আশাশুনি সংবাদ ॥ তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা


150 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা
মে ২০, ২০১৯ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস কে হাসান ::

আশাশুনিতে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২০ মে) সকাল ৯.৩০ টায় এতিম ও প্রতিবন্ধি ছেলেমেয়েদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মিলনায়তনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা প্রশাসন আশাশুনি ও তথ্য কমিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে মূল আলোচনা উপস্থাপন করেন, তথ্য কমিশন বাংলাদেশ এর তথ্য কমিশনার নেপাল চন্দ্র সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন, তথ্য কমিশন সচিব মোঃ তৌফিকুল আলম। ‘তথ্য পেলে জনগণ, নিশ্চিত হবে সুশাসন’ শ্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পাপিয়া আক্তার, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসলেমা খাতুন মিলি প্রমুখ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯, দ্যা রাইট টু ইনফরমেশন এ্যাক্ট, ২০০৯, তথ্য অধিকার (তথ্য প্রাপ্তি সংক্রান্ত) বিধিমালা, ২০০৯, তথ্য অধিকার (তথ্য প্রাপ্তি সংক্রান্ত) বিধিমালা, ২০০৯ এর সংশোধনী, তথ্য অধিকার (তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা) প্রবিধানমালা, তথ্য অধিকার (তথ্য প্রকাশ ও প্রচার) প্রবিধানমালা, ২০১০, তথ্য অধিকার (অভিযোগ দায়ের ও নিষ্পত্তি সংক্রান্ত) প্রবিধানমালা, ২০১১ ও স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশ নির্দেশিকাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা উপস্থাপন করেন তথ্য কমিশনার নেপাল চন্দ্র সরকার। সবশেষে অংশগ্রহনকারীদের থেকে লিখিত প্রশ্নোত্তর ও মতামত গ্রহন এবং সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কর্মশালার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

#

বড়দলে অন্যের ভিটেবাড়ির জমির আম গাছ জোরপূর্বক কর্তন

এস কে হাসান ::
আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের ফকরাবাদে অন্যের ভিটেবাড়ির জমির সীমানার ফলযুক্ত আমগাছ জোর পূর্বক কর্তনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার সকালে ফকরাবাদ গ্রামে স্কুল শিক্ষক বলাই কৃষ্ণ মন্ডলের ভিটেবাড়িতে এ ঘটনা ঘটান হয়।
ফকরাবাদ গ্রামের অনন্ত কুমার মন্ডলের পুত্র বড়দল কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষক বলাই কৃষ্ণ মন্ডল দিং বংশ পরম্পরায় দীর্ঘ শতাধিক বছর পূর্ব হতে ফকরাবাদ মৌজায় এসএ খতিয়ান ২৭১, হাল ১০৬ নং খতিয়ানের জমিতে বসবাস করে আসছেন। সেখানে তার নিজের নামে বর্তমান মাঠ জরিপে ১০ শতক জমি রেকর্ড হয়েছে। শরীকের সকলের যাতয়াতের পথ হিসাবে ২ দশমিক ৮৬ শতক পথ রাখা আছে। বাকী জমি হারাহারি মতে ভাগ বাটোয়ারা করে শরীকের সবাই ভোগদখলে থাকা অবস্থায় বলাই কৃষ্ণদের এক শরীক শিব শংকর মন্ডল তার অংশের ১.১২ একর জমি সুব্রত মন্ডলের পিতা সূর্য্যকন্ত মন্ডলের নিকট বিক্রয় করেন। ঐ জমি তারা স্থানিয় গার্লস স্কুলে দান করে দেন। যা স্কুলের নামে রেকর্ড হয়েছে। অপরদিকে বলাই কৃষ্ণ মন্ডলের রেকর্ডীয় ১০ শতক জমির মধ্যে তার দখলে রয়েছে ০৮ দশমিক ৯২ শতাংশ। যে জমিতে তিনি পাকা বিল্ডিং ও সীমানা ঘেরাবেড়া দিয়ে বসবাস করছেন দীর্ঘকাল। কিন্তু সুব্রত মন্ডল কারণে অকারণে এবং শত্রুতা মূলকভাবে শরীকের সকলের ভাগাংশ থেকে নিয়ে দীর্ঘকালের পথের জমি নিজে অংশ হতে দেবেননা, এমন অমূলক দাবী করে বলাইয়ের জমি কম থাকা স্বত্বেও তার সীমানার মধ্যে গিয়ে জবর দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। এনিয়ে থানায় অভিযোগ করা হলে, তৎকালীণ ওসি’র প্রতিনিধি, বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ২৪/১১/১৬ তাং গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে উভয় পক্ষ ও তাদের স্বাক্ষী এবং উপস্থিত ২২ জন ব্যক্তির স্বাক্ষর নিয়ে আপোষ মিমাংসা করে দেন। মীমাংসা পত্রে জনসাধারণের যে যাতয়াতের পথ আছে উক্ত পথ বাদে বাকী জমি হারাহারি মতে সমান অংশে ভাগ বন্টন করা হবে এবং মাপ জরিপের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ও দু’পক্ষের প্রতিনিধি ও থানা প্রতিনিধি সার্ভেয়ার নিয়ে জমি মাপজরিপ করে সুর্য্যকান্ত (অর্থাৎ সুব্রত) কে ১০ দশমিক ২৭ শতক, বলাই মন্ডলকে ০৮ দশমিক ৯২ শতক, গোপাল মন্ডল গংকে ২৪ দশমিক ৪৪ শতক এবং পথ বাবদ ০২ দশমিক ৮৬ শতক জমি দখল বুঝে দেন। প্রাক্তন ইউপি চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সরেজমিন উপস্থিত হয়ে তাদের সীমানা ঠিক রেখে বলাই মন্ডলের সীামানা দিয়ে ঘেরাবেড়ার ব্যবস্থা সম্পন্ন করেন। সেই থেকে ভালভাবে বসবাস চলে আসলেও সোমবার (২০ মে) সুব্রত মন্ডল, তার ভাই দেবব্রত, ভাইপো সুকৃতি এবং ভাড়াটিয়া ঘরজামাই শরিফুলসহ কয়েকজন গুন্ডাপান্ডা নিয়ে বলাইয়ের বাড়িতে অবৈধ প্রবেশ করে সীমানার পাশের একটি ফলযুক্ত আমগাছ কাটা শুরু করেন। গাছের ডাল কেটে সাবাড় করে মূল গাছ কাটতে গেলে, খবর পেয়ে স্কুল থেকে বলাই বাড়িতে ফিরে প্রতিবাদ করলে তারা লাঠিশোটা নিয়ে তাকে মারতে উদ্যত হয়। গুন্ডাসহ তারা তার জীবন নাশের হুমকী ধামকী দিয়ে এক পর্যায়ে কেটে পড়ে। শিক্ষক পরিবারটি চরম অসহায় হয়ে পড়েছেন।

