ঈদে ঘুরতে বের হয়ে লাশ হলেন ৩ রোহিঙ্গা যুবক


118 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ঈদে ঘুরতে বের হয়ে লাশ হলেন ৩ রোহিঙ্গা যুবক
জুন ৭, ২০১৯ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

ঈদ উপলক্ষে ঘুরতে বের হয়ে কক্সবাজারের টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ৩ রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ১৭ জন রোহিঙ্গা আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

শুক্রবার দুপুরের দিকে টেকনাফের নোয়াখালী পাড়া মেরিন ড্রাইভ সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উখিয়া বালুখালীর জি-বল্কের মোহাম্মদ জুবাইর (১৭), একই শিবিরের সি-বল্কের মোহাম্মদ ইদ্রিস (৩০) ও নূর মোহাম্মদ(শ৪০)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সকালে ঈদ উপলক্ষে একদল রোহিঙ্গা যুবক ঘুরতে বের হয়। পরে দুপুর পৌনে ১টার দিকে লেগুনা নিয়ে টেকনাফের নোয়াখালীপাড়া মেরিন ড্রাইভ সড়ক এলাকায় পৌঁছায় তারা। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লেগুনাটি খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ সময় জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সুমন বড়ুয়া ও ড. টিটু চন্দ্র শীল তিন রোহিঙ্গাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চিকিৎসক ড. টিটু চন্দ্র শীল বলেন, দুর্ঘটনায় শিকার হয়ে তিন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ১৭ জন আহত রোহিঙ্গাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের কক্সবাজারে পাঠানো হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় তিন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিউল হাসান বলেন, ঈদে আনন্দ করতে বের হওয়া রোহিঙ্গাবাহী একটি লেগুনা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। এতে তিনজন রোহিঙ্গা মারা যান। রোহিঙ্গারা যাতে এইভাবে চলাচল করতে না পারেন সে বিষয়ে নজরদারী বাড়ানো হবে এবং মেরিনড্রাইভে দ্রুতগতির গাড়ি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে।

আহত মোহাম্মদ ইছুপ (১৮) ও মোহাম্মদ আজিব (১৫) জানায়, সকালে উখিয়ার বালুখালী ও থাইংখালীতে আশ্রয় নেওয়া কয়েকজন রোহিঙ্গা মিলে একটি লেগুনা গাড়ি ভাড়া করেন। দুপুরে টেকনাফের নোয়াখালী পাড়া পৌঁছালে চালক ফোন রিসিভ করে কথা বলেন। এর কিছুক্ষন পর গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এরপর আমরা আর কিছু বলতে পারি না।