আশাশুনির রুয়েরবিলে ধসে পড়া বেড়িবাঁধ সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। বিকল্প বাঁধ নির্মাণের চেষ্টা


419 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনির রুয়েরবিলে ধসে পড়া বেড়িবাঁধ সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। বিকল্প বাঁধ নির্মাণের চেষ্টা
আগস্ট ৩১, ২০১৫ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

গোপাল কুমার মন্ডল, আশাশুনি :
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার রুয়েরবিল এলাকায় কপোতাক্ষ নদের প্রায় ১’শ ফুট বেড়িবাঁধ প্রবল জোয়ারে ভেঙে ৫’শ বিঘা আয়তনের মৎস্য ঘের ও একটি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সোমবার ভোর  রাতে উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের রুয়েরবিল গ্রামে বেড়িবাঁধ ভেঙে যায়। স্থানীয় চেয়ারম্যান জাকির হোসেনের নেতৃত্বে এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে বেড়িবাঁধটি সংস্কারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে।

চেয়ারম্যান জাকির হোসেন ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকমকে সোমবার বিকেলে জানান, বিকেল পর্যন্ত চেষ্টা করে দসে পড়া বেড়িবাঁধ সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। নদীতে অস্বাভাবিক জোয়ার-ভাটা বইছে। বিধায় আরও ২ থেকে ৩ দিন পরে ছাড়া বেড়িবাঁধ সংস্কার করা সম্ভব হবে না। স্থানীয় মানুষদেরকে সাথে নিয়ে বিকল্প বেড়িবাঁধ নির্মান কাজ শুরু করেছে। যাতে গ্রামে নদের পানি উঠতে না পারে। তিনি আরও জানান, ঘেরের ধারে যাদের বাড়ি-ঘর ছিল তাদের বাড়িতে পানি উঠেছে। শতাধিক চিংড়ি ঘের তলিয়ে গেছে। কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে।

স্থানীয়রা জানায়, বাধ ভেঙে যাওয়ার ফলে রুয়েরবিল গ্রামের নিম্নাঞ্চলের বেশ কিছু বাড়িঘর ও ৫’শ বিঘা মৎস্যঘের পানিতে প্লাবিত হয়েছে । বাধটি দ্রুত স্থায়ী ভাবে সংস্কার করা না হলে প্রতাপনগর ও শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হবে বলে আশংকা করছেন স্থানীয়রা।

তারা জানান, কপোতাক্ষ নদের রুয়েরবিল এলাকার বেড়িবাঁধ দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বার বার বলা সত্ত্বেও তারা সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় সোমবার ভোর রাতে প্রায় এক’শ ফুট এলাকা জুড়ে ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

এদিকে, আশাশুনি উপজেলার জেলেখালী, দয়ারঘাট ও মনিপুর এলাকার বেড়িবাঁধেও ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। যে কোন মুহুর্তে সেখানে বেড়িবাধ ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশংকায় স্থানীয় লোকজন আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।