আশাশুনির কোলায় বেড়ীবাঁধ ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে অতিরিক্ত সচিব


356 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনির কোলায় বেড়ীবাঁধ ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে অতিরিক্ত সচিব
অক্টোবর ২৬, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

গোপাল কুমার, আশাশুনি :
অতিরিক্ত সচিব আলাউদ্দীন আশাশুনির কোলায় পাউবো’র  বেড়ীবাঁধ ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

বুধবার দুপুরে উপজেলার কোলার পাউবো’র  নদীর পানি রক্ষা বেড়ীবাঁধ ভয়াবহ ভাঙ্গন ও প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য অতিরিক্ত সচিব মুহাঃ আলাউদ্দীন। পরিদর্শন কালে তিনি প্লাবিত এলাকায় অসহায় মানুষের বিধ্বস্ত ঘরবাড়ী, ডুবে যাওয়া মৎস্য ঘের সহ রাস্তা ঘাট ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দন্যদশা দেখে হতবাগ হন। তিনি অতিসত্তর শ্রীউলা এবং প্রতাপনগর ইউনিয়নের ১৬টি প্লাবিত গ্রামে মানুষের এ অপুরনীয় ক্ষতি লাঘব সহ বেড়ীবাধ নির্মাণে আশ্বাস প্রদান করেন।
এ সময় তার সাথে ছিলেন পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী অপূর্ব কুমার ভৌমিক, উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা, উপজেলা প্রকৌশলী শামীম মুরাদ, পিআইও সেলিম খান, ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিল, আলম্গীর আলম লিটন, পাউবোর সেকশন অফিসার সুনিল কুমার ভন্দ্র।
পরিদর্শন কালে গত ১০ অক্টোবর কোলা গ্রামের নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পাউবোর পানি রক্ষা বাধ ভেঙ্গে ১৬টি গ্রাম প্লাবিত এলাকা ঘুরে ঘুরে দেখেন। এ সময় ভঙ্গনের কুলে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে এলাকার পক্ষে উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম, ইউএনও সুষমা সুলতানা ও ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিল সহ উপস্থিত সকলেই প্লাবিত এলাকা ও ভাঙ্গনকৃত বেড়ীবাধ পুন নির্মাণ কল্পে করণীয় বিষয় বিস্তারিত ধারনা প্রদান করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি দুপুর ১টার দিকে ঢাকা উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরা রওনা হন।

###

আশাশুনির পল্লীতে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ বন্ধ
গোপাল কুমার, আশাশুনি ব্যুরো ঃ আশাশুনির পল্লীতে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে ৮ম শ্রেণী পড়–য়া ছাত্রী বাল্য বিবাহ থেকে মুক্তি পেল। ভ্রাম্যমান আদালতে বর ও কন্যার পিতা সহ ৫জনকে জরিমানা করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানাগেছে, উপজেলার গোয়ালডাঙ্গা মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণী পড়ুয়া ছাত্রী (!) কে বিয়ের জন্য বুধবার দুপুরে সব আয়োজন পাকা পক্ত করা হয়। এ খবরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা থানার এসআই হাফিজুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে কন্যার পিতা জিয়াদ আলী মোল্যা (৫৫), বর কলারোয়ার পাচপোতার সেলিম শেখের পুত্র হাসান শেখ (২৬) ও সঙ্গী একই গ্রামের নুর আলী সরদারের পুত্র জিয়াদ আলী (৫২), বরের ভগ্নিপতিদ্বয় তালা উপজেলার কুমিরার মোজাম শেখের পুত্র শফিকুল ইসলাম (৩৪) ও কলারোয়ার কেরালগাছী গ্রামের আরশাদ আলীর পুত্র  করিম মন্ডল (৩৫) কে আটক করে।পরে ভ্রাম্যমান আদালেতে মেয়ের উপযুক্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না বলে অঙ্গিকার করানো সহ আটককৃত ৫জনকে এক হাজার টাকা করে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে নগদে আদায় করা হয়।