আশাশুনি সংবাদ ॥ ফলজ বৃক্ষমেলার উদ্বোধন


138 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ ফলজ বৃক্ষমেলার উদ্বোধন
আগস্ট ২০, ২০১৯ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,কে হাসান ::

আশাশুনিতে বৃক্ষরোপন পক্ষ ও ফলজ বৃক্ষ মেলা- ২০১৯ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ আগষ্ট) সকালে আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে মেলার শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আশাশুনির ব্যবস্থাপনায় উপজেলা মেলা বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালটি বিভিন্ন সড়ক ও বাজার প্রদক্ষিণ শেষে সদর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাজিবুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে মেলার শুভ উদ্বোধন করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা দিপক কুমার মল্লিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ও অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) পাপিয়া আক্তার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসলেমা খাতুন মিলি, সদর ইউপি চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলন, সিনিঃ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, পিআইও সোহাগ খান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জি এম অলিউর রহমান, এসআই ফণি ভুষণ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা সেলিম, ওয়ার্ল্ড ভিশন আশাশুনি এপি’র প্রোগ্রাম অফিসার মিলিতা সরকার। সবশেষে “পরিকল্পিত ফল চাষ, যোগাবে পুষ্টি সম্মত খাবার” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ৩ দিনের ফলজ বৃক্ষ মেলায় স্থাপিত ৩১ টি স্টল ঘুরে ঘুরে দেখেন অতিথিবর্গ। এরআগে পরিষদ চত্বরে দু’টি বৃক্ষ রোপন করেন প্রধান অতিথিসহ অতিথিবর্গ। ২৩ আগষ্ট পর্যন্ত মেলায় বিভিন্ন প্রজাতের বৃক্ষ কলম ও চারা বিক্রয় করা হবে।

#

আশাশুনিতে আইয়িালের ভেড়া বিতরণ

এস,কে হাসান ::

আশাশুনিতে এনজিও আইডিয়ালের উদ্যোগে উপকারভোগিদের মাঝে বিনামূল্যে ভেড়া বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল আইডিয়াল আশাশুনি অফিস চত্বরে এ বিতরণ অনুষ্ঠান করা হয়।
বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় আইডিয়ালের বাস্তবায়নে ভেড়া পালনের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন ও হতদরিদ্র পরিবারের টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পের আওয়তায় উপকারভোগিদের মাঝে ভেড়া বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা। বিশেষ অতিথি ছিলেন, আরডিও বিশ^জিৎ ঘোষ। এসময় প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর এস এম মিজানুর রহমান, এরিয়া অফিসার প্রযতি সরকার, শাখা ব্যবস্থাপক শাহাবউদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ২৮টি উপকারভোগি হত দরিদ্র পরিবারকে ২টি করে ৫৬ টি ভেড়া প্রদান করা হয়।

#

আশাশুনিতে আনসার ভিডিপি কমান্ডার নিয়োগ নিয়ে ধুম্রজাল

এস,কে হাসান ::

