ইটাগাছার ইসমাইলের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন


340 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ইটাগাছার ইসমাইলের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
আমার পিতা আমিন আলির নামে শহরের পলাশপোল মৌজায় এস এ ২৭৯৪ নং খতিয়ানভুক্ত ১১৪৫৫ দাগে ৬৭ শতক সম্পত্তির মধ্যে ৫.৮০ শতক সম্পত্তি ছিলো। তিনি ওই সম্পত্তি তার ওয়ারেশ হিসেবে আমাদের দশ ভাই বোনদের মধ্যে হেবানামা দলিল করে দেন। এ সংক্রান্ত অঙ্গিকারনামায় তিনি উল্লেখ করেন যে তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় কোন ওয়ারেশ ওই সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারবেন না।

মঙ্গলবার সাতক্ষরিা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সমম্মেলন করে এ কথা বলেন সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল এলাকার আমিন আলির ছেলে ইসমাইল বাবু। এসময় তার দুই খাই আবদুর রহিম ও রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন সে অনুযায়ী আমরা চার ভাই উক্ত জমি ভোগ দখল করে আসছি। আমার ভাগে দুটি দোকান পড়ে। দুটি দোকানের মধ্যে একটি দোকান( যার তপশীল পরিচয়- খারিজ খতিয়ান – ২৭৯৪/৮/১, হোল্ডিং নং- ১০৬৮৬, দাগ নং- ১১৪৫৫, হাল দাগ- ১৬৪৬২, পৌরসভার হোল্ডিং নং- ০৩৪৮-১, বিদ্যুৎ মিটার নং- ১১৭১) ভাড়াটিয়া রউফ ও তার সহযোগি পলাশপোল এলাকার মৃত ময়েন আলীর ছেলে আব্দুস সালাম জবর দখল করে রাখেন। এনিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে আমার দখলস্বত্ব বজায় থাকবে এমন নির্দেশ দেন এবং উক্ত দোকানের মালিক ইসমাইল বাবু। এদিকে রউফ মামলায় হেরে রউফ গোপনে ওই দোকান তার সহযোগি সালামের কাছে হস্তান্তর করে যান। এরপর কৌশলে সালাম দখলে রাখে। কিন্তু আদালতের রায় আমার পক্ষে থাকায় এবং সালাম ওই দোকান অবৈধভাবে দখল রাখতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এর জের ধরে সুচতুর সালাম ইটাগাছা এলাকার সমর কুমার সিং এর পুত্র উজ্জলকে কৌশলে ম্যানেজ করে বেদখল আমার ভাই-বোনদের কাছ থেকে ক্রয় করেছেন মর্মে একটি জাল দলিল সৃষ্টি করে। ওই জাল দলিলের বুনিয়াদে উজ্জল আমার মালিকানাধীন দোকানঘর দখলের পায়তারা করের্। গত ২৬/৮/১৮ তারিখে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি যার নং-১৩৫২। আদালতে একটি ১৪৫ ধারায় শুধু মাত্র আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কোন প্রতিবেদন না নিয়ে মামলা করে।

তিনি আরো বলেন আমি আদালতে নির্দেশকে সম্মান জানিয়ে ১৪৫ ধারার মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করি এবং মেয়াদ শেষ হলে স্থানীয়গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এলাকায় কয়েকবার বসাবসি হলে কাগজপত্র পর্যালোচনা করে এবং আদালদের রায় দেখে আমাকে দোকান বুঝে নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেন। সে অনুযায়ী আমার ভাইরাসহ স্থানীয়দের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আমার মালিকানাধীন দোকানঘর বুঝে নেয়। ওই দোকানঘরে কোন মালামাল ছিলো না। পূর্বে থেকে সালাম তার মালামাল গোপনে সরিয়ে নিয়ে যায়। ওই সালাম কোনভাবে আমার দোকানঘর দখল করতে না পেরে উজ্জলকে দিয়ে আমাদের কে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে অপপ্রচার চালিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করে। ওই দিন সেখানে কোন ভাংচুর বা লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি।

জমিতে যাতে আইনগতভাবে দখলে থাকতে পারেন সেজন্য পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষন করেন ইসমাইল বাবু ও তার ভাইয়েরা।