আশাশুনি সংবাদ ॥ মোবাইল কোর্টে দু’ব্যবসায়ীকে জরিমানা


72 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ মোবাইল কোর্টে দু’ব্যবসায়ীকে জরিমানা
মে ১৬, ২০১৯ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস কে হাসান ::

আশাশুনি বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দু’ মিষ্টি ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে আশাশুনি সদর বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর আলিফ রেজা বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকালে মরিচ্চাপ মিস্টান্ন ভান্ডার মালিক শংকর কুমার বিশ^াসকে ৫০০ টাকা ও অপর আদি ঘোষ ডেয়ারী রেষ্টুরেন্ট মালিক মাধব চন্দ্র ঘোষকে ৫০০ টাকা জরিমানা করেন। উভয়কে ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী মূল্য তালিকা টানিয়ে না রাখাসহ বিভিন্ন অপরাধে এ জরিমানা করা হয়। এসময় উপজেলা সেনেটারী ইন্সপেক্টর জি এম গোলাম মোস্তফা, সাব ইন্সপেক্টর বিল্লাল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

#

আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দিনব্যাপী সমন্বয় সভা

এস কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সকাল ১০ টায় আশাশুনি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোসাঃ শামসুন্নাহার ও ৬জন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার এ সমন্বয় সভায় বক্তব্য রাখেন। সভায় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও বেশকিছু সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহনের ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান হয়। সিদ্ধান্ত সমূহের মধ্যে রয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাশের হার ১০০% করার জন্য প্রধান শিক্ষক ও সকল সহকারী শিক্ষকগণ তাঁর নিজ বিদ্যালয়ের জন্য অঈঞওঙঘ চখঅঘ (কর্মপরিকল্পনা) কী কী তা কমপক্ষে ০৫টি বাক্য আর্টপেপারে লিখে বিদ্যালয়ের অফিসে টানিয়ে রাখবেন। শতভাগ বিদ্যালয়ে নি¤েœাক্ত সুবিধাসমূহ নিশ্চিত করা হবে ঃ ১। বিদ্যুৎ সম্পর্কিত: উন্নতমানের তার দিয়ে ওয়ারিং, সুইচসমূহ নিরাপদ দূরত্বে স্থাপন, প্রতিটা শ্রেণিকক্ষে বৈদ্যুতিক পাখার ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, অন্ধকার কক্ষসমূহে বৈদ্যুতিক বাল্ব স্থাপন ও বিদ্যালয়ের প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যুৎ সম্পর্কিত অন্যান্য কাজ করা। ২। ইন্টারনেট সম্পর্কিত: প্রতিটা বিদ্যালয়ে ১টা মডেম রাখা, কমপক্ষে ০১টা ১৬জিবি পেনড্রাইভ, বিদ্যালয়ের নামে ই-মেইল আইডি, উপজেলা শিক্ষা অফিসের সাথে ই-মেইলে তথ্য আদান-প্রদান, ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহার করে শ্রেনি পাঠদান নিশ্চিত ও বিদ্যালয়ের প্রয়োজন অনুযায়ী ইন্টারনেট সম্পর্কিত অন্যান্য কাজ করা। ৩। নিরাপদ খাবার পানি সম্পর্কিত: সচল টিউবওয়েল থাকতে হবে না থাকলে স্থাপন করতে হবে এবং পানির আর্সেনিক পরীক্ষা করে লাল/সবুজ রং দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের কোনো প্রকার সুপেয় পানির ব্যবস্থা না থাকলে পানির ফিল্টার থাকা, শিক্ষার্থীদের জন্য কমপক্ষে ২টা জগ, ৬টা স্টিলের মগ, পানির পাত্র রাখার টেবিল/স্থান থাকা ও বিদ্যালয়ের প্রয়োজন অনুযায়ী নিরাপদ খাবার পানি সম্পর্কিত অন্যান্য কাজ। ৪। স্যানিটেশন ব্যবস্থা সম্পর্কিত: ছেলে/মেয়ের আলাদা টয়লেট, টয়লেটের গায়ে ছেলে/মেয়ের ছবিসহ ‘ছেলে/মেয়ে’ লেখা, বদনা, বালতি, স্যান্ডেল, হ্যান্ডওয়াশ, সাবান, সাবানের, চিরুনি, ওডোনিল, ব্লিচিং পাউডার ও হারপিক মজুদ রাখা, টয়লেট নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, দপ্তরী কাম প্রহরী না থাকলে সারা বছর টয়লেট পরিষ্কার রাখার জন্য পরিচ্ছন্ন কর্মীর খরচ একজন সহকারী শিক্ষকের নিকট জমা রাখা।
শতভাগ বিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী শিশুবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করণে গৃহীত কর্মকান্ড, সাবলীল পঠন দক্ষতা শতভাগ নিশ্চিত করার জন্য গৃহীত কর্মকান্ড, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে শিশু থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষাচক্র সমাপনে গৃহীত কর্মকান্ড, মিড-ডে মিল বাস্তবায়ন এবং হাতধোয়ার জন্য গৃহীত কর্মকান্ড, আবশ্যিকভাবে প্রতিটি বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ও সংরক্ষণ এবং সবজি বাগান তৈরি, এসডিজি কর্ণার এবং বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ কর্ণারের কার্যক্রম অধিক শক্তিশালী করণে গৃহীত কর্মকান্ড, সচিব মহোদয়ের স্বাক্ষরিত পরিপত্র (নম্বর ঃ ৩৮.০০৮.০৩১.০০.০০.০২৩.২০১৪-৪০ তারিখ ঃ ২৮/০১/২০১৯ খ্রিঃ) মোতাবেক গৃহীত কর্মকান্ড, সকল কাজের ছবি ও তথ্য একত্রিত করাসহ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশেনে সাজিয়ে ডকুমেন্টেশন তৈরির ব্যবস্থা, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক প্রত্যেক বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা স্থাপন করতে হবে যাতে অটোমেটিক শিক্ষকদের হাজিরা অনলাইনে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ প্রতিদিনের হাজিরা মনিটরিং করতে পারেন। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক প্রত্যেক বিদ্যালয়ে বুক কর্ণার স্থাপন করতে হবে যাতে শিশুদের পড়ার জন্য এসআরএমসহ বিভিন্ন গল্পের বই রাখা যায় এবং তা সহজেই শিক্ষার্থীরা পড়তে পারে।

