আশাশুনি সংবাদ ॥ সাংবাদিকদের সাথে ডিপিও সদস্যদের সভা


377 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ সাংবাদিকদের সাথে ডিপিও সদস্যদের সভা
নভেম্বর ২৫, ২০১৫ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

গোপাল কুমার, আশাশুনি :
আশাশুনিতে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে ডিপিও সদস্যদের প্রকল্পের অগ্রগতি বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে বিআরডিবি মিলনায়তনে সভায় সভাপতিত্ব করেন আশাশুনি প্রেসক্লাব সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান। অষ্ট্রেলিয়ান এইড এর অর্থায়নে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় এবং সিবিএম এর সহযোগিতায় ডিআরআর এর পরিচালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য একীভূত স্বাস্থ্য ও পুনর্বাসন সেবা প্রকল্পের অগ্রগতি বিষয়ক সভায় মূল আলোচনা রাখেন ডিআরআর এর জেলা ম্যানেজার আবুল হোসেন ও থেরাপিষ্ট মাসুদা আক্তার। সভায় উপজেলা সমাজ সেবা দপ্তরের ফিল্ড সুপার ভাইজার আলহাজ্ব শেখ খায়রুজ্জামান, সাংবাদিকদের মধ্যে প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক এসএম আহসান হাবিব, সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম আল-ফারুক, গোপাল কুমার মন্ডল, মাসুদুর রাহমান, হাবিবুল্লাহ এবং ডিআরআর এর কমিউনিটি মবিলাইজার করবী স্বর্ণকার ও ডিপিও সদস্যবৃন্দ আলোচনা রাখেন।
##

আশাশুনিতে বয়স্কভাতার টাকা উত্তোলন করতে যেয়ে আমেনা খাতুন জানতে পারলেন তিনি মৃত

আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনিতে গুনাকরকাটি কৃষি ব্যাংকে বয়স্কভাতার টাকা উত্তোলন করতে যেয়ে আমেনা খাতুন জানতে পারলেন তিনি মৃত। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দুপুরে কৃষি ব্যাংক গুনাকরকাটি শাখায়। কাদাকাটি ইউনিয়নের ৮/২২৫১/১নং বয়স্কভাতা সুবিধাভোগী মিত্র তেতুলিয়া গ্রামের ছাকাত গাজীর স্ত্রী আমেনা খাতুন কে কলমে মেরে দিল কাদাকাটি ইউনিয়নের দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান মোফিজুল হক।

তথ্যানুন্ধানে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে একই সময় একই কার্ডের টাকা উত্তোলন করতে যান তেতুলিয়া গ্রামের অমেদ আলী শাহ এর স্ত্রী রহিমা বেগম। এসময় কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা বিষয়টি জানতে পেরে হতবাক হয়ে যান। মৃত ব্যক্তি কিভাবে আবার জীবিত হলো।  এ ব্যাপারে ব্যাংক কর্মকর্তা সাথে কথা বললে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি আরও জানা বিষয়টি তিটি সমাজ সেবা কর্মকর্তা, আশাশুনি মহোদয়কে অবগত করেছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসে কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে ঘটনার কথা স্বীকার করে বলেন চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রেরিত মৃত্যুর তালিকার প্রেক্ষিতে আমরা পরিবর্তন করে বিধি মোতাবেক রহিমাকে ভাতা টাকা প্রদানের ব্যবস্থা করি। কাদাকাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোফিজুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। তিনি জানান কিভাবে হয়েছে আমি বুঝতে পারছি না। বিষয়টি আমি দেখছি কে বা কাহারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। মুল ঘটনাটি উদঘাটন পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এহেন জঘনতম ঘটনায় এলাকায় মানুষের মুখে মৃদু হাসির বন্যা বয়ে যাচ্ছে।