আশাশুনিতে আনসার ভিডিপি অফিসে কমান্ডার নিয়োগ নিয়ে ধু¤্রজাল সৃষ্ট্রি অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মেহরাব হোসেন ও প্রার্থী রাবেয়া খাতুন জানান, উপজেলা সহকারী মহিলা কমান্ডার ও প্লাটুন (মহিলা) কমান্ডার পদে নিয়োগের জন্য গত বছরের অক্টোবর মাসে প্রচার দেওয়া হলে, আমিরুল ইসলামের স্ত্রী মারুফা ও কামরুল ইসলামের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন দরখাস্ত করেন। এসময় মারুফা অপর প্রার্থী রাবেয়ার সনদপত্র জাল বলে অভিযোগ করলে জেলা এ্যাডজুট্যান্ট বিষয়টি অধিকতর তদন্ত করে অভিযোগ মিথ্যা প্রমানিত হয়। উভয় পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা ৮ম শ্রেণি পাশ এবং ভিডিপি সনদ থাকা প্রয়োজন। তখন উভয়ের কাগজপত্র ও শারিকীক যোগ্যতা বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষ যথা নিয়মে রাবেয়াকে কমান্ডার ও মারুফাকে সহকারী কমান্ডার পদে নিয়োগ প্রদান করেন। ইতিমধ্যে তারা ৬ মাসের ভাতাও পেয়েছেন। কিন্তু মারুফা খাতুন উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর রাবেয়ার বিরুদ্ধে জাল সনদ ও উৎকোচের বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগ এনে আবেদন ও বিভিন্ন পত্রিকায় নিউজ করিয়ে বিষয়িটি নিয়ে ধু¤্রজালের সৃষ্টির চেষ্টা করেন। অযোগ্যকে নিয়োগ দেওয়া, জাল সনদ দেখিয়ে নিয়োগ পাওয়া ও উৎকোচের যে অভিযোগ করা হয়েছে তার কোন ভিত্তি নেই। তারা উক্ত অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

মিটার দেওয়ার নামে টাকা আদায়
কুল্যায় ইলেক্ট্রিশিায়ান এখন পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা !

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার কুল্যায় ইলেক্ট্রিশিয়ান এখন পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তার দায়িত্বে নেমেছেন। নিজেকে সকল ক্ষমতার অধিকারী পরিচয় দিয়ে মিটার দেওয়ার নাম করে প্রত্যেকের নিকট থেকে ১০০০ টাকা করে আদায় করছেন ইলেক্ট্রিশিয়ান মনিরুল, মুক্তাজুল ও বাবুলাল।
কুল্যা ইউনিয়নের পুরোহিতপুর গ্রামের ৩ শতাধিক পরিবার এখনো বিদ্যুতের ছোয়া পাননি। এনিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগে আবেদন করার পর বিদ্যুৎ বিভাগ মাপ জরিপ করে ইতিমধ্যে বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপন করেছে। এসুযোগে ইলেক্ট্রিশিয়ান কচুয়া গ্রামের মনিরুল এবং তার সহযোগি মহাজনপুর গ্রামের মোত্তাজুল ও বাবুলাল মিটার পাইয়ে দেওয়া, ওয়াইরিং করা বাবদ প্রত্যেকের নিক থেকে ১০০০ টাকা করে আদায় করছেন। যেখানে মিটার বাবদ (সদস্য ফিসহ) ৪৫০ টাকা ও ওয়ায়েরিং খরচ ২০০ টাকা লাগার কথা এবং টাকা প্রত্যেক গ্রাহককে স্ব স্ব নামে জমা দেওয়ার কথা। সেখানে অতিরিক্ত ৩৫০ টাকাসহ অবৈধ ভাবে টাকা আদায় করা হচ্ছে। এভাবে তারাসহ উপজেলার কোন কোন এলাকায় সরকার ও বিদ্যুৎ বিভাগের নিয়ম লংঘন করে বিদ্যুতের নামে টাকা আদায়ের ঘটনায় জনমনে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী ঘটনাস্থলে গেলে মনিরুল ও মোত্তাজুল ১০০০ টাকা করে আদায় করার কথা স্বীকার করেন।
বিদ্যুৎ বিভাগের দুর্নীতি ও অনিয়মের ব্যাপারে কড়াকড়ি থাকলেও কিভাবে বিদ্যুৎ বিভাগের অনুমোদিত ইলেক্ট্রিশিয়ান মিটার ও লাইন সংযোগের নামে চাঁদাবাজী ও অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে খতিয়ে দেখার জন্য এলাকাবাসী জোরদাবী জানিয়েছেন। পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি আশাশুনি সাব জোনাল অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন, টাকা আদায়ের কোন নিয়ম নেই। যে টাকা আদায় করছে তাকে বেধে থানায় দিতে আহবান জানিয়ে তিনি সকলকে তাদের (বিদ্যুৎ বিভাগ) সাথে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানান।