#

কুল্যা কমিউনিটি ক্লিনিতে চুরি সংঘটিত

এস কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার কুল্যা কমিউনিটি ক্লিনিকের তালা ভেঙ্গে চুরি সংঘটিত হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
ক্লিনিকের সিএইচসিপি অমিত সরকার জানান, তিনি বুধবার যথারীতি ক্লিনিক পরিচালনা শেষে সকল কক্ষের দরজার তালা আটকে দিয়ে বাড়িতে যান। রাতের যে কোন সময় সংঘবদ্ধ চোরেরা ক্লিনিকের প্রধান দরজার ৩টি তালা কেটে ও ভেঙ্গে ভিতরে ঢোকে। পরে স্টোর রুমের তালা ও অফিস কক্ষের তালা ভেঙ্গে ভিতর থেকে একটি ১ ইঞ্চি বৈদ্যুতিক মটর, এটি সিলিং ফ্যান ও কিছু ঔষধপত্র নিয়ে চোরেরা পালিয়ে যায়। সকাল ১০ টার দিকে তিনি ক্লিনিকে এসে দরজার তালা ভাঙ্গা দেখে লোকজন ও সাংবাদিকদের নিয়ে ভিতরে ঢুকে দেখেন ঐসব মালামাল চুরি হয়েগেছে। বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রস্তুতি চলছিল।

