আশাশুনি সদর বাজারের স্থায়ী হাটের জায়গা নির্দ্ধারনের দাবীতে গণ-সমাবেশ


69 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনি সদর বাজারের স্থায়ী হাটের জায়গা নির্দ্ধারনের দাবীতে গণ-সমাবেশ
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২২ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

॥ এস,কে হাসান ॥

আশাশুনি সদর বাজার রক্ষা ও বাজার সংলগ্ন পতিত সরকারি সম্পত্তি হাটবাজারের জন্য বন্দোবস্থের দাবীতে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে আশাশুনি বাজার সড়কে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
আশাশুনি এলাকাবাসীর আয়োজনে আশাশুনি নাগরিক সমাজের সিনিঃ সহ-সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, সদর ইউপি চেয়ারম্যান এস এম হোসেনুজ্জামান হোসেন। সাংবাদিক এম এম সাহেব আলির সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মহিতুর রহমান, আশাশুনি নাগরিক সমাজের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ইয়াহিয়া ইকবাল, বাজার বণিক সমিতির উপদেষ্টা বেলাল হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা আছাদুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস এম সাহেব আলী, জাপা নেতা আজাদ হোসেন টুটুল, বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মফিজুল ইসলাম লিংকন, সাধারণ সস্পাদক জাহিদুল ইসলাম বাবু, অর্থ সম্পাদক জাবিউল ইসলাম প্রমুখ। বক্তাগণ বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে টেকসই বেড়ী বাঁধ নির্মান সকলের দাবী, যা বাস্তবায়নে আমাদের কোন বিরোধ নেই। কিন্তু বাজারকে ধ্বংস করে, দোকান পাট অফিস, ব্যাংক বীমা, স্কুল, মসজিদ, বাসাবাড়ি উচ্ছেদ করে বাঁধ নির্মানের পরিকল্পনা হটকারিতা। আমাদের দাবী সিএস ম্যাপ অনুযায়ী প্রকৃত নদীর মাঝ বরাবর খনন কাজ ও বেড়ী পাশে বাঁধ নির্মান করা হলে কোন ক্ষতি হবেনা। বরং সবকিছু রক্ষা পাবে এবং নদী তার পুরনো যৌলুস ফিরে পাবে। অন্যদিকে বাজার সংলগ্ন সরকারি খাস সম্পত্তি হাট বাজার হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। উক্ত জায়গা ছাড়া হাট বাজারের জন্য উপযুক্ত কোন জায়গা নেই। যেখানে কাঁচা বাজার বসে থাকে। এখানে জেলা পরিষদের ৫৬ শতক, গুতিয়াখালী নদীর ১.১০ একর, সরকারি খাস সম্পত্তি ১.০০ একর ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩.২ একর জমি রয়েছে। তাছাড়া অতিরিক্ত জমিসহ প্রায় ৭.০০ একর জমি ওয়াপদা কর্তৃপক্ষ দখল করে রেখেছে। এলাকাবাসীর সংগত দাবী ওয়াপদা কর্ত্যৃপক্ষ তাদের বৈধ ৩.২ একর জমি দখলে রাখুক। বাকী জমি ছেড়ে দিলে সেখানে হাটাবাাজর সহ নানা জরুরী কাজে ব্যবহার করা যাবে। এখানের জমি হাট বাজারের জন্য বন্দোবস্ত পেতে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়েছে। উক্ত জমি জনগণের স্বার্থে বন্দোবস্ত দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে বক্তাগণ পাউবো’র কাছে বাজারের স্বার্থে তাদের সম্পত্তি রিজিউম করার জন্য দাবী জানান হয়।
এ ছাড়া মূল উপজেলা সড়কে অন্য ব্যবসায়ীরা ব্যবসা পরিচালনা করায় সকল যানবাহন, হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্সসহ উপজেলায় আগত জন সাধারণ চলাচলে নানা প্রতিবন্ধকতায় পড়ে থাকেন। ফলে বাজারটি এখন চরম দুর্গতির মধ্যে রয়েছে। বিষয়টি বিচক্ষণতার সাথে বিবেচনায় নিয়ে বাজার ও উপজেলা সদর শহরকে রক্ষার্থে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য মাননীয় এমপি, ডিসি মহোদয়সহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানান হয়েছে।