আশাশুনি সংবাদ ॥ স্যানেটারী ল্যাট্রিন বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও ল্যাট্রিন বিতরণ


177 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ ॥ স্যানেটারী ল্যাট্রিন বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও ল্যাট্রিন বিতরণ
জুন ২৯, ২০১৯ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় স্বাস্থ্য সম্মত স্যানিটারী ল্যাট্রিন প্রকল্পের আওতায় উপকারভোগিদের প্রশিক্ষণ ও আনুষ্ঠানিক ভাবে ল্যাট্রিন বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৯ জুন) সকাল ১০ টায় বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন (বিএনএফ) এর অর্থায়নে ক্রিসেন্ট সংস্থা সাতক্ষীরার আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) পাপিয়া আক্তার। বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ আ ব ম মোসাদ্দেকের সভাপতিত্বে ও ক্রিসেন্ট সাতক্ষীরার নির্বাহী পরিচালক আবু জাফরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ক্রিসেন্ট এর সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন, আশাশুনি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান ও মহিলা মেম্বার রাফেজা খানম। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিসিআরআইপি, এলজিইডি আ র ম জাহাঙ্গীর আলম। অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য আলহাজ¦ শফিউল ইসলাম খোকন, হাফেজ রবিউল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ক্রিসেন্ট সংস্থা ইউনিয়নের ১৪ জনকে স্যানিটারী ল্যাট্রিন নির্মান করে দিয়েছেন। ৬টি রিং, ১টি স্লাব, গোড়া পাকা, সিমেন্ট এর পিলার/খুঁটি, টিনের বেড়া ও ছাউনি সম্বলিত কমপ্লিট সেনেটারী ল্যাট্রিন নির্মানের পর অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক ভাবে এগুলো হস্তান্তর করা হয়।

#

বড়দলে কপোত-কপোতি হাতেনাতে আটক

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলার বড়দলে ঘরের মধ্যে আপত্তিকর অবস্থায় কপোত-কপোতিকে আটকের পর আয়ত্বে রাখার অঙ্গীকার নিয়ে অভিভাবকদের কাছে জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বড়দল বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এব্যাপারে সোস্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সাড়া পড়েগেছে।
স্থানীয় রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি, পুলিশ সদস্যসহ এলাকার বহু মানুষ জানান, বড়দল গ্রামের সঞ্জয় কুমার ঢালী দু’বছর আগে স্ত্রী স্বপ্নাকে রেখে মারা যান। একই গ্রামের পান্নালাল দাশের পুত্র আকিজ গ্রুপের ডিলার তরুন কুমারের নজর পড়ে স্বপ্নার উপর। সখ্যতা গড়ে তুলে এক পর্যায়ে স্বামী না থাকার সুযোগে তার সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। তাদের অনৈতিকতার কথা মানুষের মুখে মুখে থাকলেও হাতে নাতে আটক হয়নি। গত বৃহস্পতিবার রাত্র ৮ টার দিকে তরুন তার মোবাইলে স্বপ্নার সাথে যোগাযোগ করে তার বাড়িতে যায়। তার আগমনের দৃশ্য দেখাতে পেয়ে স্থানীয়রা সেখানে জড়ো হন। এক পর্যায়ে খালিদ হাসান সানা, বুলবুল গাজী, সাগর গাজী, পুলিশ সদস্য (ছুটিতে থাকা) মিল্টন, জাহিদ সানা, মিলন গাজীসহ বহু নারী-পুরুষ সেখানে উপস্থিত হয়ে ঘরের দরজা খুলে আপত্তিকর পরিবেশে তাদেরকে আটক করেন। এরপর তারা তাদেরকে বাজারে নিয়ে বড়দল ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি ও বন্ধু কল্যাণ সমবায় সমিতির সভাপতি আলমগীর সানা, যুবলীগ সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান টিটুসহ সমিতির সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করেন। সাথে সাথে তারা আটককৃত তরুন ও স্বপ্নার অভিভাবকদের খবর দেন। এরপর তারা ৭নং ওয়ার্ড আ’লীগ সেক্রেটারী মুজিবুর রহমান ও ইউপি সদস্য দেবব্রত মন্ডলের উপস্থিতিতে তরুনকে তার ভাই অরুন ও স্বপ্নাকে তার ভাই অরবিন্দুর কাছে জিম্মায় হস্তান্তর করেন। ইউপি চেয়ারম্যান আঃ আলিম জানান, ঘটনার সময় তিনি ছিলেন না, তবে তরুন ও স্বপ্নাকে আটকের পর অভিভাবকদের কাছে দেওয়া হয়েছে শুনেছি। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মের অভিযোগ ছিল। ওয়ার্ড আ’লীগ সেক্রেটারী মুজিবর রহমান সানা বলেন, তরুন ও স্বপ্নাকে অনৈতিকতার অভিযোগে আটকের পর তাদের অভিভাবকদের কাছ দেওয়া হয়। এনিয়ে দু’একদিনের মধ্যে বসাবসি করা হবে। ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আলমগীর সানা বলেন, ধরা পড়ার খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তাদেরকে অর্ধ উলঙ্গাবস্থায় ঘরের মধ্যে পাই। গ্রামের ইজ্জত রক্ষার জন্য অনেকে অনুরোধ করলে তাদেরকে অভিভাবকদের কাছে দেওয়া হয়। পুলিশ সদস্য মিল্টন বলেন, তরুনের ভাই অরুন তার ভাই ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটাবেনা অঙ্গীকার তরে ভাইকে জিম্মায় নেন। বিষয়টি নিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোড়ক ফেলেছে। এব্যাপারে আটকস হওয়া তরুন ও স্বপ্নার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদেরকে নাগালে পাওয়া যায়নি।

