আশাশুনি সংবাদ ॥ আনুলিয়া প্রাইমারী স্কুলের মাঠে খেলা নয় মাছ চাষ হচ্ছে !


696 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ আনুলিয়া প্রাইমারী স্কুলের মাঠে খেলা নয় মাছ চাষ হচ্ছে !
জুলাই ৩০, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,কে হাসান ,আশাশুনি :
সরকার স্কুল অনুমোদনের জন্য যে সব শর্ত রেখেছে তার মধ্যে অন্যতম শর্ত হচ্ছে খেলার মাঠ থাকা। সরকারের শর্ত পূরন করতে আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া সরকারি প্রাথমকি বিদ্যালয়ের জন্য বিদ্যালয় সংলগ্ন বৃহৎ মাঠের ব্যবস্থা রয়েছে, কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য সেখানে খেলা নয়Ñমাছ চাষ করা হচ্ছে!

৭৬ নং আনুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টার ইউনিয়নের একটি স্বনামধন্য স্কুল। স্কুলটিতে ৩৯১ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। স্কুল শুরুর আগে ও পরে স্কুল ও মাঠ ছাত্রছাত্রীদের কলকাকুলিতে ভরে ওঠে। এলাকার শত শত ছেলেমেয়েদের স্কুল সময়ে মুক্ত আবহাওয়া প্রাপ্তি, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, ক্রীড়া-বিনোদন ও বৈকালিক অবকাশের জন্য বৃহত্তর স্থান নিয়ে (১.৮৮ একর জমি, স্কুল ভবন ও মাঠ মিলে) একটি মাঠ স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু আশ্চার্যের বিষয় হলো সেখানে বর্তমান সময়ে খেলার কোন সুযোগ নেই বরং হাটু পানিতে কিংবা তারও বেশী পানিতে মাছ চাষ করা হচ্ছে। বাধ্য হয়ে প্রতিদিন জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের অনুষ্ঠান স্কুলের দ্বিতীয় তলায় কোন রকমে সেরে নিতে হচ্ছে। পুরো মাঠটি এখন পানিতে টইটম্বুর করছে। মাঠের মধ্যে নেটের জাল উল্টো মশারির মত করে স্থাপন করে তার মধ্যে মাছের রেণু চাষ করা হচ্ছে। রেনু বড় হওয়ার সাথে সাথে (চ্রালাই পোনা) ব্যাপারীদের কাছে বিক্রয় করে দেওয়া হয়। স্থানীয়রা মাঠে মাছ চাষ করলেও স্কুলকে কোন অর্থ দেয়না। বরং মাছের জন্য খাদ্য ব্যবহার করে পানি নষ্ট ও পরিবেশ বিনষ্ট করে চলেছে।

এভাবে বর্ষা মৌসুমে মাছ চাষের ক্ষেত হিসাবে স্কুল মাঠ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ফলে স্কুলের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘিœত হওয়ার পাশাপাশি এলাকার খেলাধূলা ও মুক্ত অবকাশের জন্য ব্যবহৃত মাঠটি ব্যবহারের সুযোগ বঞ্চিত হয়ে শিশু ও যুব সম্প্রদায় মনোকষ্টে রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, মাঠের পানি নিস্কাশনের জন্য সুব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা মৌসুমে মাঠটি জলাবদ্ধতার শিকার হয়ে থাকে। পানিতে মাঠতি তলিয়ে থাকে বিধায় মাঠটি মাছ চাষের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন জানান, স্কুলের মাঠের পানি নিস্কাশন হতো দিক্ষণ এলাকা দিয়ে। সেখানে ঘরবাড়ি হয়ে যাওয়ায় পানি নিস্কাশন বন্দ হয়ে গেছে। ফলে ৫/৬ বছর যাবৎ স্কুলের মাঠ ২ ফুট/আড়াই ফুট পানিতে তলিয়ে থাকে। ফলে পুরো বর্ষা মৌসুম এবং পরবর্তীতে পানি শুকিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত মাঠটি ব্যবহার করা যায়না। এনিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন চেষ্টা করলেও নিরসন সম্ভব হয়নি বলে তিনি জানান। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
###

আশাশুনিতে মোবাইল কোর্টে গাঁজা ব্যবসায়ীর কারাদন্ড

এস,কে হাসান :
আশাশুনিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এক গাঁজা ব্যবসায়ীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। এএসআই মনিরুজ্জামান অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী বড়দল গ্রামের ইয়াকুব শেখের পুত্র মালেক শেখকে (৪২) ৫ পুরিয়া গাঁজাসহ আটক করেন। (শনিবার) উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুষমা সুলতানা আদালত পরিচালনা করে উপরোক্ত সাজা প্রদান করেন। গতকাল তাকে কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে।
###

