আশাশুনির বড়দল কলেজিয়েট স্কুলের অধ্যক্ষকে অপসারনের দাবিতে মানববন্ধন


560 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনির বড়দল  কলেজিয়েট স্কুলের অধ্যক্ষকে অপসারনের দাবিতে মানববন্ধন
আগস্ট ২৯, ২০১৫ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

আশাশুনির বড়দল  কলেজিয়েট স্কুলের অধ্যক্ষকে অপসারনের দাবিতে মানববন্ধন

কাজী জাহিদ আহম্মেদ/ গোপাল মন্ডল :
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল কলেজিয়েট স্কুলের অধ্যক্ষ শিহাব উদ্দীনের অপসরণের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ  কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বড়দল কলেজিয়েট স্কুলের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

বড়দল কলিজিয়েট স্কুলের অভিভাবক সদস্য  শুকুর আলী, হারুণ মালি, পান্না লাল সরকার  ও ইউনুচ আলী জানান, খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার জায়গীরমহল কলেজের অধ্যক্ষ শিহাব উদ্দিন গত ১৬ এপ্রিল থেকে তাদের প্রতিষ্ঠান প্রধানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। যোগদানের কয়েকদিন পর থেকে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে  অতিরিক্ত ফিস আদায়ের অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় শিক্ষকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতেন তিনি। এ ছাড়াও  ছাত্র ছাত্রীদের ভয় ভীতি দেখানে,  রনি সানা, নাইম সরদার, কুলসুমকে মারপিট করা বা কান ধরে উঠবস করানোর অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে  ছাত্রীদের কটুক্তি করা, বাধ্যতামূলক কোচিং, কোচিংএ না আসলেও টাকা দিতে বাধ্য করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বাধ্য হয়ে ছাত্র ছাত্রীরা শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে। এসময় ছাত্ররা অধ্যক্ষের অপসারণ দাবী করে শ্লোগান দেয়।

মানবন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন ছাত্র রেজাউল ইসলাম, রণি সানা, আবু দাউদ, জিয়াউর রহমানসহ কয়েকজন ছাত্র।

প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাবেক সংসদ ডা: মোখলেছুর রহমানের ও পুলিশের উপস্থিতিতে  সমস্যা সমাধানের আশ্বাসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এর আগে গত ২৬ আগষ্ট একই দাবিতে একই স্থানে ছাত্ররা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

বড়দল কলেজিয়েট স্কুলের অধ্যক্ষ শিহাবউদ্দিন জানান, অবাধ্য এক ছাত্রীকে একটি চড় মারায় তার উপর কয়েকজন অভিভাবক ক্ষুব্ধ হলেও তা মিটে যায়। পরবর্তীতে কলেজে বিজ্ঞান বিভাগ চালু করা হয়েছে। বর্তমানে ২১ জন ছাত্র ছাত্রী অনিয়মিত ক্লাস করছে। বিজ্ঞান বিভাগে সৃষ্ট পদে পাঁচজন শিক্ষক, একজন মালী ও শূন্য পদে ভূগোল বিভাগে একজন শিক্ষক নিয়োগে নিজেদের লোক ঢোকানো নিয়ে আজিজুল সানার ছেলে ও ভাইপোদের সঙ্গে তার বিরোধ বাঁধে। ফলে তারা বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ছাত্রদের নিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে। তাতে পড়াশুনা ব্যহত হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাবেক সংসদ ডা: মোখলেছুর রহমান অধ্যক্ষ শিহাবউদ্দিনের বিরুদ্ধে কিছু ত্রুটি বিচ্যুতির অভিযোগ স্বীকার করেই বলেন , বিষয়টি মীমাংসার স্বার্থে অধ্যক্ষ শিহাবউদ্দিনকে এক সপ্তাহের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। সহকারি প্রধান শিক্ষক তরুণ কুমার সানাকে চলমান পরীক্ষাসহ সকল কাজকর্ম স্বাাভাবিকভাবে চালু রাখার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।