আশাশুনি সংবাদ : স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সভা


304 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সংবাদ : স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সভা
মার্চ ২৪, ২০১৭ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস.কে হাসান ::

আশাশুনি উপজেলা স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের এক সভা (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত হয়েছে। আশাশুনি মহিলা ডিগ্রী কলেজে সকাল সাড়ে ১০টায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।  উপজেলা স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের আহবায়ক প্রভাষক মাহবুবুল হক ডাবলুর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আহবায়ক প্রফেসর এম সুশান্ত।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রভাষক ফিরোজ কবির, প্রভাষক পার্থ সারথি সেন, ডাঃ হারুনর রশিদ, হাবিবুর রহমান, অধ্যক্ষ জাহিরুল আলম ও জাফর আলী। সভায় আশাশুনি উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক পরিমল কুমার দাশ, প্রভাষক মিজানুর রহমান, প্রধান

শিক্ষক বদিউজ্জামান খান, সুশান্ত মন্ডল, আবুল কালাম আজাদ, এস এম আলাউদ্দিন, আবুল কালাম, প্রদর্শক নূরুল হুদা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভায় স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশে যোগদিতে আশাশুনি থেকে শিক্ষকদের এশটি দল যাওয়ার সিদ্ধান্তসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
##
শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতা বন্ধে নতুন প্রচারাভিযান শুরু

বাংলাদেশ সরকার শিশু-সুরক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। যার সফলতা বেশ লক্ষ্যণীয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতার হার কমেনি বরং নিত্যনতুন পন্থা ও মাধ্যম ব্যবহার করে শিশুদের উপর নির্যাতন করা হচ্ছে।

ইউনিসেফ পরিচালিত জরিপের তথ্যমতে, ১-১৪ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ৮২% শিশুই বিভিন্ন নির্যাতনের শিকার। শিশুর প্রতি এই সহিংসতার বিষয়টি তুলে ধরতে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, ওয়ার্ল্ড ভিশন ও শিশু অধিকার এ্যাডভোকেসি জোট যৌথভাবে “আমিই পারি শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতা রোধ করতে” শীর্ষক একটি প্রচারাভিযান আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে।

এই প্রচারাভিযানের লক্ষ্য হলো শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে বাংলাদেশ সরকারের পরিচালিত উদ্যোগগুলোকে সহায়তা করা; বিশেষ করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ১৬.২ (শিশুর প্রতি অনাচার, দুর্ব্যবহার, পাচার, এবং সব ধরণের সহিংসতা ও নিপীড়ন বন্ধ করা) প্রতিষ্ঠিত করা।

গত ২৩ মার্চ সকাল ১০.১০ টায় আশাশুনি পাথেয় ট্রেনিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আশাশুনি এডিপি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার সুভাস মন্ডল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরা, পিআইও সেলিম খান এবং আশাশুনি প্রেসক্লাব সভাপতি জিএম মুজিবুর রহমান। এছাড়া বেসরকারী সংস্থা, শিশু, অভিভাবক স্থানীয় গণ্যমান্য ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

ওয়ার্ল্ড ভিশনের এই প্রচারাভিযানের লক্ষ্য এসডিজি লক্ষ্যমাত্রার সাথে সঙ্গতি রেখে আগামী ২০২১ সালের মধ্যে শিশুর বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কর্মক্ষেত্রে শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতা বন্ধে অবদান রেখে বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ শিশুর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। এই উদ্দেশ্যে ওয়ার্ল্ড ভিশন বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সহিংসতা বন্ধে কাজ করবে।

যা সামাজিক রীতিনীতি, আচার আচরণ এবং স্বভাব পরিবর্তনের মাধ্যমে সর্বস্তরে শিশু-সুরক্ষার সিস্টেমগুলিকে জোরদার করবে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ দেশের ৩৪টি জেলার ৮০০টি শিশু ফোরামের মাধ্যমে প্রায় ২ লক্ষ শিশু প্রতিনিধির সাথে এই লক্ষ্য পূরণে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং শিশু অধিকার এ্যাডভোকেসি জোট সক্রিয়ভাবে মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে শিশুর প্রতি সব ধরণের সহিংসতা বন্ধে কাজ করবে।
##

 

শিক্ষক রমেশের মৃত্যুতে শোক জ্ঞাপন

আশাশুনি উপজেলার হাসখালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রমেশ চন্দ্র বৈরাগী (৫০) বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টায় পরলোকগমন করেছেন। রবিবার রাত্রে তিনি স্ট্রোকজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তিনি হাসখালী গ্রামের মৃত দেবেন্দ্র নাথ বৈরাগী পুত্র। তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা ও শোকসন্তুপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নীলকন্ঠ সোম, সহ-সভাপতি যোগেন্দ্র নাথ সরকার, চিত্তরঞ্জন

ঘোষ, কালিপদ রায়, সমীরণ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক রনজিৎ কুমার বৈদ্য, সাংগঠনিক সম্পাদক হিরুলাল বিশ্বাস, কাশিনাথ মন্ডল, প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক গোপাল কুমার মন্ডল, দীপন মন্ডল, কাজল মন্ডল, কৃষ্ণ পদ মন্ডল এবং উপজেলা হিন্দু, বৌদ্ধ,

খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি অধ্যাপক সুবোধ চক্রবতী, চেয়ারম্যান দিপংকর সরকার দীপ, মনিন্দ্র নাথ ঢালী, প্রভাষক দিপংকর বাছাড়, মতিলাল সরকার, হিরোন্ময় মন্ডলসহ সকল ইউনিয়ন পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও সম্পাদক বৃন্দ।
##

 

প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার অধিকার আদায়ে বৈশ্বিক পদক্ষেপ- ঘন্টাধ্বনীতে শিশুরা

গত বুধবার ঠিক দুপুর ১২টায় একই সঙ্গে, একযোগে বাংলাদেশের শিশুরা এক মিনিট ধরে ঘন্টা বাজিয়ে সকল প্রতিবন্ধী শিশুর শিক্ষার অধিকার আদায়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলো নীতি নির্ধারক ও দেশবাসীর।

বিশ্বব্যাপী ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিবন্ধী ও অ-প্রতিবন্ধী শিশুরা ১৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঘন্টা, ঢোল, বাদ্যযন্ত্র এমনকি থালা বাসনে আওয়াজ তুলে প্রতীকী এ কর্মসূচী পালন করেছে।

একই সময়ে আফ্রিকা, এশিয়া, ইউরোপ এবং ল্যাটিন আমেরিকার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষার্থী “ডব ৎরহম ঃযব নবষষ” নামক এই ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করেছে।

যে সমস্ত প্রতিবন্ধী শিশু স্কুলে যেতে পারেনা তাদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার জন্য অন্য সকল প্রতিবন্ধী ও প্রতিবন্ধী নয় এমন সকল শিশু, তাদের শিক্ষক, অভিভাবক মিলে এ কর্মসূচী পালনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ঠ নীতি নির্ধারন কর্তৃপক্ষের মনোযোগ আকর্ষন করলো।

আশাশুনি উপজেলার মধ্যম বেউলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুপুর বারোটা থেকে বারোটা এক মিনিট পর্যন্ত একযোগে ঘন্টাধ্বনী বাজায় আশাশুনির শিশুরা।

এ কর্মসূচীতে বিশিষ্টজন ও নীতি নির্ধারনী কর্তৃপক্ষের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আবু মোঃ সেলিম। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বুধহাটা ইউপি সদস্য শীষ মোঃ জেরি, স্কুলের সভাপতি মোস্তাবুল হোসেন, সদস্য হাবিবুর

রহমান, সদস্য শাহিন হোসেন, আশাশুনি প্রেসক্লাব সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, সদস্য আকাশ হোসেন, আইডিয়াল ম্যানেজার শাহাবুদ্দিন।

ক্যাম্পেইনটি নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক লিলিয়ান ফাউন্ডেশনের একটি উদ্যোগ যা বাংলাদেশে এর কৌশলগত অংশীদার ডিআরআরএ (ডিজ্যাবল্ড রিহ্যবিলিটেশন এ্যান্ড রিসার্চ এসোসিয়েশন)।

বাংলাদেশের প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষায় সহায়তা প্রদান ও সকলকে শিক্ষার আওতায় নিয়ে আসার জন্য লিলিয়ান ফাউন্ডেশন ডিআরআরএ-কে সহায়তা করছে এবং ডিআরআরএ তাদের স্থানীয় অংশীদার আইডিয়াল এর মাধ্যমে সাতক্ষীরায় তা বাস্তবায়ন করছে।

ক্যাপশান ঃ আশাশুনিতে প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার অধিকার আদায়ে বৈশ্বিক পদক্ষেপ- ঘন্টাধ্বনীর সময় সমবেত শিশু ও শিক্ষকবৃন্দ।
##

 

আশাশুনির গোলজার আর নেই

আশাশুনি উপজেলা সদরের মৃতঃ আঃ হামিদ মোড়লের পুত্র গোলজার মোড়ল (৫০) ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি অইন্না ইলায়হে রাজেউন)। সাংবাদিক এম এম সাহেব আলির চাচাত ভাই গোলজার বৃহস্পতিবার রাত্র ৮টার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

(শুক্রবার) জুম্মাবাদ মাদারদীঘি পাড়ে নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। নামাজে ইমামতি করেন আলহাজ্ব মাওঃ আবুল কাশেম।

এসময় জেলা পরিষদের সদস্য মহিতুর রহমান, সদর ইউপি চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলন, কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান এস এম রফিকুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান এস এম শাহাজাহান আলি, সাবেক চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা সেলিম, আ’লীগ নেতা ঢালী

সামছুল আলম, অধ্যাপক আঃ সবুর, এন এম বি রাশেদ সরোয়ার শেলী, নূরুল হক, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, জাকির হোসেন বাবু, মেম্বার তািরকুল আওয়াল সেজে, সাবেক মেম্বার অহেদুরর রহমান গুরু, রুহুল আমিন, আঃ আজিজ, বদরুদ্দোজা সানা,

মুজিবর রহমান, আছাদুল ইসলাম, বাজার কমিটির সেক্রেটারী বিল্লাল হোসেন, আশাশুনি প্রেসক্লাব যুগ্ম সম্পাদক মাসুদুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
##