আশাশুনিতে জামায়াত নেতাসহ গ্রেফতার ৪

এস,কে হাসান :
আশাশুনি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতাসহ ৪ আসামীকে গ্রেফতার করেছে। (শনিবার) গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
এএসআই বিশ্বজিৎ সরকার অভিযান চালিয়ে নাশকতা মামলা ১২(৫)১৬ এর আসামী বসুখালী গ্রামের জিয়াদ আলি গাজীর পুত্র আঃ বারীকে এবং জিআর ১৮৩/১৫ এর আসামী বাউচাষ গ্রামের মৃতঃ নূর আলি সরদারের পুত্র হাবিবুর রহমান হবিকে গ্রেফতার করেন। আঃ বারী শোভনালী ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি বলে পুলিশ জানিয়েছে। এএসআই ওহিদুল ইসলাম অভিযান চালিয়ে জিআর ১৩৯/১৩ এর আসামী কাকবাসিয়া গ্রামের তালেব মাষ্টারের পুত্র রায়হান গাজীকে এবং এসআই রশিদুজ্জামান ও এএসআই ফেরদৌস অভিযান চালিয়ে জিআর ১৬৩/১২ এর আসামী কাদাকাটি গ্রামের আঃ ছাত্তারের পুত্র মোক্তাজুলকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদের গতকাল (শনিবার) আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
###

কুল্যায় ডলার চক্রের রোষানলে আ’লীগ নেতা

এস,কে হাসান  :
আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নে ডলার চক্রের সদস্যরা আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ তাদের ভয়ে ভীত হয়ে পড়েছে।
কুল্যা ইউনিয়ন ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দীর্ঘকাল যাবৎ ডলার চক্রের শক্ত পদচারণা রয়েছে। ডলার চক্রের ফাঁদে পড়ে বহু মানুষ ইতিপূর্বে সর্বূশান্ত হয়েছে। পুুলিশ, ডিবি পুলিশসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অনেকবার অভিযান চলেছে এই এলাকায়। অনেকে গ্রেফতার ও মামলার আসামী হয়ে হাজতবাস করলেও সাময়িক বিরতি ও কার্যক্রম থেমে গেলেও একেবারে শেষ করা সম্ভব হয়নি এই চক্রের তৎপরতা।

সম্প্রতি ডিবি পুলিশের অভিযানে অপরাধ চক্রের সদস্যরা গ্রেফতার, মামলার আসামী হয়েছিল। পুলিশী অভিযানেও এই এলাকার অপরাধীরা গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু আদালত থেকে জামিনে এসে আবারও তারা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। (শনিবার) বিকালে ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি ইয়াহিয়া ইকবাল মহাজনপুর প্রাইমারী স্কুল মাঠে এক শালিসে ছিলেন। ডলার চক্রের সদস্য ও ডিবি পুলিশের মামলায় জামিনে ফিরে আসা মৃতঃ জাহাবক্সের পুত্র রেজাউল একই গ্রামের মৃতঃ ইঞ্জিলের পুত্র রহমত আলীকে সাথে নিয়ে শালিসী বৈঠকে উপস্থিত হয়ে হট্টগোল শুরু করেন। ইয়াহিয়া ইকবাল এগিয়ে গেলে তারা তাদেরকে পুলিশের কাছে তথ্য দিয়ে ধরিয়ে দিয়েছেন অভিযোগ তুলে অকথ্যা ভাষায় গালিগালাছ ও অবাঞ্চিত কথাবার্তা বলে হুমকী ধামকী দেয়। ফলে এলাকাবাসীর মদ্যে ত্রাসের সৃষ্টি হয়। এব্যাপারে পুলিশকে অবহিত করলে এএসআই ফেরদৌস ঘটনাস্থানে পৌছলে তারা কেটে পড়ে। এলাকাকে ডলার চক্রের হাত থেকে রক্ষা করেত আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী।
###

প্রতাপনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর আদায়ে শতভাগ সাফল্য

এস,কে হাসান  :
আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর আদায়ে শতভাগ সফলতা অর্জন করেছে। দৈনন্দিন সরকারি নানা কাজের মাঝে কর আদায়ে একনিষ্ঠতা তাদের সফলতার চুড়া পেরিয়ে যেতে সম্ভবপর করে তুলেছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবাশীষ চৌধুরী আশাশুনিতে দায়িত্ব পাওয়ার পর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তাসহ সকলকে সাথে নিয়ে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা, প্রকৃত মালিকদের মাঝে জমির কাগজপত্র সঠিকভাবে করিয়ে দিতে কার্পণ্য না করা, দালাল ও কুটিলতা সৃষ্টিকারীদের খপ্পর থেকে নিজেদেরকে পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সর্বোপরি সরকারি রাজস্ব/কর আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্দ্ধারণ করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সঠিক ও কার্যকর দায়িত্ব পালন করার দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। প্রতাপনগর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক দায়িত্ব পালনে মনোস্থির করেন এবং যথার্থই সফলতা অর্জন করেছেন। এই ভূমি অফিসে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৮৭ টাকা। সেখানে আদায় হয় ৪ লক্ষ ৬৭ হাজার ১৯ টাকা।

