আশাশুনি মরিচ্চাপ ব্রীজের মরণ ফাঁদ থেকে রক্ষা পেতে আর কত দিন !


401 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি মরিচ্চাপ ব্রীজের মরণ ফাঁদ থেকে রক্ষা পেতে আর কত দিন !
মে ২২, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,কে হাসান :
সাতক্ষীরার আশাশুনি মরিচ্চাপ নদীর উপর নির্মীত বেইলী ব্রীজের চরম দুরাবস্থা ও জীবন হাতে নিয়ে চলাচলের কঠিন মরণ ফাঁদ থেকে মুক্তির উপায় আর কতদিন পর হবে (!) এমন আক্ষেপ বাক্য শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা হতে বসেছে।
ব্রীজটি নির্মানের দাবী এলাকাবাসীর কাছে ছিল খুবই জোরালো। এক পর্যায়ে ব্রীজ নির্মীত হলেও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়নি। এ্যাপ্রোজ সড়কও নির্মান করা হয়নি। ফলে প্রথমে পায়ে হেটে এবং পরবর্তীতে যানবাহন চলাচলের মাধ্যমে ব্রীজের ব্যবহার শুরু হয়। দীর্ঘ কয়েক দশক পার হলেও ব্রীজের পুনঃ নির্মান কাজ করা হয়নি। নিমান কাজে ব্যবহৃত সেই স্টিলের পাত এখন তেমন অবশিষ্ট নেই। মরিচা পড়ে, ভাংতে ভাংতে ব্রীজ ব্যবহার চরম হুমকীতে পড়লে কর্তৃপক্ষ পট্টি-ঝালাই দিয়ে কিংবা ছোট ছোট পাত লাগিয়ে দিয়ে চলাচল উপযোগি করে আসছে। বর্তমানে ব্রীজের পাতে শত শত পট্টি দিয়ে কাজ চালান হচ্ছে। ব্রীজে সাইকেল, মটর সাইকেল, ভ্যান, বাস-মিনিবাস, মাইক্রো, প্রাইভেট নিয়ে উঠলে চালককে একনজরে এবং ভীত-সন্ত্রস্থ মনে গাড়ী চালাতে হয়। কয়েক হাজার ছিন্দ্র, ফাঁটা, গর্ত রয়েছে। যে কোন সময় চাকা ভিতরে ঢুকতে পারে। পারে বলি কেন, প্রতিদিন বহু যানবাহনের চাকা পাতের ফাকে ঢুকে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। ফলে লম্বা গাড়ী বহরের জ্যামে দিনে কয়েক ঘন্টা করে সময় নষ্ট করতে হয় ব্রীজ ব্যবহারকারীদের। ভারী যানবাহন চলাচল বন্দ হয় গেছে। বহু মানুষ আহত ও পঙ্গুত্ববরণ করতে বাধ্য হয়েছেন। অসহায় গরীব ভ্যান-ইঞ্জিনভ্যান, মটর সাইকেল চালকরা দুর্ঘটনায় পড়ে তাদের গাড়ী নষ্ট হয়ে যাওয়ায় টাকা গচ্চা দিতে বাধ্য হয়েছেন। এ পর্যন্ত মন্ত্রী, সচিব পর্যায়, এমপি, ডিসিসহ অনেক নামীদামী ব্যক্তি ব্রীজের কাজের অঙ্গীকার করেছেন, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাই এলাকাবাসীর বদ্ধমূল ধারণা জম্মেছে, আদৌ ব্রীজের কাজ দ্রুত সময়ে হবে কি? নাকি আরও দীর্ঘকাল মরণ ফাঁদে জ্বলতে জ্বলতে কাটবে জীবন!