আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গায় ২ বছর ধরে চলছে জুয়া আসর !


621 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গায় ২ বছর ধরে চলছে জুয়া আসর !
মে ২৬, ২০১৮ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email
  • আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গায় ২ বছর ধরে চলছে জুয়া আসর
  • একি বন্ধ হবার নয়, কবে হবে বন্ধ এ জুয়া ?

স্টাফ রিপোর্টার ::
আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গা গ্রামে প্রায় ২ বছর ধরে প্রকাশ্যে দিবালোকে চলছে জুয়া আসর। দেখার কেউ নেই, সবাই ম্যানেজ। এই আসর নির্বিঘ্নে পরিচালনার জন্য গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের একাধিক নাশকতা মামলার আসামী সাঈদ মোড়েল নেতৃত্ব প্রতিদিন বসে এই জুয়ার আসর বসানো হয়। প্রতিদিন সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিন গুটি ফ্লাস, ৩ তাস ফড়সহ নানা ধরনের জুয়া খেলা। উঠতি বয়সের যুবকরা এ খেলা করে থাকে। আজ হতে প্রায় ২ বছর ধরে চলে আসছে এই জুয়ার আসর। কিন্তু কেউ খোঁজ রাখে না।
স্থানীয়রা জানায়, জুয়া ও মাদকের আড্ডা চালায় গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের আকছেদ মোড়লের ছেলে নাশকতা মামলার আসামী সাঈদ মোড়ল ও টেক্কাসহ সঙ্গীরা। প্রত্যেকে একাধিক নাশকতা মামলার আসামি। প্রায় ২ বছর ধরে এ জুয়া ও নেশার আড্ডা চলছে কিন্তু দেখার যেন কেউ নেই। উঠতি বয়সের ছেলেরা জুয়ায় গিয়ে তাদের সর্বস্ব হারাচ্ছে এবং মাদকে আসক্ত হচ্ছে। গোয়ালডাঙ্গা বাজার থেকে অর্ধ কিলোমিটার দুরে বাসন্তী মন্দিরের পাশে হিন্দু পাড়ায় বহাল তবিয়তে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের তাসের জুয়া। জায়গাটি হিন্দু এলাকা বলে ভয়ে কেউ কিছু বলতে পারেনা। ফলে চরম আতংকে দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে স্থানীয়রা।

নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান,সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে এ জুয়া ও মাদকের আড্ডা। আশাশুনি পাইকগাছা,কয়রা,তালা উপজেলা থেকে সন্ত্রাসী, ডাকাত, একাধিক মামলার আসামীরা এ জুয়ায় অংশ গ্রহন করে। লক্ষ লক্ষ টাকা জুয়ার বোর্ড বসে প্রতিদিন। জুয়া খেলা খেলতে বাদ যাচ্ছে না এলাকার লোকেরাও। সাধারন পরিবারের মানুষ পথে বসতেছে এ জুয়ার আসরে করনে। হিন্দু পরিবারের ছেলে মেয়েরা ভয়ে বাইরে বের হতে পারেনা। পরিবারের সদস্যরা স্কুল পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের পৌছে দিয়ে আসে। সর্ব সময় তাদের মধ্যে অজানা এক আতংক বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে সাঈদ মোড়লের সাথে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি জানান, বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে আমরা এ জুয়ার বোর্ড চালায়। বন্ধ করবে কে।
এব্যাপারে আপর সহযোগি টেক্কা সাথে কথা বললে তিনি জানান জুয়া আমি চালায় না। আমি সাঈদ বললে আজ থেকে বন্দ করে দিবো।
এ ব্যাপারে আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, জুয়া খেলার বিষয়টি আমার জানা নেই, তবে আমি আসার আগে বিভিন্ন পূজার অনুষ্ঠানের নামে জুয়া খেলা হত। আমি পুলিশ পাঠাচ্ছি বিষয়টি সত্য হলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
অতি দ্রুত জুয়া বন্ধের দাবিতে পুলিশ সুপারসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসির ।
##