আশাশুনি সংবাদ ॥ যদুয়ারডাঙ্গা প্রাইমারী স্কুল ভবন পরিত্যক্ত


273 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ যদুয়ারডাঙ্গা প্রাইমারী স্কুল ভবন পরিত্যক্ত
জানুয়ারি ১৫, ২০১৯ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,কে হাসান ::
আশাশুনি উপজেলার ৪১ নং যদুয়ারডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করায় ক্লাশ পরিচালনা কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনের দু’টি কক্ষে এবং পাশের মন্দির ও বারান্দায় ঠাসাঠাসি করে বসিয়ে ক্লাশ পরিচালনা করতে বাধ্য হচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
ধূ-ধূ বিলের মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গ্রামের মানুষের বাচ্চাদের পড়ালেখা করানোর কোন সুযোগ ছিলনা। গ্রামবাসী অতিকষ্টে ১৯৫০ সালে ৬২ শতক জমির উপর স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। তখন মাটির দেওয়ালের উপর ছনের ছাউনি দিয়ে ক্লাশ চালানো হতো। পরবর্তীতে মাটির দেওয়ালে টালিদিয়ে ছাওয়া হয়। তখন ৩টি কক্ষে ক্লাশ চলতো। বাকী ক্লাশ গাছ তলায় করা হতো। সরকার ১৯৯৪ সালে ৪ কক্ষ বিশিষ্ট একটি বিল্ডিং নির্মাণ করেন। একটিতে অফিস অন্য দু’টিতে ক্লাশ চলতো। দেড় শতাধিক জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে পরিচালিত স্কুলের কক্ষের অভাব প্রকট হয়ে দেখা দিলে ২০০৬ সালে পিডিপি-২ প্রকল্পের আওতায় ২ কক্ষ বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। তখন বেশ ভালভাবে ক্লাশ নেওয়া যেত। কিন্তু গত কয়েক বছর যাবৎ ৪ কক্ষের পুরাতন বিল্ডিংটি খুবই নাজুক হয়ে পড়ায় চরম ঝুঁকিতে ক্লাশ পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, ছাদের পলেস্তারা খসে খসে পড়ছে। ইতিমধ্যে পলেস্তারা পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। দেওয়াল ও পিলার ফেটে গেছে। মেঝেতে ফাটল ধরেছে। জানালাগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। বাধ্য হয়ে কর্তৃপক্ষ ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছেন। কিন্তু বছরের পর বছর অতিক্রান্ত হলেও ৪টি কক্ষের দু’টিতে ঝুঁকি মাথায় নিয়ে ক্লাশ নেওয়া হচ্ছে। এখন দুই শিফটে ক্লাশ চালান হলেও কক্ষের অভাবে পাশের মন্দিরে ওস স্কুলের বারান্দায় ক্লাশ নিতে হচ্ছে। টিনের ছাউনি ছোট্ট মন্দিরে প্রচন্ড গরমে মেঝেতে বসে ক্লাশ করা খুবই কষ্টকর হলেও বাধ্য হয়ে সেটি করা হচ্ছে। বারান্দায় ক্লাস বসানোর কক্ষের মধ্যের ক্লাসের কাছে আরেকটি ক্লাস চালানোয় চরম বিপত্তির সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ১৯৯৪ সালে নির্মীত টয়লেটের অবস্থা খুবই বেহাল। টিউব ওয়েলের পানিতে আর্সেনিক থাকায় সুপেয় পানির সংকট বিরাজমান। বর্ষায় স্কুলের সামনের মাঠ নিমজ্জিত থাকায় খেলাধুলা পড়ে থাক চলাচল বিপদজনক হয়ে ওঠে। এতকিছুর পরও স্কুলের লেখাপড়ার মান ধরে রাখতে শিক্ষকরা ক্লান্তিহীন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে প্রতি বছর ৫ম শ্রেণির শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় স্কুল থেকে ১০০% কৃতকার্য ও বৃত্তি পাওয়ার সক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে। ফাকা মাঠের মধ্যে স্কুল অবস্থিত, সীমানা প্রাচীর না থাকায় স্কুলটি অরক্ষিত হয়ে থাকে। এজন্য নতুন ভবন নির্মান, টয়লেট নির্মান, সুপেয় পানির অভাব দুর করা, মাঠ ভরাট ও সীমান প্রাচীর নির্মানের জন্য এলাকাবাসী ও অভিভাবক মহল উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

