আশাশুনির খোলপেটুয়া নদীর বেঁড়িবাধ দুদিনেও সংস্কার হয়নি


336 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনির খোলপেটুয়া নদীর বেঁড়িবাধ দুদিনেও সংস্কার হয়নি
অক্টোবর ১৭, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

আসাদুজ্জামান :
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কোলায় প্রবল জোয়ারের চাপে ভেঙে যাওয়া খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাধটি গত দুই দিনেও সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। সোমবার সকাল থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নেতৃত্বে ২/৩ হাজার স্থানীয় জনতা স্বেচ্ছাশ্রমে বাধ সংস্কার করার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। এদিকে, প্রতাপনগর ও শ্রীউলা ইউনিয়নের প্লবিত ছয়টি গ্রামের সাথে আর নতুন নতুন অনেক এলাকা প্লাবিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

1

প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন ও শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবুহেনা শাকিল জানান, তাদের নেতৃত্বে ২/৩ হাজার নারী-পুরুষ তাদের সকল কাজকর্ম বন্ধ রেখে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশ, বেত, বস্তাসহ দিয়ে বাধটি সংস্কার করতে ব্যর্থ হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে আবারও বাধ সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে বলে তারা জানান। অপরদিকে, শ্রীউলা ইউপি চেয়াম্যান আবু হেনা শাকিল জানান, বাধ ভাঙার ফলে সবচেয়ে বেশী ক্ষতি গ্রস্ত হয়েছে তার ইউনিয়নে। তিনি জানান, তার ইউনিয়নে মোট ২২ টি গ্রামের মধ্যে ২০ টি গ্রামের নি¤œাঞ্চল পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বাধটি সংস্কার করা না গেলে পরবর্তী জোয়ারে আরো নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হবে জানান তিনি।
সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এ উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ জানান, বেড়ি বাধটি সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে ১০ হাজার খালি বস্তা স্থানীয় দুই চেয়ারম্যানের কাছে সরবরাহ করা হয়েছে। জনপ্রতিনিধিরা ইতিমধ্যে স্থানীয় এলাকাবাসীদের নিয়ে স্বোচ্ছাশ্রমে কাজ শুরু করেছেন।

উল্লেখ্য ঃ রোববার ভোর রাতে উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কোলা গ্রামের ৪ নং পোল্ডারের কাছে খোলপেটুয়া নদের প্রায় আড়াই’শ ফুট বেড়িবাধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে প্রতাপনগর ইউনিয়নের কোলা ও হিজলিয়া এবং শ্রীউলা ইউনিয়নের মাড়িয়ালা, হাজরাখালী, কলিমাখালী ও লাঙ্গলদাড়িসহ দুটি ইউননিয়নের ৬টি গ্রামের নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়। পানি বন্দী হয়ে পড়ে প্রায় এক হাজর পরিবার। পানিতে তলিয়ে যায় হাজার হাজার বিঘা মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি।##