আশাশুনি সংবাদ ॥ উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির মাসিক সভা


227 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির মাসিক সভা
জুলাই ৮, ২০১৯ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৮ জুলাই) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা। সভায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসলেমা খাতুন মিলি, পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মোঃ আবদুস সালাম, ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিল, আ ব ম মোছাদ্দেক, প্রভাষক ম মোনায়েম হোসেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম পান্না ও শাহিনুর আলম, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আঃ হান্নান, সিনিঃ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান, সমাজ সেবা অফিসার সুমনা শারমিন, কৃষি কর্মকর্তা রাজিবুল হাসান, পিআইও সোহাগ খান, সমবায় অফিসার রকিবুল হক, নির্বাচন অফিসার সাইদুর রহমান, শিক্ষা অফিসার মোসাঃ শামসুন্নাহার, আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা মিয়ারব হোসেন, সেলিম রেজা সেলিম, অধ্যাপক সুবোধ চক্রবর্তী, প্রেসক্লাব আহবায়ক বোরহান উদ্দিন বুলু, ক্যাপ্টেন এছহাক আলি, ইয়াহিয়া ইকবাল, কামরুন নাহার কচি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় শ্রীউলার তাছলিমকে ঢাকায় হত্যার সাথে জড়িত সাদ্দামসহ অপরাধীদের গ্রেফতার, ঘেরের মাছ চুরি, লাকি ও লাল্টু বাহিনীর দৌরাত্ব্য, সরকারি অফিসের কোন কোন কর্মচারীর দুর্নীতি, চিংড়ীতে অপদ্রব্য পুশ, মাদক, বাল্য বিবাহ, জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ, বজ্রপাত সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং বলাবাড়িয়া মৎস্য ঘেরের জমির মালিকদের জমি বুঝে দেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

#

আশাশুনির নাশকতা মামলার আসামী মফিজুল নাম পাল্টে এখন পলাশ মাহমুদ

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার গোকুলনগর গ্রামের দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার মফিজুল ইসলাম ওরফে পলাশ মাহমুদ ও তার ভাই বিএনপি নেতা সুন্দরবনের বনদস্যু শরিফুল ইসলামের নির্যাতন ও ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রির হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২টায় প্রেসক্লাবে গিয়ে এ সম্পর্কিত অভিযোগপত্র সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন আশাশুনি উপজেলার গোকুলনগর গ্রামের বক্স গাজীর ছেলে ফারুক আল মামুন।
লিখিত অভিযোগপত্রে ফারুক আল মামুন উল্লেখ করেছেন, বর্তমানে তিনি খুলনা জেলার লবণচোরা থানাধীন মোহাম্মদ নগরে বসবাস করেন। তিনি জয় বাংলা’৭১ লীগের লবনচোরা থানা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি। মফিজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম তার চাচা মোহাম্মদ গাজীর ছেলে। মফিজুলের জন্মস্থান একই গ্রামে হলেও তারা পরবর্তীতে খুলনার কয়রা উপজেলা সদরের বাসিন্দা। বর্তমানে সে ঢাকার আব্দুল্লাহপুরে থাকে। কয়রার কালনা মাদ্রাসা থেকে দাখিল, কপোতাক্ষ কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় পাশ করে মফিজুল। ২০০৫-২০০৬ শিক্ষাবর্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করাকালিন পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ভিসির সঙ্গে বিরোধ বাঁধে ছাত্র শিবিরের। এ সময় মফিজুলের নেতৃত্বে ছাত্রশিবির তান্ডব চালায়। ভিসিকে না পেয়ে তার স্ত্রীকে মারপিট করে মফিজুল। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দায়েরকৃত মামলায় মফিজকে দেখা মাত্র গুলি করার নির্দেশ দেয় পুলিশ। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছেড়ে আত্মগোপন করে মফিজুল। রাজনৈতিক পালাবদলের সাথে সাথে জাতীয় পরিচয় পত্রে মফিজুল ইসলাম (নং-১৯৮৮৪৭১৫৩৫৫৭৪৯৮১৩) নাম থাকলেও অনিয়ম ও দুর্ণীতির মাধ্যমে জন্মনিবন্ধন (নং-১৯৮৮৪৭১৫৩৫৫১০০৬৫৯) তৈরি করে ভোল পাল্টাতে পলাশ মাহমুদ (ভোটার নং-৪৭১৪০১৭৪৯৮১) নাম ধারণ করেছে। তার বিরুদ্ধে লোগো বৈঠা আন্দোলনের সময় খুলনা ও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ছাত্র শিবিরের পক্ষে তান্ডব চালানোর অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া কালিগঞ্জ থানায় ১৯৯৫ সালে অস্ত্র মামলা, ১৯৯৮ সালে খুলনা সদর থানায় চাঁদাবাজি ও অপহরণ মামলা, তাদের জমি জবরদখল করতে গেলে স্বশস্ত্র হামলা করায় ২০১৭ সালে আশাশুনি থানায় ২০১৭ ও ২০১৯ সালে পৃথক দু’টি হত্যা চেষ্টা মামলা ও ২০০৪ সালে হ্যাচারি ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলা (১৫/০৪) হয়।
একইভাবে তার (মফিজুল) ভাই এক সময়কার ছাত্র শিবিরের সক্রিয় সদস্য ১৯৯০ সাল থেকে প্রতাপনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেব দায়িত্ব পালনকারি শরিফুলের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র বিক্রির অভিযোগ ছাড়াও এলাকার চিংড়ি ঘের দখল, চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। চারটি বিবাহের নাটের গুরু শরিফুল ও তার সন্ত্রাসী ভাই মফিজুল প্রভাব খাটিয়ে নিঃসন্তান চাচা কছিম উদ্দিন গাজীর আট বিঘা জমির অর্ধেক দাবিদার হলেও গায়ের জোরে সবটুকু দখলে নিতে নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে তারা তাাদেরকে (ফারুক) রোহিঙ্গাদের মত ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়ে বাপ দাদার ভিটা থেকে উচ্ছেদ করে দেশ ছাড়া করার হুমকি দিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে। মামলা করা হয়েছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেড আদালতে। মফিজুলের ভাই রবিউল ও আসাদুল বর্তমানে জামায়াতের সক্রিয় কর্মী ও তাদের বোন ফিরোজা আক্তার সালমা প্রতাপনগর ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক। তারাই মুলতঃ সাঈদী মুক্তি মঞ্চের উদ্যোক্তা ও অর্থযোগানদাতা বলে অভিযোগ রয়েছে। জানতে চাইলে মফিজুল ইসলাম বলেন, ফারুক আল মামুন এক সময় জামায়াতের সক্রিয় কর্মী ছিল। রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে সে খুলনায় যেয়ে নব্য আওয়ামী লীগার সেজে পিঠ বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

