আশাশুনির প্রতাপনগরে বেড়ীবাধ ধসে ৫ গ্রাম প্লাবিত


565 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনির প্রতাপনগরে বেড়ীবাধ ধসে ৫ গ্রাম প্লাবিত
সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৭ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

গোপাল কুমার, আশাশুনি ব্যুরোঃ
আশাশুনির প্রতাপনগরের খোলপেটুয়া নদীর পাউবো’র বেড়ীবাধ ভেঙ্গে চারটি গ্রাম প্লাবিত, আশ্রয়হীন শতশত পরিবার। তলিয়ে গেছে, হাজার হাজার বিঘা মৎস্যঘের ও ফসলীজমি। শুক্রবার দুপুরের জোয়ারে প্রবল চাপে উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের পাউবো’র ৭/২ নং পোল্ডারে হরিষখালী জাফর গাজীর মৎস্য ঘেরের সামনে প্রায় ৩শ ফুটর বেড়ীবাধ ভেঙ্গে এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় দুপুরের জোয়ারে বাধভাঙ্গার সাথে সাথে মানুষ দিকবিদিক ছুটাছুটি করতে থাকে। ঘর বাড়ি ছেড়ে প্রাণে বাচার জন্য মানুষ বাচ্চাদের নিয়ে ও মুল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে ছুটাছুটি করতে দেখা গেছে। জলদ্রুত হরিশখালী, দরগাতলাআটি, মান্দারবাড়িয়া, বন্যাতলা প্রতাপনগর এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
প্রত্যেক্ষদর্শি রফিকুল ইসলাম, আব্দুল মাজেদ,ছাদ ও আহসান জানান, এলাবাসি সেচ্ছাশ্রমে বাধ সংস্কারের কাজ চলাকালিন উক্ত বাধ ভেঙ্গে এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
এলাকাবাসি আরও জানান বুধবার থেকে উক্ত বাধ দিয়ে চুয়ে চুয়ে জল ভিতরে প্রবেশ করতে থাকলে আমরা স্বেচ্ছাশ্রমে বাধ মেরামতের কাজ করতে থাকি। এফলশ্রুততে শুক্রবার বাধভেঙ্গে ৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
এসময় এলাবাসি পাউবোর কর্মকর্তাদের প্রতি ফুসে উঠতে দেখা গেছে। প্রতাপনগরের অশিকাংশ পাউবোর বাধ ভেঙ্গে বিস্তৃর্ন এলাকা প্লাবিত হতে পারে। কিন্তু উনারা কোন পদক্ষেপ নেননি। ভাঙ্গন এলাকাও পরিদর্শন করেননি।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির জোরালো ভূমিকায় শতশত গ্রামবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে স্ব-স্ব বাড়ী থেকে বাঁশ,কুটা,তালপাতা,বিভিন্ন গাছের ডাল,বাসা বাড়ীর ঘরের চাল নিয়ে সর্বস্তরের গ্রামবাসী বেঁড়ীবাধ রক্ষায় কাজ করেও শেষ রক্ষা করতে পারেনি।
শনিবার দুপুরের জোয়ারের আগে যদি বাধ সংস্কার না হয় তবে খোলপেটুয়ার লোনাপানি প্রবেশ করে নতুন নতুন প্লাবিত হয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার মৎস্য ঘের ধান্য ফসলাদী স্কুল, মাদরাসা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ মানুষের জান-মালের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি সাধন হবে। এসময় এলাকা বাসি দ্রুত বাধ সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসি।