আশাশুনি সংবাদ ॥ উপজেলা পরিষদের সভা


169 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ উপজেলা পরিষদের সভা
মে ২৮, ২০১৯ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলা পরিষদের (উন্নয়ন ও সমন্বয়) মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০.৩০ টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এ বি এম মোস্তাকিম। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজার সঞ্চালনায় সভায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসলেমা খাতুন মিলি, ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন, শেখ জাকির হোসেন, আবু হেনা সাকিল, আঃ আলিম মোল্যা, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম পান্না, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আঃ হান্নান পাড়, উপজেলা কৃষি অফিসার রাজিবুল হাসান, প্রকৌশলী আক্তার হোসেন, সমাজ সেবা অফিসার সুমনা শার্মিন, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ, পিআইও সোহাগ খান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম আজিজুল হক, শিক্ষা অফিসার শামসুন নাহার, ডাঃ আশিকুর রহমান, একাডেমীক সুপারভাইজার হাসানুজ্জামান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএমসহ বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম, পরিষদের গৃহীত প্রকল্পের কাজের অগ্রগতিসহ সার্বিক কর্মকান্ড নিয়ে আলোচনা করা হয়।

#

আশাশুনির প্রাথমিক বিদ্যালয় সমুহে বায়োমেট্রিক হাজিরার সিদ্ধান্ত

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় বায়োমেট্রিক হাজিরার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে প্রাথমিক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তবায়নে খরচের বিষয়টি কিছুটা ভাবনায় ফেলেছে।
মান সম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের আগমন প্রস্থানে স্বচ্ছতা আনয়নের পাশাপাশি হাজিরার ক্ষেত্রে অধিক সফলতা অর্জনের লক্ষ্যে বায়োমেট্রিক হাজিরার বিষয়টি মাথায় নেওয়া হয়। এছাড়া উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদারের জন্য এ পদ্ধতির সুদূর প্রসারী কল্যাণ রয়েছে। স্কুলে গমন না করেও স্কুলের আগমন-প্রস্থানের সঠিক তথ্য কর্তৃপক্ষ যে কোন সময় দেখতে বা পেতে পারবেন এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হলে। উপজেলা শিক্ষা দপ্তর দেশের কয়েকটি সফল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই পদ্ধতির ব্যবহারের সফলতা দেখে এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক আশাশুনির সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ হাজিরা ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে। ইতিমধ্যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু এ পদ্ধতি চালুর ক্ষেত্রে খরচের বিষয়টি সকল প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অতিরিক্ত চাপ হয়ে যায় কিনা তা নিয়েও সচেতন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোসাঃ শামসুন্নাহার জানান, তারা ইতিমেধ্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করেছেন। যার মধ্যে ‘নেটিজেন আইটি’ স্থাপনে খরচ পড়বে ২৬ হাজার টাকা। এদের ওয়ারেন্টি ১ বছর। আর প্রতি বছর সার্ভিস চার্জ দিতে হবে ১২ হাজার টাকা করে। আরেকটি ‘ফোর্ট ইন্টারন্যাশনাল’ স্থাপনে খরচ পড়বে ২৬ হাজার টাকা। ওয়ারেন্টি ৩ বছর। ১ম ৩ বছর সার্ভিস চার্জ লাগবেনা। পরবর্তীতে প্রতি বছর সার্ভিস চার্জ দিতে হবে ১২ হাজার টাকা করে। আরেকটি ‘এডুকিট’ স্থাপনে খরচ পড়বে ১৬ হাজার টাকা। ওয়ারেন্টি ২ বছর। প্রতি বছর সার্ভিস চার্জ দিতে হবে ২ হাজার টাকা করে।
উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কোন আর্থিক স্বচ্ছলতা নেই। কোন প্রতিষ্ঠানে ব্যাংক ডিপোজিটও নেই। স্কুলের শিক্ষক, এসএমসি সদস্যবৃন্দ এবং সর্বোপরি স্কুলের শিক্ষার্থীদের থেকে চাঁদা বা দান আদায় করে হয়তো স্থাপনের খরচ বের করা যেতে পারে। কিন্তু প্রতি বছর সার্ভিস চার্জের নামে অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করার মত সক্ষমতা অনেক প্রতিষ্ঠানের নেই। উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সর্বোপরি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে বিচক্ষণার সাথে বিষয়টি ভেবে দেখে কিভাবে সফল ও দীর্ঘস্থায়ী বাস্তবায়ন করা সম্ভব সে ব্যাপারে নির্দেশনা প্রদানের দাবী রাখে। তবে উপজেলা শিক্ষা অফিস স্বল্পতম ও সর্বনি¤œ খরচে এবং বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কম ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির প্রডাক্ট নিয়ে দ্রুততম সময়ে হাজিরা কার্যক্রম চালুর ব্যাপারে বদ্ধপরিকর। বায়োমেট্রিক পদ্ধতির হাজিরা চালু হলে উপজেলায় স্বচ্ছতাপূর্ণ শিক্ষা বাস্তবায়নে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে বলে সবাই আশাবাদি।

#

আশাশুনিতে গ্রাম আদালতের মালামাল বিতরণ

এস,কে হাসান ::

আশাশুনিতে গ্রাম আদালতে ব্যবহৃত মালামাল বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রীয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদে বাস্তবায়িত গ্রাম আদালত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ওয়েভ ফাউন্ডেশন এর বাস্তবায়নে উপজেলার ১১ ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে ব্যবহারের জন্য ফরম ও রেজিস্ট্রার এবং গ্রাম আদালত অপারেশন ম্যানুয়াল বহি প্রদান করা হয়। প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের হাতে এসব তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা। এসময় গ্রাম আদালত উপজেলা সমন্বয়কারী গোলাম মোস্তফা উপস্থিত ছিলেন।