আশাশুনি সংবাদ ॥ উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভা


161 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভা
জুন ২৪, ২০১৯ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ জুন) সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম। সভায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) পাপিয়া আক্তার, পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মোঃ আবদুস সালাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসলেমা খাতুন মিলি, ইউপি চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলন, আলমগীর আলম লিটন, আবু হেনা সাকিল, আলহাজ¦ শাহ নেওয়াজ ডালিম, প্রভাষক ম মোনায়েম হোসেন, শেখ মিরাজ আলি, দীপঙ্কর কুমার সরকার, আঃ আলিম মোল্যা, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ অরুন কুমার ব্যানার্জী, মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান, সমাজ সেবা অফিসার সুমনা পারভিন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ বাকী বিল্লাহ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপজেলার সার্বিক আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

#

আশাশুনি উপজেলা পরিষদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলা পরিষদের (উন্নয়ন ও সমন্বয়) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ জুন) বেলা ১১.৩০ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা চেয়ারম্যান এ বি এম মোস্তাকিমের সভাপতিত্বে ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজার সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসলেমা খাতুন মিলি, ইউপি চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলন, আলমগীর আলম লিটন, আবু হেনা সাকিল, আলহাজ¦ শাহ নেওয়াজ ডালিম, প্রভাষক ম মোনায়েম হোসেন, শেখ মিরাজ আলি, দীপঙ্কর কুমার সরকার, আঃ আলিম মোল্যা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পন কর্মকর্তা ডাঃ অরুন কুমার ব্যানার্জী, উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেন, মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মিজানুর রহমান, সমাজ সেবা অফিসার সুমনা পারভিন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বাকী বিল্লাহ, সমবায় অফিসার রাকিবুল হক, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম আজিজুল হক, আরডিও বিশ^জিৎ ঘোষ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্পের কার্যক্রমসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

#

কাদাকাটিতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের যদুয়ারডাঙ্গা গ্রামে এক ব্যক্তি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। শনিবার দিবাগত রাতে তিনি বাড়ির পাশে গাছের সাথে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
যদুয়ারডাঙ্গা গ্রামের মৃত কালিপদ সরকারের পুত্র অভিমান্য সরকার (৬০) শনিবার রাতে প্রতিদিনের ন্যায় খাওয়া দাওয়া শেষে ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাতের যেকোন সময় তিনি বাড়ির পাশে শিরিষ চটকা গাছে রশি বেঁধে গলায় ফাঁস আটকে আত্মহত্যা করেন। ভোরে প্রতিবেশী সরজিৎ সরকার ঐপথে যাওয়ার পথে মৃতদেহ ঝুলতে দেখে খবর দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ঘটনাস্থানে পৌছে মৃতদেহ নামানোর ব্যবস্থা করেন। এসআই ফণিভূষণ লাশের সুরোতহাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরন করেন। আত্মহত্যার সঠিক কারন জানা যায়নি।

#

উপজেলা আ’লীগ সভাপতিকে ফুলেল শুভেচ্ছা

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবিএম মোস্তাকিমকে কাদাকাটি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়েছে। নব গঠিত কমিটির সভাপতি অপরূপ সরকার, সেক্রেটারী আজমীনুল হক বিদ্যুৎ, সদস্য মেহদী হাসান, আকাশ হোসেনসহ অন্য সদস্যবৃন্দ উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক সৌরভ রায়হান সাদকে সাথে নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের চাপড়াস্থ বাসভবনে গমন করেন। এসময় তারা চেয়ারম্যানের হাতে ফুলেল ডালি তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। উপজেলা চেয়ারম্যান ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা মোতাবেক কাজ করে দলকে সক্রিয় করতে সকলের প্রতি আহবান জানান।

কুল্যা ইউনিয়ন পরিষদের পুকুরের মাছ গণলুট!
নিজস্বপ্রতিনিধি ঃ আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে অবস্থিত পুকুরের মাছে প্রকাশ্যে লুট করে নেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে এখনো কোন আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি।
ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ইউনিয়ন পরিষদের পুকুরটি দীর্ঘকাল যাবৎ মাছ চাষ করা হয়ে থাকে। অনুমান ১৭ শতক জমিতে অবস্থিত পুকুরটিতে রুই, কাতলা, মৃগেলসহ বিভিন্ন প্রজাতের ছোট বড় বহু মাছ ছিল। ইউপি চেয়ারম্যান এস এম রফিকুল ইসলামের মৃত্যুর পর এলাকার কিছু মানুষ মাছ মেরে আত্মসাতের পরিকল্পনা করে। গত ১৪ জুন সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত দীর্ঘ ৪ ঘন্টা ধরে এলাকার ছেলেরা পুকুরে জাল টেনে ছোট থেকে অনুমান দু’ কেজি আড়াই কেজি ওজনের রুই, কাতলা, মৃগেরসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরে নেয়। ঘটনাটি প্রকাশ্যে ঘটলেও কোন প্রতিরোধ করা হয় বা ্আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকেও অবহিত করা হয়নি। ফলে লুটকারীরা ভয়ভীতির উর্ধে থেকে দেদারছে মাছ লুট করে মাফ পেয়ে গেছে। এব্যাপারে সোমবার (২৪ জুন) ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত ও প্যানেল চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম পান্নার সাথে মোবাইলে কথা বললে তিনি জানান, স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামকে জানানোর পর তিনি ছেলেরা পিকনিক করতে মাছ ধরেছে বলে তিনি শুনেছেন বলে জানান। তবে থানা-পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি না বলেন। ইউপি সচিব ও অপর এক ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন আঙ্গুর জানান, পরিষদের পক্ষ থেকে এখনো কোন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা জানান, বিষয়টি শুনেছি এবং স্থানীয় ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তাকে বিষয়টি দেখতে বলেছিলাম।