গত অর্থ বছর অর্থাৎ ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আগের বছরের লক্ষ্যমাত্রাকে পেছনে ফেলে লক্ষ্যমাত্রা নির্দ্ধারণ করেছিল ৭ লক্ষ ১৩ হাজার ৯৮৯ টাকা। এরবারও লক্ষ্য অর্জনে সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। অর্জিত হয়েছে ৭ লক্ষ ১৬ হাজার ৫৪৮ টাকা। উপজেলা কর্মকর্তার অনুপ্রেরণা মাথায় রেখে তারা আগামী অর্থবছরে (২০১৬-১৭) লক্ষ্যমাত্রা কয়েকগুণ বাড়িয়ে নির্দ্ধারণ করেছেন। লক্ষ্যমাত্রা ধার্য্য করা হয়েছে ৯ লক্ষ ৬৩ হাজার ৯৮৯ টাকা। যা গত বছরের থেকে আড়াই লক্ষ টাকারও বেশি।

ধার্যকৃত লক্ষ্যমাত্রা পুরন হবে কিনা জানতে চাইলে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল হাই জানান, সহকারি কমিশনার (ভূমি) দেবাশীষ স্যারের দিকনির্দেশনা মোতাবেক উপজেলায় শতভাগ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। চলতি বছরেও আমরা সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর। আমাদের সাফল্যে ঈর্ষাপরায়ন হয়ে ইউনিয়নের একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমাকে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। তথাপিও স্যারের নির্দেশনায় সকল বাঁধা অতিক্রম করে আশা করি আগামী অর্থবছরে ধার্যকৃত লক্ষ্যমাত্রার বেশি কর আদায় করতে পারব ইনশাল্লাহ।
###

বসতভিটায় বসবাসের নিরাপত্তার জন্য মামলা বিদ্যুৎ কর্মীদের পায়ে ধরেও শেষ রক্ষা হয়নি

এস,কে হাসান :
আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটিতে সকল বাঁধা আপত্তিকে উপেক্ষা করে এক গরীব অসহায় দীনমজুরের গাছগাছালি সাবাড় ও মহিলাদের মারপিট করে বসত ঘরের উপর দিয়ে বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন করেছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীরা।

আরার কাদাকাটি গ্রামের মৃতঃ যিতেন্দ্র নাথ দাশের পুত্র অরবিন্দ একজন গরীব অসহায় দীনমজুর। এক বছর আগে পল্লী বিদ্যুতের কর্মীরা তার ছোট্ট ঘরের উপর দিয়ে বিদ্যুৎ লাইন টানানোর জন্য খুঁটি বসাতে গেলে তিনি বাধা প্রদান করেন। প্রতিবেশীরা এগিয়ে গেলে তখন কভার তার দিয়ে লাইন টানা হবে বলে আশ্বস্থ করলেও তিনি আপত্তি জানালেও মানা হয়নি। ফলে ৯/৫/১৬ তাং তিনি ইউপি চেয়ারম্যানের সুপারিশ নিয়ে লাইন স্থানান্তরের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার বরবার আবেদন করেন। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় তিনি এড. নুরুল আমিনের মাধ্যমে ২০/০৬/১৬ তাং লিগ্যাল নোটিশ হাতে হাতে প্রদান করেন জি এম, প্রকল্প প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর। কিন্তু এতকিছু করার পরও বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা ২৭ জুলাই দুপুর ১২ টার দিকে তার বাড়িতে গাছ কাটতে শুরু করলে অরবিন্দুর স্ত্রী ও তার পুত্র বধূ বাধা প্রদান করেন।

তখন পুত্র বধূকে মারপিট ও স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাছ করা হয় বলে লিখিত ভাবে দাবী করা হয়েছে। তারা ৮টি নারিকেল, নিম ও খেজুর গাছ সম্পূর্ণ ভাবে কেটে নষ্ট করে দেয়। অরবিন্দ বাধ্য হয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারনের দাবী জানিয়ে কোর্টে মামলা (নং ) দায়ের করেন। শোনানির দিনকে উপেক্ষা করে, পাটকেলঘাটা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জি এম বরাবর লিখিত আবেদনের কোন মূল্য না দিয়ে এবং সর্বোপরি পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারীদের পায়ে ধরে গরীব পরিবারের উপর জুলুম না করার আকুতিকে ভ্রুক্ষেপ না করে চরম জুলুম অব্যাহত রাখে বিদ্যুৎ কর্মীরা।

তারা তার বসত ভিটার অধিকাংশ ফলজ বূক্ষ নিধন করে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি বসিয়েছেন এবং ঘরের উপর দিয়ে নেওয়া হয়েছে কভার বিহীন তার।  কান্না জড়িত কন্ঠে অরবিন্দ সাংবাদিকদের জানান, পল্লী বিদ্যুতের খুঁটিটি কয়েক ফুট সরিয়ে বসালে একটি অসহায় গরীব হিন্দু পরিবার এদেশে মাথা গোজার ঠাঁই পেত। এব্যাপারে আইন প্েরয়াগকারী সংস্থা, প্রশাসন ও বিদ্যুৎ বিভাগের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।