আশাশুনি সংবাদ ॥ জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ’র সমাপনী


124 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ’র সমাপনী
জুলাই ২৩, ২০১৯ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস কে হাসান ::

আশাশুনিতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১৯ এর মূল্যায়ন ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) সকাল ৯ টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মৎস্য সপ্তাহ-২০১৯ উদযাপন কমিটির আয়োজনে ১৭ জুলাই সপ্তাহের শুরু হয়। মঙ্গলবার সমাপনী দিনে মূল্যায়ন, পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আরিফ রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিনিঃ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক অসীম বরণ চক্রবর্তী, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আঃ হান্নান, জাতীয় মৎস্যজীবি সমিতির জেলা সভাপতি রফিকুল ইসলাম মোল্যা প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। ‘মাছ চাষে গড়বো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বক্তাগণ মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে ও দেশের সমৃদ্ধির জন্য এগিয়ে আসার আহবান জানান। সাথে সাথে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অগ্রগতি সাধনে সকলে সচেতনার সাথে কাজ করতে আহবান জানান। অনুষ্ঠানে সফল মৎস্য চাষী হিসাবে ভেটকী মাছ চাষে এবিএম মোস্তাকিমকে, পাবদা মাছ চাষে আলহাজ¦ শাহ নেওয়াজ ডালিমকে, কার্প মিশ্র চাষে আলহাজ¦ শফিউল আলম খোকনকে, বাগদা চিংড়ী চাষে রাম প্রসাদ রায়কে, গলদা চিংড়ী চাষে রুহুল কুদ্দুছকে ও নার্সারী কাজে বোরহান উদ্দিনকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

#

আশাশুনিতে ১৮৩ মুক্তিযোদ্ধার পুনঃ যাচাই বাছাই সম্পন্ন

এস কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলায় ২০১৭ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাছাই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) যাচাই বাছাই কমিটি কর্তৃক যাচিত “ক” গ্রুপের প্রতিবেদনভুক্তদের পুনঃ যাচাই বাছাই কার্যক্রম শেষ হয়েছে।
উপজেলার ১১ ইউনিয়নের “ক” প্রতিবেদনভুক্ত ১৮৪ জনকে পুনঃ যাচাই বাছাই এর জন্য ১৬ জুলাই হতে ২৩ জুলাই পর্যন্ত যাচাই বাছাই এর জন্য সাক্ষাৎকার ও স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য গ্রহন করার কাজ শেষ হয়েছে। শোভনালী ইউনিয়নের ২ জন, কুল্যার ১১ জন, বুধহাটার ৩ জন, দরগাহপুরের ২০ জনকে, আশাশুনি-১৫, শ্রীউলা-১৯ জনের মধ্যে ১৮ জন, খাজরায় ৪৩, বড়দলে ৪৬ জন, আনুলিয়া-৪, প্রতাপনগর- ৬ এবং কাদাকাটির ১৫ জনকে যাচাই করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত যাচাই কার্যক্রমে সভাপতিত্ব করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফুর। সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা। যাচাই কমিটির সদস্য হিসাবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমে অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আহাদ। ভারতীয় লাল তালিকাভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ যাচাই কাজে সহযোগিতা প্রদান করেন। এসময় উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জন প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। মহিষকুড়ের আলহাজ¦ সৈয়দ আলি মোল্যার পুত্র আঃ হাকিম যাচাই অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা জানান, যাচাই বাছাই এর জন্য সাক্ষাৎকার গ্রহনের কাজ শেষ হয়েছে। যাচাই বাছাই বাকী কাজ চলমান রয়েছে। সরকারি কাজে তিনি ভারতে যাচ্ছেন ফিরেই প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

#

আশাশুনিতে যৌতুক না পেয়ে স্বামী ও শ্বশুর-শ্বাশুড়ির নির্মম নির্যাতনে ইরানী হাসপাতালে

এস কে হাসান ::