#

স্বামীর বিরুদ্ধে বুধহাটার শিল্পী আক্তারের সংবাদ সম্মেলন

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা গ্রামের শিল্পী আক্তার তার স্বামীর অত্যাচার নির্যাতন, মামলা, হামলা ও হুমকী ধামকীর হাত থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সোমবার (২৪ জুন) বিকালে বুধহাটা বাজারে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
বুধহাটা গ্রামের মৃত খবির আলি সরদারের পুত্র দাউদ সরদার তার ১ম স্ত্রী অসুস্থ বলে একই গ্রামের লোকমান সরদারের কন্যা শিল্পী আক্তারকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। রাজি না হলে প্রতাপশালী দাউদ তাকে নানা ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়েও লাভ না হওয়ায় তার ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক ধর্ষন করে। এনিয়ে থানায় জিআর- ১২৪/১১ মামলা রুজু করলে আসামী জামিন নিয়ে মামলা থেকে বাঁচতে তার সাথে আপোষ মিমাংসায় ১ম স্ত্রীকে স্বাক্ষী রেখে ৪ লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য্যে ২৫/৭/১১ তাং রেজিস্ট্রী কাবিনে বিয়ে করলে বাদী মামলা নিস্পত্তি করে দেয়। কিছুদিন ঘর সংসার করার পর দাউদ তাকে তালাক দেয়। কিন্তু তাতে নিস্তার পায়নি, বরং পথেঘাটে বাজে কথা বলাসহ পিছু লেগে থাকে। থানায় জিডি করলে লিখিত অঙ্গীকারনামা দিয়ে নিস্কৃতি পায়। তবে তাকে হাতপা ধরে ভুল বুঝিয়ে ২৩/১/১২ তাং পুনরায় বিয়ে করে। এরপর যৌতুকের দাবীতে অন্তঃস্বত্তা স্ত্রীকে নির্যাতন করলে শিল্পী নারী ও শিশু ২৮৮/১২ নং মামলা করেন। মামলা চলাকালে স্বামীর ঔরষজাত পুত্র সন্তানের মা হন তিনি। মামলা চলাকালে আবার তিনি স্ত্রীকে তালাক প্রদান করেন। তবে আবারও তিনি খোলস পাল্টে মামলা থেকে বাঁচতে ২১/৫/১৮ তারিখে দেড় লক্ষ টাকা দেনমোহরে তাকে রেজিস্ট্রী বিয়ে করলে শিল্পী মামলা তুলে নেয়। আসামী এবার ভিন্ন রূপ ধারণ করে শ^াশুড়ির নিকট থেকে ৭৫ হাজার, তার নিকট থেকে ৩০ হাজার ও আশা সমিতি থেকে স্ত্রীর কাছ থেকে আরও ৭০ হাজার টাকা উঠিয়ে নেয়। এরপর থেকে আবার একই রূপ। দীর্ঘদিন কোন খোজখবর নেইনি। তাদের সন্তান ১০/২/১৯ তাং আগুনে পুড়ে গেলে তাকে জানালেও কর্ণপাত করেনি। বরং উল্টে ১ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করতে থাকে। বাড়ির সামনে স্বামীকে পেয়ে তিনি বাড়িতে ডেকে নিয়ে বাচ্চার ঔষধ কিনে দিতে বললে গালিগালাজ করে আবার যৌতুকের টাকা দাবী করে। এক পর্যায়ে মারপিট ও গলায় রশিদিয়ে স্ত্রীকে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ পাশের লোকজন সেখানে গিয়ে গঠনা প্রত্যক্ষ করেন। থানায় মামলা না নিলে বিজ্ঞ আদালতে জিআর ৭২/১৯ (আশাঃ) মামলা রুজু করেন। আসামী জামিনে মুক্ত হয়ে মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগসহ ভয়ভীতি দেখাতে থাকে। বাদীর মা গ্রাম আদালতে মামলা করলে অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় তার টাকা পরিশোধের রায় প্রদান করলে ২০ হাজার টাকা দিয়ে আর দেইনি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গণশুনানীতে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা আদায়ের জন্য আবেদন করলে ইউএনও আশাশুনিকে দায়িত্ব প্রদান করেন। তিনি আরও বলেন, সুদ খোর দাউদ, মইদুলসহ তার ভায়েরা এলাকায় সুদের ব্যবসার নামে বহু মানুষকে সর্বশান্ত করেছে। করিম মেম্বার, মন্টু, পলাশ, মইনদ্দীসহ অসংখ্য মানুষ সুদের ফাঁদে পড়ে সর্বশান্ত হয়েছেন। দাউদ অরুন মার্ডার মামলা, বৈদ্যিকে জখম করা মামলা, ছিনতাইসহ অনেক মামলার আসামী। সে প্রতিবাদ নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিয়ে বিয়ে ও মিমাংসা করলেও কথা রক্ষা করেনি। বরং তাকে নির্যাতন, হয়রানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে চলেছে। তিনি দু’টি সন্তান নিয়ে একা বসবাস করেন, তাকে যে ভাবে হুমকী ধামকী ও মামলা তুলে নিতে শাসাচ্ছে তাতে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন দাবী করে জেলা প্রশাসক, এসপি মহোদয় সহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

#