#

আশাশুনিতে প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের ৩ জন আহত

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়ায় আ’লীগ নেতার ইজারাকৃত জমি জবর-দখলে বাঁধা দেয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের তিনজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ আগষ্ট) সকালে এ ঘটনা ঘটে।
থানায় লিখিত অভিযোগে ও হাসপাতালে ভর্তি মমতাজ বেগম জানান, ১৯৭৬ সাল হতে অদ্যবদি আনুলিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি মধ্যম একসরা গ্রামের মৃত. আছির উদ্দীন শিকারীর পুত্র দবির উদ্দীন শিকারী (৫৮) একসরা মৌজায় ভিপি ৪৩/৯৬ নং মামলার হাল ১২২ নং খতিয়ানের ১৪১০ নং দাগে ১.০৮ একর জমির মধ্যে ৬৬ শতক জমি ইজারা নিয়েছেন। তিনি ১৯৯৬ সাল হতে ইজারা মূলে শান্তিপূর্ণভাবে উক্ত জমিতে ভোগ দখলে আছেন। চলতি বছরে অজ্ঞাত কারনে ইজারা নবায়ন না হলে আবেদনসহ ইজারার মূল্য সহকারি কমিশনার (ভূমি) অফিসে জমা দেয়া রয়েছে। যাহা ইজারা প্রদানে প্রক্রিয়াধিন রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ঐ জমির উপর নজর পড়ে পার্শ্ববর্তী শওকত সানার। সে প্রায়ই জমি জবর-দখলের জন্য পায়তারা চালাতে থাকে। মঙ্গলবার (২০ আগষ্ট) সকাল ৯ টার দিকে দবির উদ্দীন শিকারীর স্ত্রী মমতাজ বেগম (৪৫), কন্যা ফতেমা খাতুন (২৫) বড় ভাইয়ের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন (৪৭) চাষাবাদ শেষে ঘাস বাছার কাজ করছিল। এ সময় পাশ্ববর্তী নূর ইসলাম সানার পুত্র শওকত হোসেনের নেতৃত্বে আবু সাদেক শিকারী, আব্দুস সামাদ গাজী, হাসান সানা, বাচ্চু শিকারী ও সালাম কারিকর দা, শাবল, লোহার পাইপ ও লাঠি সোটা নিয়ে দলবদ্ধ হয়ে জমিতে প্রবেশ করে এবং সন্ত্রাসী স্টাইলে জবর-দখলের চেষ্টা, হুমকি-ধামকি ও জমি ছেড়ে চলে যেতে বলে। মমতাজ বেগমরা মৌখিকভাবে বাঁধার সৃষ্টি করলে প্রতিপক্ষ তারদের উপর হামলা চালিয়ে বে-পরোয়া মারপিট ও দায়ের কোপ দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তাদের ডাকচিৎকারে পাশ্ববর্তী লোকজন ছুটে এসে গুরুতর আহত মমতাজ বেগম ও ফতেমা বেগমকে আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি করে এবং আনোয়ারা খাতুন স্থানীয় ডাক্তার দেখিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ী গেছে। এ ব্যাপারে দবির উদ্দীন শিকারী বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় লিখিত এজাহার জমা দিয়েছেন।

#

আশাশুনি সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটির সভা

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সোমবার এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজার সভাপতিত্বে সভায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) পাপিয়া আক্তার, পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মোঃ আব্দুস সালাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসলেমা খাতুন মিলি, ইউপি চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলন, প্রভাষক ম মোনায়েম হোসেন, আঃ আলিম, দীপঙ্কর কুমার সরকার, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম পান্না, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আঃ হান্নান, রফিকুল ইসলাম মোল্যা, অধ্যাপক সুবোধ চক্রবর্তী, জি এম মুজিবুর রহমান, ঢালী সামছুল আলম, ইয়াহিয়া ইকবাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপজেলার সার্বিক অবস্থা নিয়ে আালোচনা করা হয়।

#