আশাশুনি সংবাদ ॥ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা সভা


154 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা সভা
জুলাই ১১, ২০১৯ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,কে হাসান ::

আশাশুনিতে ৪০ তম বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে র‌্যালী, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সনদ প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
দিবসের শুরুতে সকাল ১০.৩০ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালীটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আশাশুনি প্রেস ক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে বিআরডিবি মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এ বি এম মোস্তাকিম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। “জন সংখ্যা ও উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ২৫ বছর প্রতিশ্রুতির দ্রুত বাস্তবায়ন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ও অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ অরুন কুমার ব্যানার্জী, সিঃ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান, কৃষি অফিসার রাজিবুল হাসান, আরডিও বিশ^জিৎ কুমার ঘোষ, সদর ইউপি চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলন, কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান দীপংকর কুমার সরকার, প্রধান শিক্ষক কামরুল নাহার কচি প্রমুখ। অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী রতœা রানী রায়, শ্রেষ্ঠ পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল-কাফী, শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা অন্তরা আফরোজ, শ্রেষ্ঠ উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নুরুন নাহার, শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র কাদাকাটি এবং শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ হিসাবে আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদকে পুরস্কৃত ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

#

আশাশুনির নওয়াপাড়া বেড়ী বাঁধ রক্ষা পাইলিংয়ের কাজে অনিয়মের অভিযোগ

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রামে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভেড়ী বাঁধ ভাঙ্গন রক্ষার্থে পাইলিংয়ের কাজে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা কাজে অনিয়ম, নি¤œমান ও নির্ধারিত পরিমাপের কমে বল্লি ও বাঁশ ব্যবহার করায় কাজ বন্দ করে দিয়েছে।
নওয়াপাড়া গ্রামে পাউবো’র বেড়ী বাঁধের অবস্থা খুবই শোচনীয়। বাঁধটি রক্ষার্থে ২০০ মিঃ দীর্ঘ ভাঙ্গন কবলিত বাঁধে পাইলিংয়ের কাজ করা হচ্ছে। সিডিউল অনুযায়ী বল্লির লম্বায় ৩ ভাগের এক ভাগের উপরে ১৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধ থাকার কথা থাকলেও অনেক বল্লি ১৮ ইঞ্চির অনেক কমে ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রত্যেক বল্লির লম্বা ৪ মিঃ অর্থাৎ ১৩ ফুট হওয়ার কথা থাকলেও মাঝে মধ্যে ১০ ফুট থেকে ১৩ ফুটের কম লম্বা বিশিষ্ট বল্লির ব্যবহার করা হচ্ছে। অতিরিক্ত বাঁকা বল্লির ব্যবহারে নিষেধ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে মানা হচ্ছেনা। বল্লির মাঝখানে ৪টি করে বাঁশ দেওয়ার নিয়ম থাকলেও কোন কোনটিতে ৩টি করে বাঁশ দেওয়া হচ্ছে। বাঁশ কমপক্ষে ৯ ফুট লম্বা হওয়ার কথা এবং ৯ ফুটের মধ্যে সাড়ে ৬ ফুট মাটির নীচে ঢোকানোর কথা এবং আড়াই ফুট উপরে রাখার কথা থাকলেও ৮ ফুট ও ৯ ফুটের কম লম্বা বাঁশও ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহলের পক্ষে গোলাম হোসেন গাজীসহ অন্যরা নি¤œমান ও নিয়মকে তুয়াক্কা না করে কাজ চলতে থাকায় বাধা প্রদান করেন। ফলে অনিয়মে কাজ বাধা গ্রস্ত হলেও তাদের অনুপস্থিতির সময় নিয়ম বহির্ভূত মালামাল ব্যবহার করে কাজ চালান হচ্ছে বলে তারা জানান। কাজ দেখে নেওয়ার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বা তাদের দায়িত্ব প্রাপ্ত কাউকে এলাকাবাসী পাচ্ছেনা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১.৩০ টার দিকে কাজের স্থানে একদল সাংবাদিক গেলে তাদের অনিয়ম প্রমানিত হয়। এব্যাপারে ইঞ্জিঃ আমান উল্লাহর সাথে মোবাইলে কথা বলেলে তিনি জানান, সেখানে গিয়ে খাট, ছোট ও বাঁকা অনেকগুলো বল্লি বেছে বাদ দেওয়া হয়েছে। ১৩ ফুট লম্বা বল্লি, বল্লির ব্যাসার্ধ নীচ থেকে উপরের দিকে ৩ ভাগের এক ভাগের পর থেকে কমপক্ষে ১৮ ইঞ্চি হতে হবে। আকাঁবাক বল্লি ব্যবহার করা যাবেনা। বাঁশ ৯ থেকে ১০ ইঞ্চি লম্বা হতে হবে। এক বল্লি হতে অন্য বল্লির মাঝে ৪টি করে বাঁশ পুততে হবে। এর ব্যত্যয় হলে তা ব্যবহার করতে দেওয়া যাবেনা। নিয়ম বহির্ভূত বল্লি ও বাঁশ তিনি নিজের হাতে বেছে নিয়ে বাদ দিয়ে এসেছেন বলে জানান। তিনি স্থানীয়দের কাজ দেখে নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।

