আশাশুনির কুল্যা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি


357 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনির কুল্যা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি
নভেম্বর ১৭, ২০১৫ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এসকে হাসান, বুধহাটা ঃ আশাশুনি উপজেলার কুল্যা বেনাডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চরম দুরাবস্থায় সীমাহীন দুর্গতি বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্টদের উদাসিনতায় বিদ্যালয়টি অভিভাবকহীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত, যেন দেখার ক্উে নেই।
এলাকার প্রাচীন স্কুলটিতে বর্তমানে ৩৮৯ জন ছাত্র/ছাত্রী রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় বেঞ্চ ও বসার ব্যবস্থা নেই। শিক্ষার্থীরা অতিকষ্টে বেঞ্চে বসে ক্লাস করে থাকে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফিরোজা বেগম জানান, এল জি ই ডি’র বাজেটে দু’টি ছাদ দেয়া রুম রয়েছে। এছাড়া টিনসেডের ৪টা রুম আছে। টিনসেডের রুমে ৪র্থ, ৫ম(ক) ও ৫ম(খ) শ্রেণির ক্লাসে একটু বৃষ্টি হলেই ক্লাসের মধ্যে পানি পড়ে। ফলে বর্ষা মৌসুমে ক্লাস পরিচালনা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে। বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীরা টিনসেডের রুম থেকে বেরিয়ে ছাদ দেয়া রুমে গিয়ে দাড়ায়। তাছাড়া টিনসেডের রুমের জানালা দরজার অবস্থাও শোচনীয়।  প্রতি বছর রিপেয়ারিং এর জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কিছু অর্থ দেয়া হয়। কিন্তু এ স্কুলটি সেই সহায়তা থেকেও বঞ্চিত হয়ে থাকে বলে অভিযোগ করেন প্রধান শিক্ষক। স্কুলের শিশু শ্রেণির শিক্ষক মোছাঃ নূর জাহান খাতুন জানান, স্কুলে শিশু শ্রেনির জন্য ক্লাসরুম নেই। নিজেদের উদ্যোগে স্কুলের দেয়ালের সাথে চাল লাগিয়ে একটি বারান্দা মত বানিয়ে সেখানে ক্লাস নেয়া হয়। তাদের জন্য নেই কোন বেঞ্চ, নেই বাউন্ডারী ওয়াল। শীতের দিন শীতল হাওয়া বইলেই বাচ্চারা শীতে কাপতে থাকে। বর্ষাকালে বৃষ্টি-বাদলে নাজেহাল হয়ে যায়। তাছাড়া শিশু শ্রেণির পাশে মদন মাস্টারের গোয়াল ঘর থেকে আসা গোবরের দূর্গন্ধে অনেক সময় ক্লাস বর্জন করতে হয়। ফলে ক্লাস নেয়া সম্ভব হয়না। তিনি আরো জানান, শিশুদের শেখানোর জন্য, অ-আ-ই-ঈ, ছবি সহকারে নেই কোন ব্যানার, নেই হাতে ঘুরিয়ে লেখার কোন ব্লাক বোর্ড। স্কুলের শিক্ষকন্ডলীসহ অভিভাবকরা স্কুলের প্রতি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।