আশাশুনি সংবাদ ॥ পঙ্গু ভিক্ষুক ধীরেন মন্ডলের দুর্গতির শেষ কোথায় ?


521 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ পঙ্গু ভিক্ষুক ধীরেন মন্ডলের দুর্গতির শেষ কোথায় ?
আগস্ট ২৬, ২০১৮ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

*সব কিছু হারিয়ে এখন পথে পথে ঘুরছে ধীরেন মন্ডল,দেখার কেও নেই !

এস,কে হাসান ::
হতদরিদ্র সহায় সম্বলহীন পঙ্গু ধীরেন মন্ডল সব কিছু হারিয়ে এখন পথে পথে ঘুরছে। মাথা গুজার জন্য নিজের একখন্ড জমি না থাকায় ভাইপোর জমিরে এককোনে ছোট্ট ঘরে ঠাই হয়েছে তার। বিগত ৭ বছরের একদিনও তার ঘরে কোন রান্নাবান্নার সুযোগ হয়নি। খেয়ে না খেয়ে ভিক্ষের জন্য পথে পথে ঘুরে বেড়ান তিনি।

আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের (হামকুড়া) কচুয়া গ্রামের মৃত মঙ্গল মন্ডলের পুত্র ধীরেন মন্ডল। বয়স ৮০। তার কোন সন্তান নেই, নেই কোন আয়ের উৎস। তাই ভিক্ষে করে দিনযান করতে হয় তাকে। প্রতিদিন সকালে দুটি লাঠিতে ভর করে কাদকাটি বাজার হতে ভিক্ষে শুরু করেন তিনি। বেশী পথ চলার ক্ষমতা নেই তার। প্রতিদিন একই ব্যক্তিকে আর কতজন ভিক্ষে দিতে পারে। অসহায় ধীরেন কাঁদকাদ ভাঙ্গা স্বরে বলেন, “শুনিছি সরকার বয়সকোর ভাতা দিছে। কোই, মেম্বর চেয়ারম্যানকো কাছে গেতো ভাতা পালাম ন্্া। আমি ভিক্ষে করে খাই, তাও টেহা দিমু যদি যদি একটা ভাতা কাড পাইতাম ? বড্ড কষ্টে আছি। সব রাত কানতে কানতে শেষ হোয়ে যায়। জগতে কি কোন মানুষ নেহি আমারে দেখতে পারে?” তার প্রশ্ন ও আক্ষেপের জবাব দেওয়ার ভাষা কারো নেই। অনেকে শান্তনার বাণী শুনিয়ে তাকে বিদায় দিয়ে থাকেন।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন সকালে ধীরেন দা দুটি লাঠি নিয়ে বাজারে যায়। যাকে পায় তার কাছে গিয়ে বলে, বাবা বড় কষ্টে আছি দ্ওেনা কিছু একটু পানি খাই। যদি কোন মানুষ দয়া করে কিছু দিলে তাই খায়। না দিলে অন্যজনের কাছে গিয়ে ভিক্ষে কামনা করে। পঙ্গু ধীরেনের ১ কিলো মিটার পথ যেতে লাগে কমপক্ষে ২ঘন্টা। ধীরেন মন্ডল জানান, সরকারি কোন সুযোগ সুবিধা তিনি পাননি। এমনকি ঈদের ১০ কেজি কিংবা ২০ কেজি চাউলও তার ভাগ্যে জোটেনি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এক সময় তার নামে খবরে কাগজে খরব হয়ছিলো। উপজেলা কর্মকর্তারা তাকে খোজ নিয়াছিলেন। কিন্তু কিছুই দেওয়া হয়নি। তার স্ত্রী সতিরানী মারা গেছেন প্রায় ৭ বছর আগে। সেই থেকে তাার ঘরে কোন দিন আগুন জ্বলেনি। বাকী জীবনে জ¦লবে কিনা তিনি জানেননা। অসহায় ধীরেনের শেষ জীবনে একটু শান্তি ফিরিয়ে দিতে সরকারি ভাবে, কিংবা কোন এনজিও বা সমাজের ধণি মানুষেরা এগিয়ে আসবেন কি?