গরীব পিতা যৌতুকের দাবীকৃত টাকা দিতে না পারায় মেয়ে ইরানীকে জামাই ও তার পিতা-মাতা নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে। ইরানীকে মারত্মক আহত অবস্থায় আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে প্রকাশ, আশাশুনি সদরের শ্রীকলস গ্রামের আঃ করিম সরদারের কন্যা ইরানী খাতুন (২২) এর সাথে আদালতপুর গ্রামের আঃ হক মল্লিকের পুত্র মঈনুরের বিয়ে হয় ৪ বছর আগে। তাদের ৫ মাসের কেটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের সময় সামর্থ অনুযায়ী নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও আসবাবপত্র দেয়া হয়েছিল। কিছুদিন যেতে না যেতেই স্বামী মঈনুর তার পিতা ও মাতার কুমরামর্শে ২ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করে। দিতে না পারায় নেমে আসে ইরানীর উপর শারিরীক ও মাসনিক নির্যাতন। বাধ্য হয়ে আঃ করিম মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে মাঝে মধ্যে নগদ টাকা দিয়ে আসছিলেন। এক পর্যায়ে টাকা দিতে না পারায় স্বামীসহ তারা ৩ জনে একাধিকবার মারধর করেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গন্যমান্য ব্যক্তি তাকে উদ্ধার করেন। সর্বশেষ ২০ জুলাই সকাল ৯ টার দিকে ২ লক্ষ টাকার দাবীতে ইরানীর উপর নির্মম নির্যাতন চালায়। হত্যার উদ্দেশ্যে দা দিয়ে কোপ মারলে কপালে লাগে এবং এতে গুরুতর হাড়ভাঙ্গা জখম হয়ে পড়ে যায়। এরপর তারা লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। সিজারের স্থানে পা ডলা দিয়ে আঘাত করে। সংবাদ পেয়ে তার পিতা ও স্বাক্ষীরা ঘটনাস্থানে উপস্থিত হলে তাদের কাছে ২ লক্ষ টাকা না দেওয়া পর্যন্ত স্ত্রীকে নিয়ে ঘর করবে না জানিয়ে দিয়ে গালিগালাজ করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। পরে তারা অন্যদের সহযোগিতায় ইরানীকে উদ্ধার করে আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি করেন। এব্যাপারে ইরানী বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

#

ভালুকা চাঁদপুরের শান্তর দাফন সম্পন্ন

এস কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের অবসর প্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক এ এন এম আনিস উদ্দিনের পুত্র ও সমাজ সেবক খোন্দকার মোসাদ্দেকুজ্জামানের ছোট ভাই একেএম মোকাদ্দেকুজ্জামান শান্ত (৬৩) ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি অইন্না ইলাইহি রাজেউন)। মঙ্গলবার মরহুমের নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
খুলনায় টিএন্ডটির চাকরী হতে অবসর প্রাপ্ত শান্ত ঢাকায় মেয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। সোমবার সকাল নাস্তা খাওয়ার জন্য তার মেয়ে তাকে ডেকে দেখেন তিনি অচেতন হয়ে আছেন। পাশের ক্লিনিতে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন। মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় ভালুকা চাঁদপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে মরহুমের নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় সাবেক এমপি হাবিবুর রহমান হাবিব, ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু, অধ্যাপক মোদাচ্ছেরুল হক হুদা, আঃ রহমান ডিগ্রী কলেজের সভাপতি মোকছেদুর রহমান, সাংবাদিক আমিনুর রহমান, আশাশুনি প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব এস কে হাসান, এক্স আর্মী শেখ আছাফুর রহমান, আলহাজ¦ হাবিবুর রহমান, আঃ খালেক, জিল্লুর রহমান,শাহিদুজ্জান খোকা, এলাকার বহু আলেম, হাফেজ, শিক্ষকসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। জানাযা নামাজে ইমামতি করেন বাংলাদেশ আহলে হাদীছ আন্দোলন জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওঃ আলতাফ হোসেন।

#

কুল্যায় নৈশ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

এস কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার কুল্যায় দি নাইট ( নৈশ) ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার রাত ৯ টায় এ খেলা অনুষ্ঠিত। যার এক দিকে প্রতিদ্বন্দিতা করেন কুল্যা গ্রামের সিনিয়ার দল এবং অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দিতা করেন জুনিয়র দল। সিনিয়র দলের অধিনায়ক ছিলেন আব্দুল্যাহ এবং জুনিয়র দলের অধিনায়ক ছিলেন ফয়সাল আহমেদ। কুল্যা গ্রামের যুব মহলের আয়োজনে খেলায় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন উপনির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুল মাজেদ গাজী, ওমর সাকি পলাশ, হাফেজ আশাফুর রহমান, আজিজুর রহমান রাজ, সাংবাদিক জ্বলেমিন হোসেন, শেখ বাদশা, মিজানুর রহমান প্রমুখ। খেলায় ০-১ গোলে সিনিয়র দল জয় লাভ করে। খেলায় রিফারির দায়িত্বে ছিলেন মৃত্যুঞ্জয়। সমগ্র খেলা পরিচালনা করেন ডাঃ এস কে রাজা।

#