#

আশাশুনির হেতাইলবুনিয়া মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্প দুরাবস্থায় জর্জরিত

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
আশাশুনি উপজেলার হেতাইলবুনিয়ায় (কাজলনগর) মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পটি চরম জর্জরিত হয়ে পড়েছে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্থানীয় সুধীর চন্দ্র মন্ডল ও অধীর চন্দ্র মন্ডলের দ্বিতল ভবনটি মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্প হিসাবে ব্যবহৃত হতো। প্রত্যন্ত ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন স্থানে হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এটি ছিল নিরাপদ।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এই ক্যাম্পটিতে জড়িয়ে আছে অনেক জীবন বিপন্নকারী মুক্তিযোদ্ধাদের দু:খময় স্মৃতি ইতিকথা। কিন্তু বর্তমানে এই ক্যাম্পটির অবস্থা খুবই শোচনীয় ও জরাজীর্ন হয়ে পড়েছে। ফাটল ধরেছে সকল দেওয়াল ও ছাদে। সেই পুরনো আমলের সৌন্দর্যমন্ডিত গৃহটি এখন দেখলে কান্না আসে। সংস্কার না করায় অবস্থা এমন হয়েছে যে, যে কোন মুহুর্তে ভেঙ্গে পড়তে পারে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বহনকারী বাড়িটিকে সংরক্ষণ ও সংস্কারের মাধ্যমে বাঁচিয়ে রাখার জন্য বর্তমানে বসবাসকারীরা দাবি জানিয়েছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী জানান, ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে যুক্তিযোদ্ধারা এখানে অবস্থান করত। মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং, থাকা খাওয়া ও অস্ত্রের ঘাটি হিসাবে ব্যবহৃত হত এ ক্যাম্পটি। মুক্তিযোদ্ধারা ট্রেনিং নিয়ে খান সেনা ও রাজাকারদের সাথে আশাশুনি উপজেলার কেয়ারগাতি, গোয়ালডাঙ্গা, চাপড়া ও খুলনার সোনাডাঙ্গাসহ বিভিন্ন স্থানে প্রত্যক্ষযুদ্ধে অংশ নিয়ে বহু শত্রুসেনাকে হত্যা করেছিলেন। গোয়ালডাঙ্গা সম্মুখ যুদ্ধ ও কেয়ারগাতি যুদ্ধে রফিকুল ইসলাম, আব্দুর রহমান, আমিন উদ্দীন, আবুল হোসেন, মোজ্জামেল হক শহীদ হন।
আশাশুনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আব্দুল হান্নান বলেন, হেতাইলবুনিয়া ক্যাম্পটিকে সম্মুখ যুদ্ধে নিহত শহীদ কাজলের স্মরণে নাম করণ করা হয় কাজলনগর নামে। এই ক্যাম্পটিতে নেতৃত্বদেন মৃত রহমতউল্লা দাদুভাই (বীর প্রতিক), শামছুল আবেদীন (অব: মেজর), শেখ কামরুজ্জামান, স ম বাবর আলী, মৃত রফিকুল ইসলাম। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের আহবানে মুক্তির সংগ্রামে নেমেছিল সকল মুক্তিযোদ্ধারা। এসময় হেতাইলবুনিয়া গ্রামের নিরঞ্জন মন্ডল, রঘুনাথ মন্ডল সহ অনেকেই মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতায় হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন।
সংস্কারের অভাবে সেই সময়ের অস্থায়ী এই ক্যাম্পটির দ্বিতীয় তলার ছাদ ও দেয়ালে ধরেছে ফাটল। বাংলার মুক্তিযুদ্ধের ও দেশ মাতৃকার স্বাধীনতার জলন্ত দৃষ্টান্ত হেতাইলবুনিয়া (কাজলনগর) মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পটি সংস্কার ও সংরক্ষণ করা এখন সময়ের দাবী। স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও উপজেলাবাসী একই দাবী করেছেন।
আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা জানান, আমি কাজলনগর মুক্তিযোদ্ধার ক্যাম্পটি বেহাল দশার কথা শুনে সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডা আব্দুল হান্নানকে ক্যাম্পে পাঠিয়ে খোঁজ খবর নিয়েছি। দ্রুত এর স্মৃতি সংরক্ষণ ও সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

