আশাশুনি সংবাদ ॥ জাতির পিতার শাহাদাৎ বার্ষিকী পালনের প্রস্তুতি সভা


117 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ জাতির পিতার শাহাদাৎ বার্ষিকী পালনের প্রস্তুতি সভা
জুলাই ২২, ২০১৯ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,কে হাসান ::

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালনের লক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা আশাশুনি উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২২ জুলাই) সকাল ৯.৩০ টায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজার সভাপতিত্বে সভায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) পাপিয়া আক্তার, পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মোঃ আব্দুস সালাম, সিনিঃ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান, সমাজ সেবা অফিসার সুমনা শারমিন, কৃষি অফিসার রাজিবুল হাসান, মেডিকেল অফিসার ডাঃ আশিকুর রহমান, পিআইও সোহাগ খান, শিক্ষা অফিসার মোসাঃ শামসুন্নাহার, নির্বাচন অফিসার সাইফুর রহমান, একাডেমীক সুপার ভাইজার হাসানুজ্জামান, পরিসংখ্যান অফিসার শ্মশান কুমার মন্ডল, প্রধান শিক্ষক আশরাফুন নাহার নার্গিস, অধ্যাপক তৃপ্তিরঞ্জন সাহা, অধ্যাপক সুবোধ চক্রবর্তী, প্রভাষক সজল কুমার আঢ্য, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম পান্না প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় ৮ আগষ্ট চিত্রাঙ্কন ও ১৩ আগষ্ট রচনা প্রতিযোগিতা, ১৫ আগষ্ট সুর্যোদলের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ৯ টায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পন ও শোক র‌্যালী, ৯.৩০ টায় আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ, ১০ টায় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা, ১০.৩০ টায় যুব ঋণ বিতরণ, ১১.৩০ টায় মহিলাদের আলোচনা সভা, বাদ জোহর মসজিদে বিশেষ মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল, মন্দির ও গীর্জায় বিশেষ প্রার্থনা, প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদে ডিজিটাল সেন্টারে ‘চিরঞ্জীব বঙ্গবন্ধু’ চলচিত্র প্রদর্শনী এবং সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠাতে দিবসটি যথাযথ ভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আশাশুনি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের প্রত্যহারের দাবীতে স্মারকলিপি পেশ

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মিজানুর রহমানের প্রত্যাহারের দাবিতে শিক্ষা সচিব বরাবর স্মারকলিপি প্রদার করা হয়েছে। সোমবার (২২ জুলাই) কলেজের সকল শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কাছে এ স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।
কলেজের অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত হয়ে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজার হাতে শিক্ষা সচিব বরাবর স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করেন। স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, ঐতিহ্যবাহী কলেজটি ২০১৭ সালে জাতীয়করণ করা হয়। মিজানুর রহমানকে ৭/১১/১৭ তাং সংযুক্ত অধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগ/পদায়ন করা হয়। কিন্তু পরদিন ৮/১১/১৭ তাং শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাকে জয়পুরহাট কলেজে সহযোগি অধ্যাপক হিসাবে নিয়োগ/পদায়ন করে। উক্ত আদেশ গোপন করে তিনি ১১/১১ তাং আশাশুনি কলেজে যোগদান করেন। এখানে যোগদানের পর হতে তিনি স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে কলেজকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলেন। তার আচরণে ২৯/১১/১৭ তাং উপজেলা পরিষদের সভায় তার বিরুদ্ধে নিন্দা জানিয়ে রেজুলেশন করা হয়েছিল। তিনি জুন/১৭ ও আগষ্ট/১৭ মাসে নির্বাচনী পরীক্ষার নামে ভুয়া পরীক্ষা দেখিয়ে ২২ হাজার ৮শ’ টাকা সম্মানী বাবদ গ্রহন করে আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বড় অংকের উৎকোচ নিয়ে ৩ জন শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করান, শিক্ষক জাতীয়করণ ও আত্মীয়করণে বাধা সৃষ্টি, বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান না করা, কলেজের সরকারি রেস্ট হাউজে বসবাস করেও ভাড়া না দেওয়া, কলেজের গাছ থেকে আম পাড়ার অপরাধে শিশুকে নির্যাতন করা, ২০১৯ সালে ৭টি বিষয়ে প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার নামে ছাত্র প্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা করে আদায় করা, ছাত্রীদের জন্য কমনরুম ব্যবস্থা না করা, নিজের মনগড়া ও ম্যানুয়াল পরিপন্থ’ী একাডেমীক কাউন্সিল গঠন, কলেজে ছাত্রলীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার প্রত্যক্ষ হুমকী প্রদান, শিক্ষকদের নিকট থেকে প্রাইভেট পড়ানো বাবদ ১০% টাকা আদায় করলেও অদ্যবধি সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে অভিযোগ তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অবিলম্বে তাকে প্রত্যাহারের জোর দাবি জানানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্মারকলিপি গ্রহন করে যথাস্থানে পৌছানোর ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ^াস প্রদান করেন।