#

আশাশুনিতে প্রচুর নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ মালামাল জব্দ ও বিনষ্ট

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার থেকে প্রচুর পরিমাণ নিষিদ্ধ ও মেয়াদ উত্তীর্ণ মালামাল জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামাল বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রকাশ্যে বিনষ্ট করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজার পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা অনুযায়ী স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জি এম গোলাম মোস্তফা উপজেলার বুধহাটা, বদরতলা, শ্রীউলা, হাড়ীভাঙ্গাসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় এসব স্থানে দোকানে তল্লাসী চালিয়ে মেয়াদ উত্তীর্ণ ও মহামান্য হাইকোর্ট কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত কনফিডেন্স ও মুস্কান লবণ, রাধুনির ধনিয়া ও জিরা গুড়া, টেস্টি ধনিয়া ও জিরার গুড়া, পুষ্টি আটা ও সরিষার তেল, বিস্কুট, ড্রিংকস, চিপস, পানি জব্দ করেন। এসময় স্যানিটারী ইন্সপেক্টরের সহকারী মোক্তারুজ্জামান স্বপন উপস্থিত ছিলেন। বদরতলা বাজারে হালিমা স্টোরের মালিক কামরুল ইসলাম এর দোকান হতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ও মেয়াদ উত্তীর্ণ মালামাল জব্দ করার পর দোকানদার সমস্ত মালামাল ছিনিয়ে নেন। এবং জব্দকারী সরকারি কর্মকর্তাকে হুমকী ধামকী ও অপমানিত করেন। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করা হলে ইউএনও ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর আলিফ রেজার নির্দেশে দোকানীকে জব্দকৃত মালামাল নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার মধ্যে ইউএনও মহোদয়ের কার্যালয়ে হাজির হতে মৌখিক নোটিশ করা হয়েছে।