##

বুধহাটা বাজারে আবারও দুঃসাহসিক চুরি

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাজারে আবারও চুরির ঘটনা ঘটেছে। ছিচকে চোরের উপদ্রবে ব্যবসায়ীদের মধ্যে হতাশার সষ্টি হয়েছে।
বাজারের মেইন সড়কের পাশে গাজী মার্কেটের পাশে আলমগীর হোসেনের “খাদিজা টি স্টোর” অবস্থিত। পবিত্র ঈদ-উল-আযহার দিন টি স্টোরের মালিক আলমগীর দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান। শরীর অসুস্থ থাকায় আর দোকানে ফিরে আসেননি। বুধবার রাতে চোরেরা দোকানের সামনের দরজা (ঝাপ) এর তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে নগদ টাকা এবং মূল্যবান সিগারেট ও চা-জর্দ্দা চুরি করে নিয়ে যায়। যার মূল্য অনুমান ২০ হাজার টাকা। পরদিন ভোরে স্থানীয়রা ঝাপ খোলা দেখে মোবাইলে খবর দিলে আলমগীর দোকানে গিয়ে দেখেন মালামাল চুরি হয়ে গেছে। ইতিপূর্বে বাজারের মেইন রোডে মাওলানা স্টোরের বড় ধরনের চুরি এবং রাজা স্টোর, গাজী মার্কেটের ছামাদ ও মোত্তাজুলের দোকানসহ অনেক দোকানে ছোটখাট চুরির ঘটনা ঘটেছে। ব্যবাসয়ীরা জানান, মাদকসেবী এবং চুরি কারবারের সাথে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ চোরের দল নিয়মিত চুরির ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে। বাজার সংশ্লিষ্ট এলাকার ছিচকে চোর ও মাদকসেবীদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হলে চুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে। আইন শৃংখলা বাহিনীর কাছে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য ব্যবসায়ীরা জোর দাবি জানিয়েছে।
##

আশাশুনিতে গ্রেফতারী পরোয়ানার দুই আসামী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
আশাশুনি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারী পরোয়ানার দুই পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের রবিবার আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) বিপ্লব কুমার দেবনাথের নির্দেশনা মত এএসআই মাহবুব হাসান অভিযান চালিয়ে জিআর ১০৯/০৮ এর আসামী বুধহাটা গ্রামের ইব্রাহিম সরদারের পুত্র রুহুল কুদ্ধুছ সরদারকে গ্রেফতার করেন। এএসআই মাহবুব পৃথক অভিযানে সিআর ১৫৫/১৮ এর আসামী শাহজাহান সরদারের পুত্র মইনুল ইসলামকে গ্রেফতার করেন।
##

শ্বেতপুরে ভুড়ি ও দাড়ি দলের ফুটবল খেলা

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের শে^তপুরে মেদ-ভুড়ি ও দাড়িওয়ালা ফুটবল একাদশের মধ্যে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকালে শে^তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
অনির্বান যুব সংসদের আয়োজেন তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলায় দাড়ি ওয়ালা দল ২-০ গোলের ব্যবধানে মেদভুড়ি ফুটবল একাদশ দলকে পরাজিত করে। খেলা পরিচালনা করেন ইউনুছ আলি। সহকারী রেফারী ছিলেন শফিকুল ইসলাম ও ইকবাল হোসেন।
##