#

আশাশুনিতে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ পালনে প্রস্তুতি সভা

এস,কে হাসান ::

আশাশুনিতে মশক নিধন এবং মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ কল্পে ২৫ থেকে ৩১ জুলাই মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ- ২০১৯ পালনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২২ জুলাই) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজার সভাপতিত্বে সভায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) পাপিয়া আক্তার, পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মোঃ আব্দুস সালাম, সিনিঃ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান, সমাজ সেবা অফিসার সুমনা শারমিন, কৃষি অফিসার রাজিবুল হাসান, মেডিকেল অফিসার ডাঃ আশিকুর রহমান, পিআইও সোহাগ খান, শিক্ষা অফিসার মোসাঃ শামসুন্নাহার, নির্বাচন অফিসার সাইফুর রহমান, একাডেমীক সুপার ভাইজার হাসানুজ্জামান, পরিসংখ্যান অফিসার শ্মশান কুমার মন্ডল, প্রধান শিক্ষক আশরাফুন নাহার নার্গিস, অধ্যাপক তৃপ্তিরঞ্জন সাহা, অধ্যাপক সুবোধ চক্রবর্তী, প্রভাষক সজল কুমার আঢ্য, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম পান্না প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ পালনের জন্য বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

#

খাজরায় গভীর রাতে ঘেরের বাসায় কপোত-কপোতি

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নে মৎস্য ঘেরের বাসায় কপোত কপোতির অনৈতিক কর্মকান্ডে এলাকাবাসীর অভিযানের ঘটনা ঘটেছে। ধাওয়া খেয়ে কপোত ভোঁ দৌঁড় দিয়ে পালাতে সক্ষম হলেও কপোতি আটক হয়েছে। রোববার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।
খাজরার ফটিকখালী গ্রামের মৃত বিশ^নাথ বাছাড়ের স্ত্রী শেফালী বাছাড় (৩৭) ও চেউটিয়া গ্রামের মোসলেম বিশ^াসের পুত্র মুক্তাজুল বিশ^াস (৩৫) রোববার গভীর রাতে মোক্তাজুলের পবনা খালের (খালিয়া) মৎস্য ঘেরের বাসায় অনৈতিক কর্মে লিপ্ত হয়। খবর পেয়ে এলাকার কবির হোসেন, আইজুল, রাজ্জাকসহ ২০/৩০ জন সেখানে অভিযান চালান। ধেয়ে আসা মানুষের আগমন বুঝতে পেরে মুক্তাজুল ঘেরের পানিতে ঝাপিয়ে পড়ে পালাতে সক্ষম হলেও কপোতি শেফালীকে তারা আটক করে। খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশ মিজানুর রহমান ঘটনাস্থানে গিয়ে আটক কপোতিকে রাত্র ৪ টার দিকে তার বাড়িতে পৌছে দেন। এব্যাপারে গ্রাম পুলিশ মিজানুর রহমান জানান, আটককারীরা ঘেরের বাসায় হানা দিলে মুক্তাজুল পালিয়ে যায় এবং শেফালীকে আটক করে তাকে খবর দিলে তিনি মোক্তাজুলকে আটক না করতে পারায় শেফালীকে থানায় না দিয়ে তার বাড়িতে পৌছে দিয়েছেন। এলাকায় ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। খাজরায় মাদরাসা ছাত্রী ধর্ষনের পর একই ইউনিয়নে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে মহিলা আটকের বিষয়টি এলাকার পরিবেশ নিয়ে সচেতন মহলে আতঙ্ক বিরাজ করছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

