আশাশুনি-ঘোলা সড়কের বেহাল দশা, জন দুর্ভোগ চরমে


593 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি-ঘোলা সড়কের বেহাল দশা, জন দুর্ভোগ চরমে
জুলাই ২, ২০১৫ আশাশুনি খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

 

গোপাল কুমার, আশাশুনি : আশাশুনির ইউনিয়ন পরিষদ হইতে ঘোলা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত রোড্স এন্ড হাইওয়ে’র প্রায় ২০ কি.মি রাস্তার ভগ্ন দশায় সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি জমে থাকে, ফলে যাত্রীরা চলছে জীবনের ঝুকি নিয়ে।
সরেজমিন ঘুরে জানাগেছে, রাস্তায় অধিকাংশ জায়গায় পিচ উঠে বড় বড় গর্তে সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই উক্ত রাস্তা দিয়ে পায়ে হাটা এবং ভ্যান ও সাইকেলের যাত্রীরা বাস এবং দ্রুতগামী কোন যানবাহন আসতে থাকলে পথচারীরা রাস্তা ছেড়ে পালাতে থাকে। কারণ খাদের জল এসে পথচারীদের জামাকাপড় নষ্ট করে দেয়। জনৈক বাস ড্রাইভার এই প্রতিবেদককে জানান, ঘোলা বাস স্ট্যান্ড থেকে সাতক্ষীরার উদ্দেশ্যে গাড়ী ছাড়লে দ্বি-মুখী চিন্তায় পড়তে হয়। এক দিকে যাত্রীদের নিরাপত্তার অন্য দিকে জরিমানার ভয়ে। এ রাস্তায় গাড়ী চালাতে গা শিউরে ওঠে। বাস মালিক কর্তৃপক্ষ ইট দিয়ে বিভিন্ন খাদ ভরাট করায় কোন রকমে নিজের ও যাত্রীদের প্রাণ হাতে নিয়ে গাড়ী চালিয়ে যাচ্ছি। এছাড়াও শ্রীউলা ইউনিয়নের নাকতাড়া প্রাইমারী স্কুল থেকে ঘোলা বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রায় ৭ কি.মি. রাস্তা অসমাপ্ত রয়ে গেছে।  অসমাপ্ত ৭ কি.মি. সড়ক দীর্ঘ ৫/৬ বছর যাবৎ কার্পেটিং করার জন্য খোয়া-বালি দিয়ে রাখা হয়। সড়কটির বেশির ভাগ স্থানে বড় বড় খাদের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তায় জল জমে যায়। তখন বাস সহ সকল যানবাহন চলাচলে ভোগান্তির সীমা থাকে না। এলাকাবাসি ও পথচারীদের দাবী কর্তৃপক্ষ এ দূরাবস্থা থেকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। প্রতিদিন ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, যাওয়া আসা সহ শ্যামনগর, কয়রা ও আশাশুনি উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ এ পথ দিয়েই জেলা সদরে যাওয়া আসা করে। ফলে হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।