#

বদরতলায় জব্দকৃত মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার বদরতলা বাজারে নিষিদ্ধ পণ্য ও মেয়াদ উত্তীর্ণ মালামালের কেনাবেচা বন্দ ও আইন অমান্য রোধে অভিযান পরিচালনাকালে জব্দকৃত মালামাল ছিািনয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (১০ জুলাই) বদরতলা বাজারের হালিমা স্টোরে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জি এম গোলাম মোস্তফা ভেজাল, নিষিদ্ধ পন্য ও মেয়াদ উত্তীর্ণ দ্রব্য সামগ্রী বেচা কেনা বন্দ, মহামান্য হাই কোর্টের নির্দেশ বাস্তবায়ন ও জনস্বাস্থ্য রক্ষার্থে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে চলেছেন। এরই অংশ হিসাবে বুধবার বদরতলা বাজারে অভিযান চলাকালে হালিমা স্টোরে উপস্থিত হয়ে বিপুল পরিমান মেয়াদ উত্তীর্ণ ও মাহামান্য হাইকোর্ট কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত কনফিডেন্স ও মুস্কান লবণ, রাধুনীর গুড়া ধনিয়া ও জিরা, টেস্টি ধনিয়ার গুড়া, পুষ্টি আটা ও সরিষার তেল, মধুমতি লবণসহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করেন। জব্দ তালিকা করার পর দোকান মালিক বজলুর রহমানের পুত্র কামরুল ইসলাম কর্মকর্তা ও তার সহযোগিদের উপর চড়াও হয়ে জব্দকৃত মালামাল ছিনিয়ে নেন। এ ঘটনায় বাজার এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। চরম ভাবে আইন অমান্য করা এবং আদালতের নির্দেশ ও সরকারের আদেশ বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির পাশাপাশি মানুষকে আইন অমান্য করতে উৎসাহিত করার মত জঘন্য ঘটনায় দায়িত্বরত কর্মকর্তাসহ তার সঙ্গীসাথীগণ কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে পড়েন। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করা হলে ইউএনও ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর আলিফ রেজার নির্দেশে দোকানীকে জব্দকৃত মালামাল নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার মধ্যে ইউএনও মহোদয়ের কার্যালয়ে হাজির হতে মৌখিক নোটিশ করা হলেও এ রিপোর্ট লেখা (বেলা আড়াই টা) পর্যন্ত দোকানী উপস্থিত হননি।

#

সুদি কারবারে জড়িয়ে আশাশুনির মানুষ সর্বশান্ত ও চরম বিপর্যস্ত হচ্ছে

এস,কে হাসান ::

ব্যক্তি, সমিতি ও এনজিও’র নামে সুদি কারবারের শিকার হয়ে আশাশুনি উপজেলার হাজার হাজার মানুষ সর্বশান্ত, বাড়িঘর ছাড়া ও চরম বিপর্যস্ত হচ্ছে। সুদের কারবারীরা বহাল তবিয়তে সরকারি নিয়মনীতি ভঙ্গ করে চড়া সুদের কারবার করে চললেও তাদের রুখে দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় সমাজ হতাশ হয়ে পড়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এখন ব্যক্তি পর্যায়ে সুদি কারবার, সমিতির নামে সরকারি নিয়ম-নীতির তুয়াক্কা না করে, সমবায় ও সমাজ সেবা অধিদপ্তরের রেজিস্ট্রেশান নিয়ে অধিদপ্তরের সাথে চুক্তিপত্রের শর্তভঙ্গ করে এবং কোন কোন নাম সর্বস্ত এনজিও চড়া সুদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। সুদের টাকা শোধ দিতে না পেরে ঋণ গ্রহিতাদের অনেকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। অনেকে সুদ গুনতে গুনতে সর্বস্ব খুইয়েও সুদ শোধ দিতে অসমর্থ হয়ে পড়ছে। ব্যবসা, চাষাবাদ, মৎস্য চাষ, গৃহস্থলী মালামাল ক্রয়, মেয়ের বিয়েসহ বিভিন্ন কারণে মানুষ সুদখোরদের দারস্থ হয়ে থাকে। এসুযোগে সুদখোর বা সুদে ঋণদ্বাতা প্রতিষ্ঠান ঋণ গ্রহিতাদের নিকট থেকে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া, টাকার অংক না বসানো স্বাক্ষরকৃত ব্যাংকের চেক নিয়ে ঋণের টাকা দিয়ে থাকেন। হাজারে প্রতি সপ্তাহে ৫০Ñ৭০ টাকা, কোন কোন ক্ষেত্রে হাজারে মাসিক ৫০ থেকে ১০০ টাকা করে সুদ আদায় করা হয়ে থাকে ব্যক্তি পর্যায়ের সুদি কারবারে। এনজিও ও সমিতি পর্যায়ে ১৫ থেকে ২০% চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ আদায় করা হয়ে থাকে। গোয়ালডাঙ্গার শফিকুল ইসলাম, আনুলিয়ার তাপস দেবনাথ, কুল্যার প্রদীপ কুমার, নওয়াপাড়ার আঃ রহিম, মোসলে, বড়দলের লতিফ মোল্যা, ধান্যহাটির নাজমা খাতুন, বুধহাটার মনিরুল, শিল্পী, ছোহরাব, শামছুর, মালেক, রাজ্জাক, বেবী, রোকেয়া, দাউদ, মোস্তফা, হাকিম, জলিল, সাইদ, এনামুল, রউফ, আলাউদ্দিন, খলিল, ইশার আলি, নজরুল, রশিদ, আহাদুল্লাহ, ইয়াছিন, তুহিন, কার্ত্তিক, আলমগীর, ফেরদৌস, মান্নান, নাকতাড়ার সখিনাসহ বহু ব্যক্তি ব্যক্তি পর্যায়ে সুদি কারবার করে চলেছেন। এব্যাপারে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

