আশাশুনি সংবাদ ॥ তুয়ারডাঙ্গা স্কুলে দাতা সদস্য নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ


386 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ তুয়ারডাঙ্গা স্কুলে দাতা সদস্য নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ
নভেম্বর ২৪, ২০১৮ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,কে হাসান ::
আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের তুয়ারডাঙ্গা এইচ এফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দাতা সদস্য নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে প্রতিকার প্রার্থনা করে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
তুয়ারডাঙ্গা গ্রামের সালেক মোল্যার পুত্র মোরতাজুল ইসলাম কর্তৃক বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগে জানাগেছে, উক্ত বিদ্যালয়ে স্কুল পরিচালনা কমিটি গঠনের লক্ষ্যে দাতা সদস্য নির্বাচনের কার্যক্রম চলছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েব পেজে “বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলি” শিরোনামে বিজ্ঞপ্তিতে আছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি অধ্যাদেশ-২০০৯ (২০০৯ সনের ১নং অধ্যাদেশ) এ বলা হয়েছে, –পরিচালনা কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণের অন্ততঃ ১৮০ দিন পূর্বে — এককালীন ৫০,০০০ টাকা দান করতে হবে। এবং রাষ্ট্রের ধ্বংসাত্মক কোন কাজে অংশগ্রহণ করেন বা সহায়তা করেন এমন ব্যক্তি অযোগ্য। কিন্তু দাতা সদস্যদের নিকট থেকে নিয়ম অমান্য করে মাত্র ২০ হাজার টাকা দান নেওয়া হয়েছে। এছাড়া দাতা সদস্য মৃত দেছার উদ্দীন সরদারের পুত্র মোঃ নাসির উদ্দীন সরদার যুদ্ধাপরাধী মামলা (নং- ৫ তাং- ১৪/০৮/০৯) এর ২ নং আসামী হওয়া স্বত্তেও তাকে দাতা সদস্য হিসাবে নির্বাচন করা হয়েছে। এলাকায় স্বীকৃত যুদ্ধাপরাধী ও যুদ্ধাপরাধী মামলার আসামীকে দাতা সদস্য না করার জন্য অভিযোগ করার পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বললেও তাকে বাদ না দেওয়ায় বাদীসহ এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ বাকী বিল্লাহ জানান, মামলা বিচারাধীন রয়েছে। নির্বাচনী বোড কিংবা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
##

বড়দলে প্রতিবন্ধীকে না দিয়ে একই পরিবারের ৪ জনকে জমি ইজারা
এস,কে হাসান ::
আশাশুনি উপজেলার বড়দলে নিয়ম নীতিকে তুয়াক্কা না করে একজন প্রতিবন্ধিকে না দিয়ে একই পরিবারের ৪ জনকে খাস জমি একসনা বন্দোবস্ত দেওয়ার ঘটনায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বড়দল মৌজায় ১ নং খাস খতিয়ানভুক্ত ১১১৯ দাগে ২.০০ একর জমি রয়েছে। উক্ত জমি বড়দল গ্রামের মৃত অনিল বিশ^াসের পুত্র ব্র্যাক অফিসার শিবপদ বিশ^াস, কৃষ্ণপদ ও রামপদ বিশ^াস এবং কৃষ্ণপদ’র স্ত্রী অনিতা রানীকে ১৪২৪ সনের জন্য একসনা বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে। এরআগেও তাদেরকে ইজারা প্রদান করা হয়েছিল। একই পরিবারের ৪ জনকে একসাথে বন্দোবস্ত দেওয়ার বিধান না থাকলেও সরকারি নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে বছরের পর বছর বন্দোবস্ত দেওয়া হয়ে আসছে। অথচ তাদের বাড়ির পাশে পিতৃহীন (মৃত সুধান্য ঢালীর পুত্র) প্রতিবন্ধী উত্তম ঢালীকে ইজারা দেওয়া হয়নি। ইজারা বঞ্চিত উত্তম ঢালী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাঃ) আদালতে বাদী হয়ে অভিযোগ করলে ১৩/০৩/১৮ তাং ইউএনও আশাশুনিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন। দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে বড়দল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রণজিৎ কুমার মন্ডল সরেজমিন তদন্তকালে অভিযোগের সত্যতা মিললে তিনি ১৫/০৪/১৮ তাং তদন্ত প্রতিবেদন প্রদান করেন। যাতে “তাদের নামে যে ইজারা প্রদান করা হয়েছে যাহা আইন সংগত হয় নাই” বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এব্যাপারে অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন ও প্রতিবন্ধীকে ইজারা প্রদানের জন্য এলাকাবাসী জোর দাবি জানিয়েছে।
##