#

মহেশ^রকাটিতে ব্রীজ নির্মানে প্রভাব পর্যবেক্ষণ
নিজস্ব প্রতিনিধি ::
আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের মহেশ^করাটি বেতনা নদীর উপর ব্রীজ নির্মানে অর্থনৈতিক সমীক্ষা ও পরিবেশের উপর প্রভাব নিয়ে একটি টিম পর্যবেক্ষণ করেছেন। মঙ্গলবার সকালে টিমটি সরেজমিন পরিদর্শনে আসেন।
মহেশ^রকাটি-গাবতলা খেয়াঘাটের কাছে বেতন নদীর উপর ব্রীজ নির্মানের দাবী ছিল বহুদিনের। এলাকাবাসীর চাহিদা ও উপকারিতার কথা বিবেচনা করে এলজিইডি এখানে ২১০ মিটার দৈর্ঘ্য ব্রীজ নির্মানের উদ্যোগ গ্রহন করেছে। ব্রীজ নির্মীত হলে এলাকাবাসীর কতটুকু উপকারে আসবে, অর্থনৈতিক ভাবে কতটুকু কাজে আসবে এবং পরিবেশের উপর এর কি প্রভাব থাকবে এসব দিক বিবেচনায় রেখে একটি টিম বীজ নির্মাণ স্থান পরিদর্শন করেছেন। ইকিউএমএস কনসার্ল্টিং লিঃ এর সিনিঃ কনসালট্যান্ট ফেরদৌসী আখতার ও সহকারী কনসালট্যান্ট শফিকুল ইসলাম এটিমে আছেন। এসময় বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ আ ব ম মোছাদ্দেক, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এমপি প্রতিনিধি শম্ভুজিৎ মন্ডল, ইউপি সদস্য আলহাজ¦ শফিউল আলম, ইউপি সদস্য উত্তম কুমার দাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ব্রীজটি নির্মীত হলে দু’পারের বহু গ্রামের মানুষের সাথে যোগাযোগের দূরত্ব ৭/৮ কিলোমিটার কমে যাবে। এছাড়া মহেশ^রকাটি মৎস্য সেট ও গাবতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ব্যাপক উপকারে আসবে।

#

আশাশুনি জমিজমা বিরোধে আক্রমেন আহত-৩

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়ায় জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৩জন আহত হয়েছে। আহতদেরকে হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। এঘটনায় থানায় অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে প্রকাশ, আনুলিয়া ইউনিয়নের চেচুয়া গ্রামে বশত বাড়ীর জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে আছাদুল গাজী বাড়ীতে না থাকার সুবাদে একই গ্রামের শফিকুল গাজীর পুত্র ইব্রাহীম গাজী, জনাব আলী গাজীর পুত্র শফিকুল গাজী, শফিকুল গাজীর স্ত্রী নাছিমা খাতুন, ছাত্তার গাজীর স্ত্রী জরিনা খাতুন তাদের বশত বাড়ীতে ঢুকলে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা আছাদুল গাজীর স্ত্রী জোহরা খানম, বোন নাছিমা খাতুন ও তার পুত্র আব্দুর রহমানকে মারপিট করে। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে সাতক্ষীরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উল্লেখ্য ইতিপূর্বেও একই ঘটনায় আসাদুল গাজীকে মারপিট করে আহত করা হয়েছিল। এব্যাপারে আসাদুল গাজী বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে আশাশুনি থানায় একটি লিখিত এজাহার দাখিল করেছেন।