কাদাকাটিতে ফুটবল টুর্ণামেন্টে টেংরাখালী চ্যাম্পিয়ন

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটিতে অনুষ্ঠিত ১৬ দলীয় নক আউট ফুটবল টুর্ণামেন্টে টেংরাখালী ইয়াং স্টার ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। রবিবার বিকালে কাদাকাটি দঃ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
চাঁদের হাঁসি স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলায় টেংরাখালী ইয়াং স্টার ক্লাব ও কাদাকাটি দঃ পাড়া ফুটবল একাদশ মুখোমুখি হয়। খেলায় টেংরাখালী দল ৩-২ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করে। রেফারী ছিলেন প্রসেনজিৎ সরকার। সহকারী রেফারী ছিলেন বিপুল সরকার ও পবিত্র সরকার। কাদাকাটি আরার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবঃ প্রধান শিক্ষক দিলিপ মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান দিপংকর কুমার সরকার দীপ। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা মেম্বার শাশ^তী রানী সরকার, মেম্বার অমৃত সানা, সাবেক মেম্বার সুভাষ মন্ডল প্রমুখ। চ্যাম্পিয়ন দলকে একটি ফ্রিজ ও রানার আপ দলকে মনিটর দেওয়া হয়।
##

আশাশুনির শ্বেতপুরে সন্ত্রাসী স্টাইলে ৩ জনকে জখম
নিজস্ব প্রতিনিধি ::
আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের শ্বেতপুর গ্রামে ঈদের পরের দিন প্রকাশ্য দিবালোকে বাড়িতে ঢুকে সন্ত্রাসী স্টাইলে ৩ জনকে জখম করা হয়েছে। জখমিদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত নজরুল ইসলাম জানান, শে^তপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ সাত্তারের পুত্র নজরুল ইসলাম (তিনি) ঢাকায় ব্যবসা করেন। ঈদের ছুটিতে তিনি বাড়িতে এসেছেন। একই গ্রামের আঃ গফুর সরদারের পুত্র কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী অমেদ আলি ও আঃ সামাদ এবং তাদের ভাই জহিরুল বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া নিয়ে তার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ছাত্রলীগ নেতা জহিরুল চরম আপত্তিকর ও আক্রমনমূখর হয়ে উঠলে লোকজন তাদেরকে সিরাজুল দর্জির বাড়িতে সরিয়ে নেন। তখন জহিরুল, অমেদ ও সামাদ রড, পাইপ, কোপা নিয়ে সন্ত্রাসী স্টাইলে সিরাজুলের বাড়িতে ঢুকে তাদেরকে নির্মমভাবে মারপিট করেন। আক্রান্তদের (নজরুল দিং) অবস্থা বেগতিক দেখে হুমকী ধামকী দিয়ে তারা চলে যায়। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। ইউপি সদস্য রেজওয়ান আলি ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ইয়াবা, ফেন্সিডিল, গাঁজাসহ মাদকদ্রব্যের ব্যবসা ও মাদকের আসর বসিয়ে এলাকাকে অশান্ত ও সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া অমেদ ও সামাদ এলাকার মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত। একাধিকবার পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের লোকজন তাকে গ্রেফতার করলেও তাদেরকে মাদকের কারবার প্রতিহত করা যায়নি। বরং মাদকের কারবার ও মাদকের আসর বসিয়ে ব্যবসায়িক রাজত্ব কায়েম করেছেন তারা। তাদের অত্যাচার ও অনাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছেন। এব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
##

মাদারবাড়ীয়া সুবুজ সংঘের সিমাই চিনি বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের মাদারবাড়ীয়া সবুজ সংর্ঘের পক্ষ থেকে ঈদুল আযহা উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে সিমাই ও চিনি বিতরন করা হয়েছে । মঙ্গলবার বিকালে সবুজ সংর্ঘের নিজস্ব কার্যালয়ে ৫০ থেকে ৬০ পরিবারের মাঝে এ সিমাই চিনি বিতরন করেন কøাবের সভাপতি ও সাবেক সেনা সদস্য রবিউল ইসলাম বাদশা । এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা তারিকুল ইসলাম,মিনহাজ¦ উদ্দিন,আইনুল হক,আমিনুর রহমান,মিলন মিয়া ,ছদর উদ্দিন আহম্মেদ প্রমুখ।
##