আশাশুনি সংবাদ ॥ তালবাড়িয়া প্রাইমারী স্কুল নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত


107 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ তালবাড়িয়া প্রাইমারী স্কুল নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত
আগস্ট ২১, ২০১৯ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের ১১৭ নং তালবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নানবিধ সমস্যা জর্জরিত হয়ে পড়ায় স্কুল পরিচালনা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। নতুন বিল্ডিং (সাইক্লোন শেল্টার কাম স্কুল ভবন) নির্মানের জন্য এলাকাবাসী উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তালবাড়িয়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসাবে স্কুলটি ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এলাকার মানুষের সহযোগিতায় বাঁশের খুঁটির উপর ছাউনি দিয়ে ঘর নির্মান করে কোন রকমে ক্লাশ পরিচালনা কওে আসা হচ্ছিল। স্কুলের অবস্থান সন্তোষ জনক হওয়ায় সরকার ২০০০ সালে ৩টি শ্রেণি কক্ষ ও একটি অফিস কক্ষ সম্বলিত একতলা বিল্ডিং এর ভবন নির্মান করে দেয়। সেখানেই স্কুল চলে আসছে। কক্ষ সংকটের কারনে দুই শিফটে স্কুল বসে আসছে। এতে সংকট কিছুটা কমলেও একটি শ্রেণির জন্য কোন কক্ষ অবশিষ্ট না থাকায় বিকল্প ভাবে ক্লাশ পরিচালনা করা হচ্ছে। ১/১/২০১৩ সালে স্কুলটি সরকারিকরণ করা হয়। কিন্তু ক্লাশ রুম সংকটের কোন সুরাহা এখনো করা হয়নি। এদিকে ২০০০ সালে নির্মীত ভবনটির ছাদের পলেস্তারা খসে পড়া, দরজা জানালা নষ্ট হয়ে যাওয়াসহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়লে সেটি ২ বছর আগে সংস্কারের মাধমে কোন রকমে টিকিয়ে রাখা হয়েছে। এতকিছুর পরও বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান মোটামুটি ভাল। বিদ্যালয়ের শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার হার বরাবরই ১০০%। তবে বিদ্যালয়ের সামনের মাঠটি বছরের বেশীর ভাগ সময় পানিয়ে তলিয়ে থাকে। খেলাধুলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে আছে। স্কুলে যাতয়াতেও বিকল্প পথ দিয়ে যাতয়াত করতে হয়। ভারি বৃষ্টি হলে খাল বিলের মধ্যেও এই স্কুলটি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। স্কুলের করুন অবস্থার কারণে অভিভাকরা তাদেও সন্তানকে এ স্কুলে পাঠাতে চাননা। ফলে স্কুলের শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। এছাড়া টয়লেট ব্যবস্থায় সমস্যা রয়েছে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য মাত্র একটিই টয়লেট রয়েছে। টিউবওয়েল ব্যবস্থা নেই। রেইন ওয়াটার হারবেষ্টিং এর মাধ্যমে খাবার পানির ব্যবস্থা করতে হয়। সবদিক মিলে স্কুলের অবস্থা করুন হলেও সমস্যা সমাধানে দীর্ঘসূত্রিতা সকলকে ভাবিয়ে তুলেছে। দ্রুত স্কুলকে এগিয়ে নিতে সাইক্লোন শেল্টার কাম স্কুল বিল্ডিং নির্মান ব্যবস্থা করা খুবই প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। বিষয়টি আমলে নিয়ে সাইক্লোন শেল্টার, মাঠ ভরাট, ল্যাট্রিন ব্যবস্থা, সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কমনা করেছেন অভিভাকমহলসহ এলাকাবাসী।

#

যদুয়ারডাঙ্গা স্কুলে অভিভাবক মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের যদুয়ারডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২১ আগষ্ট) বিকালে স্কুল হল রুমে এ মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এসএমসি সভাপতি দিপংকর কুমার সরকারের সভাপতিত্বে সভায় কমিটির সেক্রেটারী ও ইউপি সদস্য অমৃত সানা, সদস্য আহ্লাদ মিস্ত্রী, রঞ্জন সরকার, গীতা রায়, ভানুমতি সরকার এবং প্রধান শিক্ষক তাপসী সরকার, শিক্ষক পার্থ প্রতীম সরকার, দেবব্রত বিশ^াস, সুমিত্রা রানী, নমিতা রায় প্রমুখ আলোচনা রাখেন। সভায় শিক্ষার মান উন্নয়ন ও স্কুলের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়।

#

শোভনালীর বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তানভীর প্রতিবন্ধী কার্ড চায়

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নে শোভনালী গ্রামের তানভীর হোসেন (০৯) একজন বাকপ্রতিবন্ধী। ৯ বছর বয়সে সে পিতামাতার কাঁধে ভার হয়ে বসে আসে। অসহায় পিতামাতা তাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন। সরকার প্রতিবন্ধীদের জন্য সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু তাকে প্রতিবন্ধী কার্ড দিয়ে সে সহযোগিতা করা হয়নি।
শোভনালী গ্রামের মোঃ রবিউল ইসলামের ছেলে তানভীর হোসেন জন্মগত ভাবে বাকপ্রতিবন্ধী। সে জন্মথেকে কথা বলতে পারে না । বয়স ৯ বছর। তথাপি আজ পর্যন্ত তার একটি প্রতিবন্ধী-কার্ড হয়নি। এলাকার মেম্বরকে বার বার অবহিত করলেও এপর্যন্ত কোন কাজ হয়নি। তার পক্ষে এই দুনিয়ায় তদবীর করার কেউ নেই। তাই এ অবস্থায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তানভীর হোসেন প্রতিবন্ধী-স্বীকৃতি পেলে এবং এর মাধ্যমে প্রতিবদ্ধী-ভাতা পেলে, অসহায় পরিবারটি আর্থিকভাবে অন্তত কিছুটা স্বস্তি পাবে বলে সচেতন মহলের দাবী।