আশাশুনির চন্দনা ভাতা উত্তোলনের আগেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে


330 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনির চন্দনা ভাতা উত্তোলনের আগেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে
জানুয়ারি ২০, ২০২০ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,কে হাসান :

আশাশুনির শবদলপুর আলোচিত সেই চন্দনা সরকার অবশেষে বিশেষ কোটায় সদ্য বয়স্ক ভাতার কার্ড পেলেও ভাতা উত্তোলন করার আগেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। রোববার শেষ রাত ৩ টার দিকে উপজেলার শবদলপুর (কোদন্ডা) গ্রামের স্বর্গীয় পতিত সরকারের স্ত্রী চন্দনা সরকার (৮৮) বার্ধক্য জনিত কারনে মৃত্যু বরন করেন (দিব্যান লোকান স্বগচ্ছতু)। মৃত্যু অন্তে তিনি চার পুত্র অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বুদ্ধদেব সরকার, ভদ্দর সরকার, বিজয় সরকার, অমল সরকার ও তিন কন্যা আলোমতি, কবিতা ও জয়ন্তি সরকারকে রেখে গেছেন। এর মধ্যে পুত্র বিজয় সরকার ও কন্যা আলোমতি, কবিতা ও জয়ন্তি ভারতে বসবাস করেন। সোমবার দুপুরে পার্শ্ববর্তী শ্মশানে তার অন্তেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়। প্রসঙ্গতঃ চন্দনা সরকার বার্ধক্য জনিত কারনে কিছুটা দূর্বল ও আত্ম-ভোলা অবস্থায় ভারতে অবস্থানকারী ছেলে-মেয়েদের তত্ত্ববধানে থেকে চিকিৎসা শেষে সম্প্রতি দেশে ফিরে ছোট পুত্র অমল সরকারের সংসারে থাকতেন। এরই মধ্যে কিছু অতি উৎসায়ী সংবাদকর্মী হঠাৎ তার বাড়ীতে উপস্থিত হন। সে সময় চন্দনা সরকার কেবল গোসল সেরে উঠেছেন। সেবস্থায় তার একটি ছবি তুলে স্যোসাল মিডিয়াসহ স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় শবদলপুর একই বাড়ীতে থাকা তিন পুত্র অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হলেও মায়ের প্রতি পুত্র ও বৌমাদের অবহেলার বিষয়টি তুলে ধরেন। এখবরে গত ১৬ জানুয়ারী থানা অফিসার ইনচার্জ আবদুস সালাম তার বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে শীতবস্ত্র (কম্বল) ও নগদ অর্থ প্রদান করেন। ১৮ জানুয়ারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উদ্দোগে বিশেষ কোটায় নতুন অর্থ বছরের বয়স্ক ভাতার ৮৪০৫ নং বই তুলে দেন। এ সময় উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার শহিদুর রহমান, ইউপি সদস্য আব্দুস সাত্তার, প্রধান শিক্ষক সীমা রানী মল্লিক চায়নাসহ সমাজ সেবা অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এ ব্যাপারে চন্দনার জেষ্ট পুত্র বুদ্ধদেব সরকারের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এলাকায় তার প্রতিপক্ষ একটি মহল তার পরিবারের লোকদের হেয় প্রতিপন্ন করতে কিছু সংবাদকর্মীকে দিয়ে এ ধরনের সংবাদ প্রচার বা প্রকাশ করিয়েছে। এ জন্য আমিসহ আমার গোটা পরিবার ক্ষুব্ধ।