#

বুধহাটায় ৩০ কেজি চাউল বিতরণে দুর্নীতির প্রতিকারে ইউপি চেয়ারম্যানের আবেদন

এস কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় ইউনিয়নে হত দরিদ্রদের জন্য নির্ধারিত স্বল্পমূল্যে কার্ডের মাধ্যমে খাদ্যশস্য বিতরণ কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে প্রতিকার প্রার্থনা ও ডিলারদের ডিলারশীপ বাতিলের দাবী জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন জানানো হয়েছে।
বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ আ ব ম মোছাদ্দেক ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগে জানান, তার ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের জন্য নির্ধারিত মূল্যে কার্ডের মাধ্যমে খাদ্যশস্য বিতরণ নীতিমালা-২০১৯ এর আওতায় উপকারভোগিদের মাঝে ৯টি ওয়ার্ডে চাউল বিতরণের জন্য ডিলার নিয়োগ করা হয় মিলন ও আলমগীর হোসেনকে। ১, ২, ৩, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে ডিলার মিলন এবং বাকী ৪টি ওয়ার্ডে আলমগীর ডিলার হিসাবে নিয়োগ পান। কিন্তু তারা এখানে ডিলারশীপ পাওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত উপকারভোগিদের মাঝে চাউল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করে আসছেন। তিনি বহুবার তাদেরকে মৌখিকভাবে নিষেধ ও সতর্ক করেছেন কিন্তু তারা উপেক্ষা করে বহাল তবিয়তে অনিয়ম ও দুর্নীতি করে চলেছেন। অনিয়ম ও দুর্নীতির মধ্যে রয়েছে, উপকারভোগিদের নামের তালিকা প্রদানের পরও তারা তালিকায় নাম নেই বলে গরীব ও অসহায় মানুষদেরকে তাড়িয়ে দেয় ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তালিকায় নাম থাকা স্বত্বেও ডিলার ছিদ্দিক ষড়যন্ত্র করে চেয়ারম্যান নাম কেটে দিয়েছে বলে নিরিহদের বঞ্চিত করে থাকেন। তালিকা দোকানের দেওয়ালে টানিয়ে রাখতে বলা হলেও তারা রাখেনা। ছিদ্দিক ডিলার গোডাউনে যোগাযোগ করে ৩০ কেজি ওজনের বস্তার পরিবর্তে ৫০ কেজির বস্তা নিয়ে বস্তা ভেঙ্গে চাউল বিতরণের মাধ্যমে প্রত্যেক উপকারভোগিকে কমপক্ষে ৩ কেজি করে চাউল কম দিয়ে থাকে। গত ফেব্রুয়ারী মাসে ডিলার আলমগীর ও মিলন নিজেরা চাউল উত্তোলন না করে ছিদ্দিকের মাধ্যমে চাউল বিতরণের ব্যবস্থা করে। এ সুবাদে ছিদ্দিক ডিলার আলমগীরের অংশে ১০০ ও মিলনের অংশে ১২০ জনকে চাউল না দিয়ে আত্মসাৎ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ডিলারশীপ আলমগীর ও মিলনের নামে থাকলেও ছিদ্দিক ও নজরুল পরিচালনা করে থাকেন। চাউল বিতরণের সময় শে^তপুর প্রাইমারী স্কুলের কাছে গোডাউনের সামনে বহু উপকারভোগিকে চাউল না পেয়ে কিংবা চাউল কম দেওয়ার কারণে প্রতিবাদ জানাতে দেখা গেছে। কিন্তু তাদের ক্ষমতার দাপটে তারা মুখ খুলতে সাহস পায়না। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থলে গেলেও তখন চাউল বিতরণ বন্ধ করে দেওয়ায় উপকারভোগিরা সেখানে উপস্থিত ছিলনা। অনিয়ম ও দুর্নীতিবাজদের ডিলারশীপ বাতিল করে নতুন ডিলার নিয়োগ ও উপকারভোগিদের নতুন (ভিন্ন রঙের) কার্ড সরবরাহের জন্য তিনি জোর দাবী জানিয়েছেন। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা জানান, অভিযোগ পাওয়ার পার উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে তদন্তের জন্য দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

#

বুধহাটায় শিশুদের বাজেট ভাবনা শীর্ষক সংলাপ

এস কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে শিশুদের বাজেট ভাবনা শীর্ষক সংলাপ ২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
আশাশুনি এপি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সহযোগিতায় শিশু ফোরামের আয়োজনে ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, ভিডিসি সদস্য ও শিশু ফোরাম সদস্যদের নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বুধহাটা ইউনিয়ন শিশু ফোরাম সভাপতি রুবাইয়া আফরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান প্রকেীশলী আ ব ম মোছাদ্দেক। শিশু ফোরাম সদস্য অয়ন ব্যানার্জীর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, এপিসি ম্যানেজার ম্যাথিল্ডা মেন্ডিস। ইউপি সদস্য রেজওয়ান আলি, রবিউল ইসলাম, রাফিজা খাতুন, প্রোগ্রাম অফিসার স্বপন ডেভিট শাহা, ভিডিসি সভাপতি মমিনুর রহমান, শিশু ফোারাম সদস্য শাওন হোসেন প্রমুখ।

#