#

আশাশুনিতে এনজিও সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

এস,কে হাসান ::

আশাশুনিতে এনজিও সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৮ জুলাই) দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজার সভাপতিত্বে সভায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ আ ব ম মোসাদ্দেক, সমাজ সেবা অফিসার সুমনা শারমিন, শিক্ষা অফিসার মোসাঃ শামসুন্নাহার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কামন্ডার আঃ হান্নান, এনজিও মৌমাছির সুশান্ত মল্লিক, ওয়ার্ল্ড ভিশনের হারুনর রশিদ, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের মজনুন হক, এসকেএস’র অরুন কুমার সরকার, ডিআরআর’র মফিজুল ইসলাম, টিএমএসএস’র তপন মহলদার, পল্লী চেতনার আজমিরা আক্তার, আরআরএফ’র আঃ আলিম, সুশীলনের আবু জাফর সিদ্দিক, ফ্রেন্ডশীপ’র দিবাকর বিশ^াস, ইডার শফিকুল ইসলাম, দক্ষিণ সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের শ্যামলী রানী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভায় আশাশুনি উপজেলা কাজের সাথে জড়িত সকল এনজিও এর প্রকল্প, গৃহীত ও বাস্তবায়িত কামর্যক্রম, সমস্যা এবং জন প্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় করে কাজ করার বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

#

আশাশুনিতে পুলিশী অভিযানে গ্রেফতার- ৩

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারী পরোয়ানার ৩ পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের সোমবার সকালে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমান (বিপিএম) এর দিক নির্দেশনায় আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবদুস সালাম এর নেতৃত্বে এসআই বিল্লাল হোসেন শেখ অভিযান চালিয়ে সিআর-১২৮/১৭ আসামী জামালনগর গ্রামের আঃ আজিজ গাজীর পুত্র নূর ইসলাম গাজীকে গ্রেফতার কারেন। এসআই বিজন কুমার সরকার অভিযান চালিয়ে সিআর-১৮২/১৮ ও সিআর-১৬৩/১৮ আসামী দরগাহপুর গ্রামের আঃ সবুর সরদারের পুত্র হারুন সরদারকে এবং এএসআই শাহ জামাল সিআর-৪৭/১৯ আসামী গরালি গ্রামের মৃত আঃ গফুর গাজীর পুত্র আব্দুল্লাহ গাজীকে গ্রেফতার কারেন।

#