#

এনজিওর ঋণের বেড়াজালে চরম অসহায় মানুষ

এস,কে হাসান ::

হত দরিদ্র জনগোষ্ঠির আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও মানব সেবা উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যকে সামনে রেখে এনজিওগুলো কার করে যাচ্ছে। কিন্তু তার মধ্যে একিট অংশ সরকারি অনুমোদন নিয়ে কিংবা অনুমোদনের রীতি ভেঙ্গে ঋণের নামে টাকার অংক ফাঁকা রাখা ব্যাংক চেক গ্রহন করে, গ্রাহকদের ঠকানোর পাশাপাশি সর্বশান্ত করার মত অসাধু কর্ম করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাগেছে, এনজিওগুলো সরকারি অনুমোদন পেয়ে গ্রামের অসহায় মানুষকে ব্যবসা, কৃষিকাজ, মৎস্য চাষসহ বিভিন্ন কাজের জন্য ঋণ প্রদান করে থাকে। এলাকার নিরিহ মানুষ এসব কাজের জন্য সমিতি/এনজিও থেকে ঋণ গ্রহন রে থাকে বিভিন্ন শর্ত সাপেক্ষে। যার মধ্যে ঋণ আবেদন চুক্তিনামা, অঙ্গীকারনামা, স্বাক্ষরকৃত নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, পাশবই, দলিল, স্বাক্ষরিত টাকার অংক ব্যতীত চেকের পাতা ইত্যাদি সিকিউরিটি হিসাবে গ্রহন করে থাকে। ঋণের টাকা দিতে ব্যর্থ হলে ব্যক্তির নামে, প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন শাখা ও প্রধান কার্যালয়ের অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ ও চেকের পাতা ও স্ট্যাম্পে ইচ্ছেত টাকার অংক বসিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করে থাকে। ফলে নিরিহ ঋণ গ্রহিতারা টাকার পাহাড়সম ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে আত্মগোপনে যেতে বাধ্য হয়ে থাকে। তাদের সংসার ক্রমে ক্রমে রসাতলে পড়ে যায়। অপরদিকে কিছু কিছু এনজিও এলাকায় অফিস খুলে বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে থাকে। আরডিপি লিঃ, নলতা শাখা ও বিভিন্ন অফিস, দারুস সালাম লিঃ (সোনালী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন), হায় হায়, সোপট, জয়েন্ট ইসলামী ফাইনান্স, ফুলতোলা সমবায় সমিতি প্রভৃতি এনজিও প্রতারনার কারবারে গ্রাহকদের ঠকিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগিরা অভিযোগ করেন, তাদের কাছে ঋণ গ্রহিতাদের রাখা স্ট্যাম্প বা ব্যাংকের চেক ব্যবহার করে এনিজও বা কোন কোন ক্ষেত্রে প্রভাবশালীদের সহায়তায় ব্যক্তি বাদি হয়ে মিথ্যা ও সাজানো মামলা দায়ের করছেন। আশাশুনির চিলেডাঙ্গা গ্রামের শাহাবুদ্দিন সরদারের পুত্র জোবায়ের, ধান্যহাটির গহর আলির পুত্র নজরুল, আমিনুর, গোদাড়ার শামছুদ্দিন মোড়ল, কুড়িকাহুনিয়ার হযরত আলি, গোদাড়ার বোরহান উদ্দিন, লতিফ মোড়ল, সোনাটির ছালাম গাজী, কালিগঞ্জের সহিদুল ইসলাম, উত্তর গোদাড়ার আবুল কালাম, হেকালবুনিয়ার বাবলুর রহমান গাজী, কাপসন্ডার কাদের, বুধহাটার রহিম গাজী, নওয়াপাড়ার রহিম গাজী, কাকবাসিয়ার মোসলেম সরদার, চিলেডাঙ্গার জোবায়ের হোসেনসহ অনেকের নামে এমনই মামলা রুজু করা হয়েছে বলে তারা জানান। জোবায়ের হোসেন জানান, তিনিসহ মিথ্যা মামলার শিখার অনেকেই চরম বিপাকে রয়েছেন। বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি দাবী জানিয়েছেন তারা।

#

আশাশুনিতে ইয়াবা ব্যবসায়ীসহ গ্রেফতার- ৩

এস,কে হাসান ::

আশাশুনি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ব্যবসায়ীসহ ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের শনিবার আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমান (বিপিএম) এর দিক নির্দেশনায় আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবদুস সালাম এর নেতৃত্বে এএসআই জয়নাল মোল্ল্যা, এসআই বিল্লাল হোসেন শেখ অভিযান চালিয়ে ২০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মিত্র তেতুলিয়া গ্রামের রেজাউল গাজীর পুত্র বিল্লাল গাজীকে তেতুলিয়া বাজার হতে হাতেনাতে গ্রেফতার কারেন। এব্যাপারে থানায় ৩৩(০৬)/১৯ মামলা রুজু করা হয়েছে। এসআই খবির হোসেন নাঃ শিঃ-২৩(৩)/১৮ (ওয়ারেন্ট) আসামী বাঘালী গ্রামের ইসমাইল হাওলাদারের স্ত্রী ফতেমা বেগমকে এবং তিনি পৃথক অভিযানে আশাশুনি থানার নিয়মিত মামলা ১৯(০৬)/১৯ এর আসামী পদ্ম বেউলা গ্রামের আশরাফ সরদারের পুত্র রুবেল হোসেনকে গ্রেফতার কারেন।

#