#

বড়দল কলেঃ স্কুলে সম্প্রসারিত ভবনের কাজ উদ্বোধন

এস কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার বড়দল আফতাব উদ্দিন কলেজিয়েট স্কুলের নতুন উর্ধমূখি সম্প্রসারিত ভবনের নির্মান কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২০ মে) বেড ঢালাই কাজের মধ্যদিয়ে কাজ শুরু করা হয়।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এর অর্থায়নে কলেজের উর্ধমূখি সম্প্রসারণ কাজের দ্বিতল ও তৃতীয় তলার কাজ এবং সাথে সাথে মনোরম স্যানিটারী লেট্রিন নির্মান কাজ করা হচ্ছে। ব্যয় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এক কোটি ১৭ লক্ষ টাকা। ঢালাই কাজের মসল্লা ফেলে কাজের শুভ উদ্বোধন করেন, কলেজের অধ্যক্ষ ড. শিহাবদ্দিন। এসময় সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার, ঠিকাদার ও তদারকিতে থাকা ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বিল্ডিংটি নির্মীত হলে কলেজের কক্ষ সংকট কিছুটা নিরসন হবে।

#

বুধহাটায় যাতয়াতের পথ বন্ধ ও ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

এস কে হাসান ::
আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় বাড়িতে যাওয়াতের পথে ঘেরাবেড়া ও ঘরে তালা ঝুলিয়ে বাসিন্দাদের ঘর থেকে পিটিয়ে বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার (২০ মে) বেলা ১১ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বুধহাটা ঋষি পাড়ায় জপমালা রানীর গীর্জায় যাতয়াতসহ মহল্লায় বসবাসকারীদের যাতয়াতের সুবিধার জন্য একটি ইট বিছান/সোলিং রাস্তা রয়েছে। এই রাস্তার পাশে বসবাস করে মৃত অরবিন্দ দাশের পুত্র কেনা দাশ। ঘরজামাই থাকা গোষ্ট উক্ত কেনার বাড়ির পাশে জমি কিনে ঘর করেছে। সেখানে যাতয়াতের জন্য সে কেনার বাড়ির উপর দিয়ে জোরকরে রাস্তা নিতে চায়। না দেওয়ায় গোষ্ট ও তার সহযোগি সত্য, চন্ডি, পঁচন ষড়যন্ত্র শুরু করে কেনার বাড়িতে যাতয়াতের পথে জোরপূর্বক বেড়া দিয়ে পথ বন্ধ করে দেয়। এদিকে প্রভাস ও সত্য দু’জনে একসাথে মদের ব্যবসা করে। প্রভাসকে তার শ^াশুড়ি এপথ থেকে ফিরিয়ে আনতে ঢাকায় পাঠিয়ে দিয়েছে। তার পার্টনার সত্য প্রভাসের কাছে লেনদেন আছে দাবী করে সোমবার বেলা ১১ টার দিকে তাদের বাড়িতে যায়। প্রভাসকে না পেয়ে তার শ^াশুড়ি ও ৩ কন্যাকে তাদের ঘর থেকে বের করে দেয়। পরে তাদরেকে মারপিট করে ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেয়। বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান আ ব ম মোছাদ্দেককে অবহিত করলে তিনি গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে পথের ঘেরা ভেঙ্গে ও ঘরের তালা খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। গ্রাম পুলিশ চলে যাওয়ার পর গোষ্ট ও তার সহযোগিরা পুনরায় তাদেরকে হুমকী ধামকী দিয়ে চলেছে। এব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

#

আশাশুনিতে পুলিশী অভিযানে গ্রেফতার- ১

এস কে হাসান ::

আশাশুনি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারী পরোয়ানর এক পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করেছে। আসামীকে সোমবার সকালে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমান (বিপিএম) এর দিক নির্দেশনায় আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথের নেতৃত্বে এএসআই মোকাদ্দেস হোসেন ননজিআর-৬৪/১৩ (সাতঃ) (ওয়ারেন্ট) এর আসামী প্রতাপনগর গ্রামের সামসুর রহমানের পুত্র শাহজাহানকে তার নিজ বাড়ী হতে গ্রেফতার করেন।

#