আশাশুনি সংবাদ ॥ প্রাইমারী স্কুলে কাবিখার নাম ফলক স্কুলের কাজে ব্যবহার !


354 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥  প্রাইমারী স্কুলে কাবিখার নাম ফলক স্কুলের কাজে ব্যবহার !
নভেম্বর ৩, ২০১৫ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

 

এস,কে হাসান :
আশাশুনির মহিষাডাঙ্গায় এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কাবিখা’র কাজে ব্যবহৃত নাম ফলক নিয়ে স্কুলের নাম ফলক হিসাবে ব্যবহার করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের উত্তর মহিষাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঙ্গল চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারীসহ নানান অভিযোগ রয়েছে। এনিয়ে উদ্ধৃতন কর্তৃপক্ষ তিন বার তদন্ত করেছেন। সবশেষে তিনি মহিষাডাঙ্গা গ্রামে কাবিখার কাজের জন্য ব্যবহৃত একটি বড় আকারের সাইন বোর্ড খুলে নিয়ে তাতে রঙ করে স্কুলের নাম পরিচয় লিখে টানিয়ে দিয়েছেন।

সাইন বোর্ডের সরঞ্জাম না কিনে এবং স্থানীয় অসীম সরকারের কাছ থেকে কেবল মাত্র রঙ করা ও লেখার কাজ করিয়ে নিয়ে ৫ হাজার টাকা খরচ দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। খরচের টাকা স্লিপের টাকা থেকে পরিশোধ দেখানো হয়েছে। এব্যাপারে উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত পূর্বক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য এরাকাবাসী জোর দাবী জানিয়েছেন। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক কাবিখার সাইনবোর্ড খুলে নেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, সাইনবোর্ডটি নষ্ট হয়ে গেলে ইউপি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে স্কুলের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। খরচ হয়েছে ৪ হাজার তিন শত টাকা। উপজেলা শিক্ষা অফিসার জামাল উদ্দিন চৌধুরী জানান, টিন দিয়ে সাইনবোর্ড করা হলে দুই/আড়াই হাজার টাকা খরচ হতে পারে। এব্যাপারে তার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি বলে তিনি জানান।
##

আশাশুনির খরিয়াটিতে যুবকের বিষপানে
আত্মহত্যা
বুধহাটা প্রতিনিধি :
দরগাহপুর ইউনিয়নের খরিয়াটি গ্রামে আলমদ্দিন নামে যুবক বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে।
আঃ জব্বার গাজীর পুত্র আলমদ্দিন (২৩) সোমবার দিবাগত রাতে বিষপান করেন। ভোর ৫ টার দিকে বিষয়টি জানাজানি হলে মুখ দিয়ে বিষ বের করার চেষ্টা করা হলেও ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এসআই মোজাফফর আহম্মেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় ইউপি চেয়ারম্যান সএএম জমির উদ্দিন, মেম্বার মাহবুবর রহমান, ইউনিয়ন আ’লগি সেক্রেটারী শেখ শামিনুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এদিন বিকাল ৩.৩০ টায় নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।