#

কাদাকাটিতে বয়স্ক শিক্ষা স্কুল পরিচালনা বিষয়ক সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটিতে বয়স্ক শিক্ষা স্কুল পরিচালনার জন্য এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে কাদাকাটি ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান দিপংকর কুমার সরকারের সভাপতিত্বে সভায় উপজেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার আবু সাইদ, ইউপি সদস্য আবু হাসান বাবু, হরেকৃষ্ণ মন্ডল, রমেচা খানম, রমজান আলি, আয়ুব আলি, মাস্টার দিলিপ কুমার, সাবেক মেম্বার আঃ হান্নান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কাদাকাটি ইউনিয়নে ২০টি স্কুল পরিচালনা করা হবে এবং এলাকার ১৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের নিয়ে শিক্ষা প্রদান করা হবে।

#

আশাশুনি সরকারি কলেজে অবঃ অধ্যক্ষের বিদায় সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
আশাশুনি সরকারি কলেজের অবঃ অধ্যক্ষ আলহাজ¦ রুহুল আমিনকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় কলেজের নব নির্মীত আইসিটি ভবন মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অধ্যক্ষ (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক হোসেন আলীর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা সভায় অবঃ অধ্যাপক কাজী গোলাম কুদ্দুছ, বিভূতি মোহন মন্ডল, বিধান চন্দ্র মন্ডল, নেছার উদ্দিন, কর্মরত শিক্ষকমন্ডলী, কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রী এবং সর্বশেষ গভর্নিং বডির সদস্য প্রাক্তন ইউপি চেয়ারম্যান এম শাহাজাহান আলি, সাবেক মেম্বার রুহুল আমিন, অবঃ শিক্ষক বিধান চন্দ্র মন্ডল, আ’লীগ নেতা মুজিবুর রহমান, ব্যবসায়ী নির্মল কুমার দাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অধ্যাপক সুশীল কুমার মন্ডলের সঞ্চালনায় সভায় বিদায়ী অধ্যক্ষকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অশ্রুসিক্ত বদনে বিদায় জানান হয়। বক্তাগণ বিদায়ী অধ্যক্ষ রুহুল আমিনের ৩৩ বছর ৮ মাসের সফল চাকরী জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং তাকে সৎ, নির্ভীক ও ন্যায় পরায়ন হিসাবে অবহিত করে অবসর জীবনের সফলতা কামনা করেন।

#

আশাশুনি মাড়িয়ালা হাই স্কুলে সততা স্টোর উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের মাড়িয়ালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সততা স্টোর উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় স্কুলের একটি কক্ষে সততা স্টোর উদ্বোধন করা হয়।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক অজিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে সততা স্টোরের শুভ উদ্বোধন করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আরিফ রেজা। অনুষ্ঠানে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ চিত্তরঞ্জন ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আঃ হান্নান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ খান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমীক সুপার ভাইজার হাসানুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। স্কুলের একটি কক্ষকে নির্দিষ্ট করে সেখানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর নির্দেশনায় একটি দোকান স্থাপন করা হয়েছে। দোকানে কোন দোকানদার থাকবে না। দোকানে স্কুলের শিক্ষার্থীদের ব্যবহার উপযোগি ও প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী রাখা হবে। সেখানে শিক্ষার্থীরা স্কুল চলাকালীন সময়ে উপস্থিত হয়ে নিজেদের প্রয়োজনীয় দ্রব্য গ্রহন করতে পারবে এবং মালের পাশে লিখে রাখা মুল্য পরিশোধ করবে।

#