ঈদকে সামনে রেখে কলারোয়া সীমান্তে চোরাচালানীরা বেপরোয়া, আসছে মাদক , যাচ্ছে সোনা


310 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ঈদকে সামনে রেখে কলারোয়া সীমান্তে চোরাচালানীরা বেপরোয়া, আসছে মাদক , যাচ্ছে সোনা
জুলাই ১১, ২০১৫ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান,কলারোয়া ॥
ঈদকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্ত দিয়ে বানের ¯্রােতের মতো আসছে ভারত থেকে ফেনসিডিল, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক, ভারতীয় শাড়ি, প্যান্ট পিচ, শার্ট পিচ, যানবাহনের যন্ত্রাংশ ও এমিটেশনসহ বিভিন্ন মালামাল। একই সাথে চোরাকারবারীরা বাংলাদেশ থেকে পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে সোনার চালান।  সম্প্রতি সাতক্ষীরার কলারোয়সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিজিবি সদস্যদরা কয়েকটি বড় চালান আটক করলেও  থেমে নেই চোরাচালান। চোরাকারবারীরা প্রতিদিন মটরসাইকেল, নছিমন, ইঞ্জিন চালিত ভ্যানে করে কলারোয়া উপজেলা পরিষদের মধ্য দিয়ে ,থানার সামনে দিয়ে, কলারোয়া হাই স্কুলের সামনে দিয়ে, বাস স্টান্ড এর পাশ দিয়ে অবাধে ভারত থেকে মাদক দ্রব্যসহ শাড়ি, কাপড় নিয়ে যাচ্ছে। এ দৃশ্য  প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে।
গত শুক্রবার জুলাই বেলা দুই টার দিকে কলারোয়ার কাকডাঙ্গা সীমান্ত থেকে ভারতে পাচারের সময় ১০টি স্বর্ণের বার এবং একটি চেইনসহ এক চোরাকারবারীকে আটক করে বিজিবি সদস্যরা। এছাড়া গত ৩০ জুন সাতক্ষীরা ৩৮ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে আসা ১২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ী, প্যান্ট পিচ, শার্ট পিচ সাইকেলের যন্ত্রাংশ আটক করেছে বলে জানায়। গত ১ জুলাই ভোরে সাতক্ষীরা কলারোয়ায় যশোর – সাতক্ষীরা মহা সড়কের কাজিরহাট এলাকা থেকে ২৩ বিজিবি ব্যাটেলিয়নের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ১ কোটি ৫১লক্ষ ৬৯ হাজার টাকা মূল্যের দামী ভারতীয় শাড়ি ও কাপড়সহ একটি কাভার্ট ভ্যান আটক করে তবে এসময় কোন চোরাকারবারীকে আটক করতে পারেনি। এছাড়া কলারোয়ার সীমান্ত এলাকা ও উপজেলা সদর থেকে বিজিবি ও থানা পুলিশ প্রতিদিনই উদ্ধার করছে মরন নেশা ফেনসিডিল, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য। কলারোয়া সীমান্তের কেড়াগাছী, ভাদিয়ালী, কাকডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দারা জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও চোরাচালানীরা  ঈদকে সামনে রেখে সীমান্তে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কলারোয়া সীমান্তের বিভিন্ন চোরাই পথ দিয়ে আসছে ভারতীয় বিভিন্ন ধরনের পোশাক, ফেনসিডিল, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য। তারা আরো জানান, অপরদিকে চোরাকারবারীরা বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার করছে সোনার বার,  চীন থেকে আমদানি করা রসুন, সুপারীসহ মূল্যবান পণ্য। সরেজমিনে সীমান্ত এলাকায় খোজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে ভারত থেকে গরু আসা বন্ধ থাকায় চোরাকারবারীরা ব্যাপক হারে মাদক ও ভারতীয় শাড়ী-কাপড় নিয়ে আসছে। আর তাদের এ কাজে সহায়তা করছে সীমান্ত এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং কিছু অসাধু বিজিবির সদস্যরা।