদী হয়ে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিঃ আদালতে সিআরপি ৮৪/১৮ (আশা) নং একটি মামলা ও পুত্র মৃণাল মন্ডল বাদী হয়ে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিঃ আদালতে ৩৮৪/১৮নং (আশা) মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। যাহাতের আমার একমাত্র কন্যা ও জামাতাকেও বিবাদী করা হয়েছে। তথ্যানুসন্ধানে আরও জানা যায় স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় সাতক্ষীরা ভুয়া চিকিৎসক সহ আট দুই মর্মে ২৪ নভেম্বর ১৭ তারিখে দৈনিকে প্রকাশিত হয়। নির্বাহী ম্যাজিঃ আবু তালেব উক্ত মৃনাল কান্তি মন্ডলকে ভ্রাম্যমান আদালতে সাজা প্রদান করেন। সে বর্তমানে আশাশুনি সহ বিভিন্ন এলাকায় মানুষকে ভুল বুঝিয়ে বড় ডাক্তার বলে মানুষ ঠকিয়ে বেড়াচ্ছেন। উক্ত মৃণাল ভারতে বসবাস করা কালে একটি ভারতীয় প্যান কার্ড করেন যার নম্বর-বিটিটিপিএম১৫৫৩আর বলেও জানা যায়। উক্ত শেফালী রাণী প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কমানা করেছেন।