আশাশুনি সংবাদ ॥ সাংবাদিক বাহবুল হাসনাইনের মাতার মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন


539 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ সাংবাদিক বাহবুল হাসনাইনের মাতার মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন
মে ৩১, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

গোপাল কুমার, আশাশুনি :
আশাশুনির চাপড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম লুৎফর রহমানের স্ত্রী ও আশাশুনি প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক বাহবুল হাসনাইনের মাতা অনজিলা বেগম (৬৫) বার্ধক্যজনিত কারনে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না…..রাজেউন) সোমবার রাত ৮টায় তিনি নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরন করেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই পুত্র এক কন্যা ও অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মঙ্গলবার বাদ জোহর মরহুমের নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। তার মৃত্যুতে গভীর শোক জ্ঞাপন ও তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন আশাশুনি প্রেসক্লাবের সভাপতি জি,এম মুজিবর রহমান, সম্পাদক এস,এম আহসান হাবিব, সাংগঠনিক সম্পাদক জি,এম আল ফারুক, সাংবাদিক সচ্চিদানন্দ দে সদয়, সমীর রায়, গোপাল কুমার মন্ডল, সাহেব আলী, মাসুদুর রহমান, আকাশ হোসেন, আলী নেওয়াজ, ফাযজুল কবীর, হাবিবুল্লাহ বিলালী প্রমুখ ।

###
আশাশুনিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ৩টি বাল্য বিবাহ বন্ধ
গোপাল কুমার, আশাশুনি :
আশাশুনিতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে স্কুল পড়–য়া ৩টি বাল্য বিবাহ বন্ধ হয়েছে।  প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, আশাশুনি সদরের স্বপন দাশের কন্যা আশাশুনি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনির ছাত্রি ও একই পাড়ার বুদ্ধদেব দাশের কন্যা একই বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনির ছাত্রীর বিয়ে আজ পয়লা ১ জুন পরিবারের পক্ষ থেকে দিন ধার্য্য করা হয়। এ খবরে রুপান্তরের কিশোর-কিশোরি প্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা সুষমা সুলতানাকে অবহিত করলে তিনি মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে উক্ত বাল্যবিবাহ বন্ধ করেন। অভিভাবকরা ১৮ বছর পুর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের সন্তানদের বিয়ে দিবে না বলে মুচলেকা দিয়ে অঙ্গিকার করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুন্নাহার কচি, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার প্রতিনিধি শারমীন চৌধুরি, রুপান্তরের প্রজেক্ট ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান, ইউসি মোশারফ আলী সোহেল, কিশোর-কিশোরি প্রতিনিধিবৃন্দ। অপরদিকে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সোমবার আরও একটি বাল্য বিবাহ বন্ধ হয়েছে। প্রতাপনগরের কুড়িকাহনিয়া গ্রামের আকবর আলী লস্কর তার ৮ম শ্রেনি পড়–য়া কন্যার বিয়ে আয়োজন করেন। খবর পেয়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে যেয়ে বাল্যবিবাহটি বন্ধ করেন। অভিভাবকরা ১৮ বছর পুর্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের সন্তানদের বিয়ে দিবে না বলে মুচলেকা দিয়ে অঙ্গিকার করেন।
####