#

কুল্যা উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহিদার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহিদা ইসলামের পক্ষে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রয়াত ইউপি চেয়ারম্যান এস এম রফিকুল ইসলামের কচুয়াস্থ বাস ভবনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, সাবেক ইউপি সদস্য আঃ ছাত্তার (বাহাদুরপুর)। সভায় প্রয়াত রফিকুল ইসলামের স্ত্রী জাহিদা ইসলাম, শিক্ষক আঃ ছাত্তার (কচুয়া), ফিরোজ মালী (আরার), মাষ্টার মঙ্গল কুমার (মহিষাডাঙ্গা), ব্যাংকার আঃ হান্নান মালী (আরার), মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম, সাবেক সেনা সদস্য আঃ জলিল, ইনামুল হক (কুল্যা) সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ আলোচনা রাখেন। বক্তাগণ আসন্ন উপ নির্বাচনে জাহিদা ইসলামের প্রতীক চশমা মার্কায় দলমত নির্বিশেষে ভোট দিয়ে যোগ্যতা ও সততার সাথে ইউনিয়নবাসীকে সেবা প্রদান ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ দানের জন্য অনুরোধ জানান।

বুধহাটায় চাউল চান্নির পথ বন্দ করে খাস জমিতে অবৈধ ঘর নির্মান

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাজারে চাউল চান্নির মুখ দখল করে খাস জমিতে অবৈধ ভাবে দোকান ঘর নির্মানের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধহাটা বাজারের নিমতলা সংলগ্ন চাউল চান্নি অবস্থিত। চান্নির প্রবেশ পথ দখল নিয়ে খাস জমিতে স্থায়ী পাকা ঘর নির্মান করে বহাল তবিয়তে ব্যবসা করছেন, বুধহাটা গ্রামের স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুশান্ত দত্ত এবং বাহাদুরপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি অবৈধ দখলে উৎসাহ সৃষ্টি করছে। চান্নিটি নির্মানের পর চান্নিতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের যাতয়াতের জন্য উত্তর ও দক্ষিণ পাশে পথ রাখা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সুশান্ত দত্ত এবং জাহাঙ্গীর হোসেন দক্ষিণ পাশের্^র যাতাযাতের পথ বন্দ করে ইটের পাকা দেওয়াল ও টিন সেড দিয়ে ঘর নির্মান করেন। তাদের অবৈধ দখল দেখে বাজারের মধ্যে অন্যরা সরকারী জায়গায় অবৈধভাবে ঘর নির্মানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এব্যাপারে অবৈধ দখলদার সুশান্ত দত্ত ও জাহাঙ্গীর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, আমাদের কোন কাগজপত্র নেই। সুযোগ থাকলে কাগজপত্র করে নেবো। এব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন পূর্বক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য ব্যবসায়ী মহলসহ সর্বস্তরের মানুষ প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি জানাছিলো না। তবে চান্নির মুখ ও সরকারী সম্পত্তি দখলবাজদের উচ্ছেদ করে অতিদ্রুত দখল মুক্ত করা হবে।

#