#

বড়দল কলেজিয়েট স্কুলে শিক্ষক লাঞ্চিত

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার বড়দল আফতাব উদ্দিন কলেজিয়েট স্কুলে এক প্রভাষক ছাত্র ও বহিরাগতদের হাতে লাঞ্চিত হয়েছেন। সোমবার কলেজ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।
কলেজের শ্রেণি কক্ষে ফ্যানের ব্যবস্থা করা নিয়ে জল্পনা কল্পনা চলছিল। এনিয়ে অধ্যক্ষ ছাত্রদেরকে ২/৪ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ^াস প্রদান করলে ছাত্ররা চলে যায়। কিন্তু পরবর্তীতে কিছু ছাত্র ক্যাম্পাসে শোরগোল করতে থাকলে এবং ক্যাম্পাসে গাছের চারা নষ্ট করতে উদ্যত হলে প্রভাষক প্রবীর কুমার বৈরাগী তাদের সংযত হতে বলেন। তখন কলেজের ছাত্র ইয়াছিনসহ কলেজের কিছু ছাত্র ও বহিরাগতরা গাছের ডাল ভেঙ্গে শিক্ষকের উপর আক্রমন চালিয়ে লাঞ্চিত করে। বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি করেছে।

#

আশাশুনিতে ধর্ষক কর্তৃক ধর্ষিতার পরিবারকে মামলা তুলে নিতে হুমকি

এস,কে হাসান ::

আশাশুনিতে স্কুল শিক্ষক কর্তৃক ধর্ষণের শিকার গৃহবধুর পরিবারকে মামলা তুলে নিতে হুমকি ধামকি প্রদান করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে আদালতের আশ্রয় নিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারটি।
মামলার বিররণে জানাগেছে, কাঁটামারি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক কাপসন্ডা গ্রামের ছহিল উদ্দীন মোল্যার ছেলে ফারুক মোল্যা (৫৫) তার স্ত্রী অসুস্থ থাকার সুযোগে দীর্ঘদিন ধরে বাড়ীর পাশে জনৈক মহিলার সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। উক্ত মহিলার বাড়ী যেতে হলে তাকে গোলাম মোস্তফার বাড়ীর উপর দিয়ে যেতে হয়। মোস্তফা দিনমজুর হওয়ায় তাকে প্রায় সময়ই বাড়ীর বাইরে কাজের সন্ধানে থাকতে হয়। তার একটি ছেলে পড়ার জন্য বাড়ীতে থাকেনা। ফারুক মোল্যাকে রাত-বিরাতে একা মহিলার (মোস্তফার স্ত্রী) বাড়ীর উপর দিয়ে যাতায়াত করতে নিষেধ করেন। এতে ফারুক মোল্যা ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৩ মে রাত ১১টার দিকে স্বামী-সন্তান বাড়ী না থাকার সুযোগে সুকৌশলে উক্ত গৃহবধুর (৩৭) ঘরে ঢুকে তাকে জোর করে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় স্থানীয় গন্যম্যান্য ব্যক্তিরা শালিসের চেষ্টা করলে ফারুক মোল্যার অভিভাবক বা তার পক্ষের লোকজন তালবাহানা করে কালক্ষেপন করতে থাকে। নিরুপায় হয়ে ধর্ষিতা ১৪ মে আশাশুনি থানায় মামলা করতে গেলে থানাপুলিশ তাকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর ১৬ মে ধর্ষিতা বাদি হয়ে উক্ত শিক্ষককে আসামী করে সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ১৮৩/২০১৯ নং পিটিশন মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। এরপর আশাশুনি থানায় ফারুক মোল্যার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অপরাধে ৯(১) ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ আইনে ৩(৬) ১৯ নং মামলা রুজু করে থানা পুলিশ।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ১৪ জুলাই সকালে উক্ত গৃহবধুর বাড়ীর সামনে ধর্ষক ফারুক মোল্যা তার লোকজন নিয়ে ধর্ষিতার স্বামী মোস্তফাকে মামলা তুলে নিতে মারপিট করতে উদ্যত হয়। এতে ধর্ষিতার পরিবার চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন বলে প্রতিকার চেয়ে আদালতে অভিযোগ করেছেন স্বামী গোলাম মোস্তফা।

#