আশাশুনির কাদাকাটিতে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন


438 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনির কাদাকাটিতে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন
মার্চ ১৯, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

গোপাল কুমার, কাদাকাটি থেকে ফিরে :
আশাশুনির কাদাকাটিতে ধর্মীয় প্রস্তুক গীতা ছুয়ে জোর পূর্বক শফত ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের তালবাড়িয়া দুর্গামন্দির চত্ত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কে কেন্দ্র করে অত্র এলাকার মন্টু বাহিনী প্রধান মন্টুসহ তার ভাই ও সহযোগিতা সংখ্যালঘু উপর নির্যাতন করে বলে তাদের অভিযোগ।
জানাগেছে, শুক্রবার দিবাগত রাত্রে হিন্দু অধ্যষিত তালবাড়িয়া, ঝিকরা গ্রাম সহ অত্র এলাকায় রাম দা, লোহার রড, দেশীয় অস্ত্রে নিয়ে প্রত্যেক বাড়ী বাড়ী যে, তার আনারস প্রতীকে ভোটার দেওয়ার জন্য ধর্মীয় প্রস্তুক গীতা বই নিয়ে জোর পূর্বক অস্ত্রের মূখে জিস্মি করে শফত করান। তার প্রতিবাদে এলাকার শত শত হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী পুরুষ সকালে একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ ও মানব বন্ধনে অংশ নেয়। মানব বন্ধনে সন্ত্রাসী মন্টুর হাত থেকে রেহাই উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তেক্ষেপ কামনা করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শিরা জানায়, তেতুলিয়া গ্রামের ইদ্দিস মাস্টারের পুত্র মিজানুর রহমান মন্টু ওরফে গরু চোর মন্টু। শুত্রবার রাতে তার সন্ত্রাসী দল বল ও অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তালবাড়িয়া গ্রামের হরিপদ মন্ডল ও তার জবা মন্ডল, চন্দ্রা মন্ডল, যাদব মন্ডল, হরেন্দ্র নাথ বাইন, বিকাশ মন্ডল, কিরণ ঢালী সহ আরও পাশ্বে বাড়ী ও গ্রামে যেয়ে ভীতি প্রদর্শন করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বলে আনারসে ভোট দিতে হবে আমি গীতা নিয়ে এসেছি ৩বার ছুয়ে অঙ্গিকার করতে হবে। না করলে তুলিয়ে নিয়ে যাব বলে ভয়ভীতি দেখাতে থাকে এবং জোর করে গলায় দা ধরে, ধর্মীয় গীতা বই ছুয়ে অঙ্গিকার করে নেয়। উক্ত ব্যক্তিগণ আমাদের এ প্রতিবেদককে জানান মন্টু ইতি পূর্বে চার দলীয় জোটক্ষমতায় এলে সে বিএনপির পক্ষে হয়ে আমাদের জমিজমা, খাল, ঘেরে  এবং সরকারী জলমহল জোর পূর্বক, গায়ের জোরে দখল করে রেখেছে। যা এক্ষন পর্যন্ত তার দখলে রয়েছে। আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় এলে গরুচোর মন্টু আবার জার্সি বদলে আ;লীগের নাম ধারণ করে এলাকায় সংখ্যালঘু নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। উক্ত মন্টুর বিরুদ্ধে ধর্ষন সহ ডজনাধিক মামলা রয়েছে বলে এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় সংখ্যা লঘু সম্প্রদায় চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। তবে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।