আশাশুনি সংবাদ ॥ টেংরাখালী স্কুলে উৎকোচের বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ


399 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ টেংরাখালী স্কুলে  উৎকোচের বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ
সেপ্টেম্বর ১, ২০১৫ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

গোপাল কুমার, আশাশুনি :
আশাশুনির টেংরাখালী আদর্শ শিক্ষা নিকেতনে নি¤œমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে এক ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে ঘুরে জানাগেছে, গত  ৮মে স্কুলে নি¤œমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হলে মোট ১৪জন আবেদন করেন। আবেদন যাচাই বাছাই করে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির আলোচনায় অভিভাবক সদস্য আহাদ মিস্ত্রিকে স্কুলের উন্নয়ন ও মেধা ভিত্তিতে সম্ভব্য প্রার্থীর তালিকা তৈরীর করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সে মোতাবেক আহাদ মিস্ত্রি যদুয়ার ডাঙ্গা গ্রামের গোষ্ট বিহারী সরকার, গৌরঙ্গ সরকার, টেংরাখালী গ্রামের গৌরঙ্গ মন্ডল ও বাবুলালের নাম মৌখিকভাবে প্রস্তাব করেন। কয়েকদিন যেতে না যেতেই আহ্লাদ মিস্ত্রীকে সকল আলোচনা থেকে বিরত রেখে সভাপতি মনোরঞ্জন সরকার ও প্রধান শিক্ষক বিষ্ণুপদ বিশ্বাস যোগসাজসে গোপনে যদুয়ারডাঙ্গা গ্রামের অযোগ্য ও অদক্ষ গৌরঙ্গ সরকারকে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময় নিয়োগ প্রদানের সকল সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত করেন। এমনকি সভাপতি, প্রধান শিক্ষক ও অপর এক সদস্য গোষ্ট বিহারী সানা সহ নিয়োগ বোর্ডে থাকার সিদ্ধান্তও চুড়ান্ত করেছেন।

স্থানীয় সচেতন অভিভাবক ও অন্যান্য শিক্ষকগণ স্কুলের স্বার্থে সভাপতি ও গোষ্ট বিহারীর কাছে মেধাবী ও অভিজ্ঞ প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য দেন দরবার করলে তারা হাকিয়ে দেন। সভাপতি মনোরঞ্জন সরকার ও গোষ্ট বিহারী সানা সোজাসাপ্টা ভাবে বলে দেন গৌরঙ্গ সরকারের নিকট থেকে টাকা নিয়ে পাকা পোক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েগেছে। কিছুই করার নেই, এখন নিয়োগ প্রক্রিয়ার অপেক্ষা মাত্র।

এ ব্যাপারে স্থানীয় সাধারণ অভিভাবক ও সচেতন মহাল  দেঢ় শতাধিক লোকের স্বাক্ষরিত বর্তমান স্বেচ্ছাচারি ও দুর্নীতিবাজ কমিটির অধিনে নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখার আবেদন করেছেন জেলা প্রশাসক সহ শিক্ষা অধিদপ্তরের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট। আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকার গত ২৪ আগষ্ট অভিযোগকারী ও ম্যানেজিং কমিটিকে তার দপ্তরে তদন্তের জন্য উপস্থিত হতে বলেন। উভয় পক্ষ উল্লেখিত দিনে হাজির হলে শুনানী অন্তে তিনি এলাকায় বসে সুরাহ করার পরামর্শ দেন।

গত ২৮ আগষ্ট স্কুলের অফিস রুমে উভয় পক্ষ বসাবসি করলে উৎকোচের বিষয়টি উন্থাপন হওয়া মাত্রই হৈ-হট্টগোলে আলোচনা সভা পন্ড হয়ে যায়। এরই মধ্যে গোপনে সভাপতি, প্রধান শিক্ষক ও সদস্য গোষ্ট বিহারী সানা গোপনে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পায়তারায় মেতে উঠেছেন বলে অভিভাবক সদস্য আহ্লাদ মিস্ত্রি অভিযোগকারী অমল কৃষ্ণ সরকার সহ শত শত অভিভাবক ও সচেতন মহাল এ প্রতিবেদনকে জানান।

এ ব্যাপারে স্কুলের অফিস কক্ষে প্রধান শিক্ষক বিষ্ণুপদ বিশ্বাসকে বিষয় জিজ্ঞাসা করলে তিনি এ প্রতিবেদনকে জানান, উৎকোচের বিষয়টি আমার জানা নেই বা আমি কোন অর্থ নেইনি।  নিয়োগ বোর্ডে স্কুলের পক্ষ থেকে কে কে থাকবে সে বিষয়টি সভাপতি মনোরঞ্জন সরকার আমাকে জানিয়েছে। তবে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহাল জেলা প্রশাসক সহ শিক্ষা দপ্তরের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করায় নিয়োগ প্রক্রিয়া আপাতত বন্ধ রয়েছে।
##

শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই পল্টুর আত্মহত্যা
গোপাল কুমার, আশাশুনি ব্যুরো ঃ
আশাশুনির শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যানের সহোদর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। জানাগেছে উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের বুড়াখারআটি গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আবু বক্কার সিদ্দিকের কনিষ্ঠ পুত্র ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিলের সহোদর নাসির উদ্দীন পল্টু (২৮) সোমবার রাতে প্রতিদিনের ন্যায় তার নিজ ঘরে ঘুমাতে যায়। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে বাড়ীর লোকজন ডাকাডাকি করে কোন সাড়া না পেয়ে কৌশলে ঘরের দরজা খুলেই দেখতে পায় পল্টু আড়ার সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আতœহত্যা করেছে।

থানা পুলিশে খবর দিলে এসআই আওয়াল কবির ঘটনা স্থলে পৌছে পল্টুর ঝুলন্ত লাশ আড়া থেকে খুলে নীচে নামান। সুরোত হাল রিপোর্ট শেষে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন। তবে মৃত্যের কারন সম্পর্কে পরিবারের কেহ কিছুই বলতে না পারলেও সে দীর্ঘদিন লিভার রোগে ভূগছিলেন ও মাদকাসক্ত ছিল বলে তার পরিবার ও এলাকাবাসি সূত্রে জানাগেছে।
##
আশাশুনিতে প্রযুক্তি হস্তান্তর বিষয়ক
কৃষক প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত
আশাশুনি ব্যুরো ঃ
আশাশুনিতে প্রযুক্তি হস্তান্তর বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষন(২য় পর্যায়) অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ সন্মেলন কক্ষে কৃষক রিফ্রেসার্স প্রকল্পের আওতায় ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রশিক্ষনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে আলোচনা রাখেন, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, খুলনা অঞ্চল, খুলনার অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ ভূপেশ কুমার মন্ডল। উপজেলা কৃষি অফিসার সামিউর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে আলোচনা রাখেন, জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. কাজী আব্দুল মান্নান, জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা জিএমএ গফুর, অতিঃউপ-পরিচালক (শষ্য) নুরুল ইসলাম। প্রশিক্ষক হিসাবে ছিলেন, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান ও দীপক কুমার মল্লিক। কারিগরি সহযোগীতায় ছিলেন উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম। প্রশিক্ষনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ৫০জন কৃষক-কৃষানি অংশ গ্রহন করেন।